পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ভারতীয় সিনেমা



পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রেক্ষিতে বলিউডের সিনেমা প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল পাক সিনেমা হল সংগঠন।

খবরে প্রকাশ, পাকিস্তানের অন্যতম বৃহত্তম সিনেমা অপারেটর্স চেন — সুপার সিনেমা তাদের ফেসবুক পেজে জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনও ভারতীয় ছবি দেখাবে না।

সুপার সিনেমা জানিয়েছে, পাক সেনা ও অভিনেতাদের প্রতি সহমর্মিতায় অবিলম্বে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভারতীয় ছবি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পাকিস্তানের আরও দুই মুভি অপারেটর—করাচির ন্যুপ্লেক্স সিনেমা এবং অ্যাট্রিয়াম সিনেমাও ভারতীয় ছবি প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

ন্যুপ্লেক্স জানিয়েছে, পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সহমর্মিতার কারণে তারা সব ভারতীয় ছবির প্রচার বন্ধ করছে। ন্যুপ্লেক্স ও অ্যাট্রিয়াম তাদের সব হলে অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ‘পিঙ্ক’ ছবির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

এর আগে উরিকাণ্ডের পরই বলিউডে কর্মরত পাক অভিনেতাদের ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেয় রাজ ঠাকরের নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা।

এরপরই, এদেশে কাজ করা পাক অভিনেতা ও কলাকূশলীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক সংগঠন (ইমপা)।

তবে, এমএনএস-এর এই হুলিয়ার বিরুদ্ধে মুখ খোলেন সাইফ আলি খান, করণ জোহরের মতো চলচ্চিত্র জগতের মহারথীরা। কিন্তু, সীমান্ত পারে পাক সিনেমা হল সংগঠন যখন ভারতীয় ছবি প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তখন কোনও প্রতিবাদ ওঠেনি সেদেশে।

পাতাটি ৯৭৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


প্রেমের বিষয়টি অহনার অস্বীকার

নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন মডেল-অভিনেত্রী অহনা রহমান। শুক্রবার রাতে অহনা…


চলচ্চিত্রে অভিনয়ে অনীহা মেহজাবিনের

লাক্স তারকা মেহজাবিন তার অভিনয় ও মডেলিংয়ের মধ্যে দিয়ে দর্শকদের কাছে একজন প্রিয় মুখ হিসেবে…


পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ভারতীয় সিনেমা

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রেক্ষিতে বলিউডের সিনেমা প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল…

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ



বাংলাদেশের গণমাধ্যম ক্ষেত্র বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবেই রয়ে গেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনতার অবনতি হয়েছে। আর সাংবাদিকতা জড়িয়ে যাচ্ছে ব্যবসা স্বার্থের সঙ্গে। এশিয়াবিষয়ক শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক পত্রিকা দ্য ডিপ্লোম্যাটের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়। প্রতিবেদনের শুরুতে নিউ ইয়র্কভিত্তিক সাংবাদিক সুরক্ষা কমিটি, সিপিজের সমপ্রতি প্রকাশিত রিপোর্টের উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, সিপিজে তাদের পর্যবেক্ষণে দেখেছে, বাংলাদেশে রাজনীতি ও সাংবাদিকতার মধ্যে যে পৃথকীকরণ রেখা রয়েছে তা অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি অস্পষ্ট। গণমাধ্যম স্বাধীনতার অবনতি ঘটেছে এ রকম ৯টি দেশকে চিহ্নিত করেছে সিপিজে। বাংলাদেশ দেশগুলোর মধ্যে একটি। পর্যবেক্ষণমূলক ওই রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৩ সালের রাজনৈতিক গোলযোগের সময় বাংলাদেশের সাংবাদিকদের ওপর সব দিক থেকে আঘাত এসেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনতা নিয়ে সিপিজে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করলেও এটা সত্যি যে, গত ১০ বছরে বাংলাদেশের গণমাধ্যম খাত দ্রুত বিকশিত হয়েছে। উঁচুমাত্রায় লাভজনক বহু সংবাদপত্র এবং স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল আত্মপ্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থাগুলো থেকেও উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা পেয়েছে বাংলাদেশ। এদিকে, কিছু আইনি পরিবর্তনও আনা হয়েছে। যেমন ২০০৯ সালে রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট প্রণয়নের মধ্য দিয়ে গণমাধ্যম স্বাধীনতা বিষয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের নিষ্ঠার বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে। ডিপ্লোম্যাটের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের গণমাধ্যম বাজার দ্রুত বিকশিত হওয়ার জন্য বর্তমান সময়টি ভাল। ক্রমবর্ধমান বাজারে লাভ আর প্রভাব দুটিই উপভোগ করছে অনেক প্রতিষ্ঠান। গত দশকে বাংলাদেশের বড়মাপের বেসরকারি করপোরেশনগুলো মিডিয়া বাজারে প্রবেশ করেছে এবং বর্তমানে জাতীয় গণমাধ্যমের বড় একটি অংশ দেশের শীর্ষ সব করপোরেট গ্রুপের হাতে। আফসান চৌধুরীর লেখা ‘মিডিয়া ইন টাইমস অব ক্রাইসিস’ বইয়ের উদ্ধৃতি করে প্রতিবেদনে বলা হয়, লেখকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রিন্ট মিডিয়া অনেকখানি অংশ বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো হস্তগত করে নিয়েছে। এ ছাড়াও বাংলাদেশের সাংবাদিকতা নানা আর্থিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মাত্রায় জড়িয়ে গেছে বলে বইটিতে লেখক গুরুত্বারোপ করেছেন। অন্য সমালোচকরা বলছেন, মিডিয়া ক্রমেই করপোরাটাইজড হয়ে যাচ্ছে অর্থাৎ ব্যবসা ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নানা মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। উদাহরণস্বরূপ প্রতিবেদনে ট্রান্সকম গ্রুপের কথা বলা হয়। ইলেকট্রনিক, মোবাইল ফোন, ফার্মাসিউটিক্যাল, খাদ্য ও পানীয়- এ রকম বিস্তৃত খাতে ট্রান্সকমের পদচারণার বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি সব থেকে বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক প্রথম আলো এবং সর্ববৃহৎ ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার প্রকাশ করে। এ ছাড়াও তাদের রয়েছে এফএম চ্যানেল এবিসি রেডিওর মালিকানা। চলমান এ ধারা সুস্থ গণমাধ্যমের পরিপন্থি। ইউনেস্কোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নানামুখী মিডিয়ার একত্রীকরণ এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, যেখানে সৃষ্টিশীলতা এবং বহুমুখিতার বদলে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে সাধারণ একটি মানদ- এবং সমজাতীয় বা সমমাত্রিক এক সাংস্কৃতিক পরিবেশ। বাংলাদেশে এ ধারা লক্ষণীয়। বলতে গেলে প্রতিটি টিভি চ্যানেলেই একই ধরনের অনুষ্ঠানমালা দেখা যায়। নিম্নমানের ধারাবাহিক নাটক, অসার টক শো আর পক্ষপাতমূলক, অসম্যক সংবাদ প্রচার অনুষ্ঠানের সংমিশ্রণ। তার পরও বাংলাদেশী টিভি চ্যানেলগুলোর সবটাই খারাপ তা বলা যাবে না। ২০০৫ সালে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস ট্রাস্টের সংলাপ টক শো’র প্রথম সমপ্রচার হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো টক শো ধারণাকে আপন করে নিয়েছে। এগুলোর মধ্যে বেশ কিছু অনুষ্ঠান দুর্নীতি, নীতিমালা সংস্কার, শিল্প এবং কৃষির মতো ক্ষেত্রগুলোতে নানা ইস্যু খতিয়ে দেখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এফএম রেডিও চ্যানেলের দ্রুত বিকাশ তরুণ প্রজন্মের খোরাক মেটাচ্ছে; বিশেষ করে শহুরে এলাকাগুলোতে। এফএম স্টেশনগুলো বহুমাত্রিক অনুষ্ঠান সমপ্রচার করছে। এর মধ্যে রয়েছে টক শো, গান, সংবাদ ও চিত্তবিনোদনমূলক অনুষ্ঠান। দেশের বিভিন্ন জেলায় গড়ে ওঠা কমিউনিটি রেডিও স্টেশনের সংখ্যা এখন ১৪। কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদনসহ অনুপ্রেরণামূলক নানা অনুষ্ঠান এসব স্টেশনে প্রচারিত হয়ে থাকে। তথাপি বাংলাদেশে গণমাধ্যম স্বাধীনতায় রয়েছে নানা হুমকি। বাংলাদেশের অন্যতম পুরনো বাংলা দৈনিক ইনকিলাব ১৬ই জানুয়ারি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। সাতক্ষীরা অভিযান সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে এটা করা হয়। তাদের অনলাইন সংস্করণ এখনও চালু রয়েছে। ইনকিলাব কার্যালয় থেকে প্রতিবেদনটির প্রধান প্রতিবেদক আহমেদ আতিকসহ চার সাংবাদিক গ্রেপ্তার হন। বাংলাদেশের অনেক সাংবাদিক মনে করছেন ইনকিলাবের ভাগ্য আমার দেশের মতো হতে পারে। বিরোধীপন্থি ওই পত্রিকাটির ছাপাখানা ২০১৩’র এপ্রিলে সিলগালা করে দেয়া হয়। এর আগে গ্রেপ্তার করা হয় সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে। সমপ্রচার গণমাধ্যমও যে সরকারি চাপ থেকে মুক্ত তা নয়। ২০১৩’র ৬ই মে সংবেদনশীল ধর্মীয় সংবাদ প্রচারের অভিযোগে দিগন্ত টেলিভিশনের সমপ্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়। গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা, বিশেষত সমপ্রচার খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জাতীয় সমপ্রচার নীতিমালার খসড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। প্রস্তাবিত খসড়ায় সমপ্রচার লাইসেন্স, বিজ্ঞাপন এবং অনুষ্ঠানের ধরনসংক্রান্ত দিকনির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪০টি নিয়মকানুন বিধিমালার আওতায় রয়েছে অনুমোদনপ্রাপ্ত ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি চ্যানেল। নতুন এ নীতিমালায় সমপ্র্রচারযোগ্য অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সীমারেখা চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তথ্য মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার বাড়ানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সমপ্রচার লাইসেন্স অনুমোদন প্রদানের সিদ্ধান্ত। স্পষ্টত, বাংলাদেশী গণমাধ্যমে চলমান চ্যালেঞ্জগুলো অব্যাহত থাকছে।

পাতাটি ৩৪৫০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ক্ষেত্র বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবেই রয়ে গেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনতার…


দেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’ বলে মনে করে মার্কিন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ফ্রিডম হাউস। গত বৃহস্পতিবার…

দেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’



বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’ বলে মনে করে মার্কিন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ফ্রিডম হাউস। গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে এ কথা উল্লেখ করা হয়।

ফ্রিডম হাউসের ওই প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৯৭টি দেশের গণমাধ্যমের অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫তম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পয়েন্ট পেয়েছে ৫৪।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এক দশকের মধ্যে বিশ্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে পৌঁছেছে। এতে বলা হয়, বিশ্বের ৪৪ শতাংশ মানুষের বসবাসের এলাকায় গণমাধ্যম ‘স্বাধীন নয়’। আর ৪২ শতাংশ মানুষের বসবাসের এলাকায় গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’।

প্রতিবেদনের প্রকল্প পরিচালক কারিন কার্লেকার বলেন, ‘পুরো বিশ্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সার্বিক প্রবণতা অবশ্যই নেতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। আন্তর্জাতিক স্তরেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রত্যাখ্যান করা, গণমাধ্যমে বার্তা প্রচারের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও বার্তা প্রেরককে শাস্তি দেওয়ার ঘটনা পেয়েছি আমরা।’

প্রতিবেদনে ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, হংকংসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অবনতি হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। চীনে গণমাধ্যম ‘মুক্ত নয়’ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাতাটি ৪২৮৬ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ক্ষেত্র বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবেই রয়ে গেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনতার…


দেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’ বলে মনে করে মার্কিন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ফ্রিডম হাউস। গত বৃহস্পতিবার…

ফেসবুকই খুঁজে নিল বাংলার মেহেদীকে



চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে ছুটতে আমাদের স্যান্ডেলের তলা যেখানে ইঞ্চি থেকে সহসাই সেন্টিমিটারে নেমে আসে সেখানে চাকরি দিতে ফেসবুক খুঁজে নিল এক বাংলাদেশী তরুণকে। বাংলাদেশের তরুণ মেহেদী বখত এখন চাকরি করছে ফেসবুকের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে।প্রযুক্তির বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান যেমন মাইক্রোসফট, গুগল, ফেসবুক বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ দেয়। এসবের একটি পদ্ধতি হলো, কর্তৃপক্ষই মেধাবী তরুণদের খুঁজে বের করে। এমন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের মেহেদী বখত। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পড়ার সময় দুইবার এসিএম আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার (আইসিপিসি) চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরে বুয়েট থেকে স্নাতক হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা-ক্যাম্পিংয়ে (ইউআইইউসি) পড়তে যান। এখান থেকেই নেটওয়ার্কিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ফেসবুকে মেহেদী বখত যোগ দেন ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।যেভাবে ফেসবুকেমেহেদীর ভাষ্যে- ‘পড়াশোনা শেষ করে ২০১১ সালের শেষ দিকে চাকরি খোঁজা শুরু করি আমি। সে সময় ফেসবুক এতটা বড় প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠেনি। তাই চাকরির জন্য গুগল, আমাজন, মাইক্রোসফট, লিংকড-ইনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে চেষ্টা করতে থাকি।’ এরই মধ্যে ফেসবুক থেকে একদিন যোগাযোগ করা হয় আমার সঙ্গে। তারা জানতে চায় ফেসবুকে কাজ করতে আমার আগ্রহ আছে কি না। আগ্রহী হলে সাক্ষাৎকার দেওয়ার কথা বলে। ভেবে দেখলাম, সাক্ষাৎকার দিতে তো সমস্যা নেই। একাধিক পর্বে ফোন-সাক্ষাৎকার দিয়ে শেষে দিলাম “অনসাইট ইন্টারভিউ”।’দুই সপ্তাহের মধ্যে মেহেদীর ডাক এল ফেসবুক থেকে। সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিলেন ফেসবুকের ‘মেসেজেস’ দলে। ‘চ্যাট প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং’ নামেও পরিচিত এ বিভাগ। ফেসবুকের মানবসম্পদ বিভাগের শীর্ষ ব্যক্তিরা প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আন্তর্জাতিক পর্ব থেকে সন্ধান পান মেহেদীর। মেহেদী বলেন, ‘ফেসবুকের পরে আমার যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আগ্রহ ছিল, সেগুলোর প্রায় সবগুলো থেকেই ভালো পদে চাকরি করার সুযোগ পেয়েছিলাম।’ঢাকায় জন্ম মেহেদী বখতের। মীর্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় ১১তম এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় তৃতীয় হন তিনি। এরপর বুয়েটে কম্পিউটার কৌশল বিভাগে পড়াশোনা শেষ করেন। বাবা অর্থনীতিবিদ জাহিদ বখত বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। ছেলের এমন সফলতার ব্যাপারে তিনি জানান, ‘এটা অভিভাবক হিসেবে বেশ ভালো লাগার খবর। বাংলাদেশি এসব তরুণ বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে এবং দেশের নাম উজ্জ্বল করার পাশাপাশি দেশের স্বার্থের বিষয়গুলোও দেখছে।’ মা হালিমা জায়েদ গৃহিণী।মেহেদীর স্ত্রী কারিশমা মুনতাসির বুয়েট থেকে স্নাতক এবং ইউআইআইসিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে একটি গবেষণা প্রকল্পে কাজ করছেন।পাতাটি ৩৭৮০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


ফেসবুকই খুঁজে নিল বাংলার মেহেদীকে

চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে ছুটতে আমাদের স্যান্ডেলের তলা যেখানে ইঞ্চি থেকে সহসাই সেন্টিমিটারে…


ফটোগ্রাফিতে ক্যারিয়ার

একটা ছবির অনেক ক্ষমতা আছে। কিছু না বলে একটা ছবি দিয়ে অনেক সত্যিকে তুলে ধরা…


কর্মক্ষেত্রে সকলের সুনজরে পড়ার ৫ টি সহজ উপায়

কর্মক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সুনজরে পড়ার জন্য অনেকেই অনেক ধরণের কাজ করে থাকেন। অনেকে তো ন্যায় অন্যায়…

ফটোগ্রাফিতে ক্যারিয়ার



একটা ছবির অনেক ক্ষমতা আছে। কিছু না বলে একটা ছবি দিয়ে অনেক সত্যিকে তুলে ধরা যায়। আজকের দুনিয়ায় মিডিয়া থেকে শুরু করে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি, এমনকি ব্যক্তিগত জীবনে অর্থাৎ বিয়ে, জন্মদিন ইত্যাদি উৎসব-অনুষ্ঠানেও ছবি আমাদের জীবনের একটা অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সুতরাং ফটোগ্রাফার বা আলোকচিত্রীর ক্যারিয়ারটা ভবিষ্যতে যে বেশ মজবুত হচ্ছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। ফটোগ্রাফার হলেই হলো না, ভালো ফটোগ্রাফার হতে হবে। কারণ বাজারে দামি ক্যামেরা এবং ক্যামেরার পেছনের লোকেরও অভাব নেই। সবারই বগলে একটা করে ক্যামেরা গোঁজা থাকে।

কত রকম ক্যারিয়ার : অনেক রকম ফটোগ্রাফার কাজ করে আমাদের আশপাশে। প্রত্যেকের কাজের ক্ষেত্র আলাদা। যেমন ফ্যাশন ফটোগ্রাফাররা ফ্যাশন শুট করে, ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফাররা জীবজন্তুর ছবি তুলে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফটোগ্রাফাররা মেশিনের ছবি তুলে, আবার ফরেনসিক ফটোগ্রাফারদের কাজ বিভিন্ন অ্যাসপেক্ট থেকে কোনো ক্রাইমের ছবি তোলা, যেমন কোনো খুন হলে বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে লাশের ছবি তোলা, যাতে ছবি দেখে তদন্ত করতে সুবিধা হয়। সায়েন্টিফিক ফটোগ্রাফাররা আবার রিসার্চ ওয়ার্কের ছবি তুলে। এর বাইরেও রয়েছে ন্যাচার অর্থাৎ প্রকৃতির ছবি তোলা। ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফার, তাদের কাজ শুধু বিভিন্ন স্থানকে দর্শনীয় স্থানের মতো করে ছবি তোলা। সুতরাং যে কোনো ফটোগ্রাফিই পেশা হিসেবে বেছে নেয়া যায়।
আয় : ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফারদের তেমন কোনো ফিক্সড বেতন হয় না। ৩০-৩৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় হতে পারে। আর ব্যক্তিগতভাবে যদি ফটো বিক্রি করে, তা হলে তো সে রোজগারের কোনো সীমা-পরিসীমা নেই। প্রাথমিক অবস্থায় স্টুডিও ব্যবসায় নামার পূর্বে আপনার ফটোগ্রাফির ওপর বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা সম্ভব না হলে বাজারে প্রচলিত ফটোগ্রাফির ওপর লেখা মানসম্পন্ন বই ক্রয়ের মাধ্যমে নিজের জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করতে পারেন।

রেজ্যুলেশন : রেজ্যুলেশন যত বেশি হবে আপনার ছবি তোলার মান তত উন্নত হবে। একটি ভালো রেজ্যুলেশনের ক্যামেরা আপনাকে ছবি তোলার ক্ষেত্রে বাড়তি স্বাধীনতা দেবে। যার ফলে আপনি স্পষ্ট ও বড় সাইজের ছবি তুলতে এবং প্রিন্ট করতে পারবেন। কেননা, এটি ২ মেগাপিক্সেল ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে আপনি ৫ বাই ৭ ইঞ্চি ছবি প্রিন্ট দিতে পারবেন কিন্তু ৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা দিয়ে খুব সহজেই ৮ বাই ১০ ইঞ্চি প্রিন্ট দিতে পারবেন যা ৪ মেগাপিক্সেলের ক্ষেত্রে ১১ বাই ১৭ ইঞ্চি পর্যন্ত হবে।

জুম লেন্স : কম দামি ক্যামেরায় প্রায়ই অপটিক্যাল জুম লেন্স থাকে না। তাই বাড়তি রেজ্যুলেশনের সঙ্গে বাড়তি জুমের একটি ক্যামেরা কিনতে হলে আপনাকে কিছুটা বাড়তি টাকা গোনার দুঃখ সয়ে নিতে হবে।

আজকাল বাজারে ১০ এক্স ক্ষমতার জুম লেন্সও পাওয়া যাচ্ছে। তবে স্পোর্টস ফটোগ্রাফি ছাড়া এ ধরনের ক্যামেরা সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে তেমন একটা প্রয়োজন হয় না। আর জুম লেন্স কেনার ক্ষেত্রে ট্রাইপডের বিষয়টিও আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। কেননা টেলিফটো লেন্থ বা দূরত্বটা যদি বেশি হয় তাহলে হাত কেঁপে যাওয়ার কারণে লেন্স কিনবার ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের ধোঁকায় পড়বেন না।

ম্যানুয়াল ফোকাস : অনেক সময় ক্লোজ-শট নেয়ার জন্য বা ফোকাস লক হয়ে গেলে ম্যানুয়াল ফোকাসিংয়ের দরকার হয়ে পড়ে। লো-অ্যান্ড ডিজিটাল ক্যামেরার ক্ষেত্রে প্রায়ই এ অপশনটি বাদ দেয়া হয়। কিন্তু ডিজিটাল ফোকাসিংয়ে শুধু আগে থেকেই নির্ধারিত কিছু দূরত্বে ফোকাসিং করা যায়।

ওস্টারেজ : সর্বোচ্চ রেজ্যুলেশনের ছবির ক্ষেত্রে একটি ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরায় ৮ থেকে ১০টি ছবি সংরক্ষণ করা যায়। যদিও ডিজিটাল ক্যামেরার সঙ্গে কত মেগাবাইটের স্টোরেজ থাকে এটা প্রায়ই তেমন গুরুত্ব বহন করে না। কারণ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইউজারকে আলাদা মেমোরি কার্ড কিনতে হয়। এটি এড়াবার জন্য অনেকেই ছবি তোলার সঙ্গে সঙ্গে তা কম্পিউটার বা অন্য কোনো স্টোরেজ ডিভাইসে ট্রান্সফার করে ফেলেন।

ব্যাটারি : ডিজিটাল ক্যামেরায় কয়েক ধরনের ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-এ ব্যাটারি, নন-রিচার্জেবল অ্যালকালাইন ব্যাটারি, রিচার্জেবল নিকেল মেটাল হাইড্রাইড ব্যাটারি, হাই ক্যাপাসিটি ডিসপোজেবল সিআরভিথ্রি ব্যাটারি প্রভৃতি। আপনি কোন ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করবে আপনার কাজের ধরন এবং একটানা কতক্ষণ কাজ করবেন অর্থাৎ আপনি কত সময়ের জন্য ব্যাটারি ব্যাকআপ চান তার ওপর। এ ছাড়াও স্বল্প পরিসরে ডিজিটাল ফটোস্টুডিও তৈরি করতে মাত্র ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে পর্যাপ্ত জ্ঞান নিয়ে যে কেউ ডিজিটাল স্টুডিওর মালিক হতে পারেন।

পাতাটি ৩৫৭৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


ফেসবুকই খুঁজে নিল বাংলার মেহেদীকে

চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে ছুটতে আমাদের স্যান্ডেলের তলা যেখানে ইঞ্চি থেকে সহসাই সেন্টিমিটারে…


ফটোগ্রাফিতে ক্যারিয়ার

একটা ছবির অনেক ক্ষমতা আছে। কিছু না বলে একটা ছবি দিয়ে অনেক সত্যিকে তুলে ধরা…


কর্মক্ষেত্রে সকলের সুনজরে পড়ার ৫ টি সহজ উপায়

কর্মক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সুনজরে পড়ার জন্য অনেকেই অনেক ধরণের কাজ করে থাকেন। অনেকে তো ন্যায় অন্যায়…

কর্মক্ষেত্রে সকলের সুনজরে পড়ার ৫ টি সহজ উপায়



কর্মক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সুনজরে পড়ার জন্য অনেকেই অনেক ধরণের কাজ করে থাকেন। অনেকে তো ন্যায় অন্যায় ভুলে যেয়ে অনেক অন্যায় কাজও করে ফেলেন। নিজে ওপরে উঠার নেশায় নিজের সততাও বিসর্জন দিয়ে থাকেন অনেকে। আবার অনেকে মনে করেন কলিগদের সম্পর্কে কথা লাগালে কর্মকর্তাদের নজরে পরা যাবে অনেক দ্রুত।

এই সবই ভুল কাজ। এতে করে আপনি হয়তো নজরে পরবেন তবে সুনজরে নয়। আপনার উপরের কর্মকর্তা আপনার সম্পর্কে ভালো কিছু চিন্তা করতে পারবেন না এবং আপনি অফিসে একটি বিরক্তিকর মানুষ হিসেবে পরিচিতি পাবেন। তার চাইতে করুন না এই সহজ কাজগুলো। দেখবেন খুব সহজেই নজরে পড়ছেন সবার এবং তা অবশ্যই সুনজর।
অর্ডার পাওয়ার জন্য বসে থাকবেন না

কোন কাজ সামনে আসলে তা দ্রুত করে ফেলুন। কারো বলার জন্য অপেক্ষা করবেন না। ধরুন আপনার কোনো কলিগ একটি ভুল কাজ করে ফেলেছেন। সেটি আপনাকে না বলা পর্যন্ত বসে থাকবেন না। যদি আপনার হাতে ক্ষমতা থাকে তবে তা ঠিক করে ফেলুন। এভাবে যে যে কাজগুলো করে ফেলা সম্ভব তা আগে থেকেই করে ফেলুন। এতে করে আপনি যে কাজে আগ্রহী এবং পারদর্শী তা প্রকাশ পাবে। এবং আপনি সকলের নজরে পরে যাবেন।
মিটিং এ অংশগ্রহণ করুন

অফিসে মিটিং হলে তাতে মুটামুটি সবাই বাধ্য হয়েই অংশ নিয়ে থাকেন। কিন্তু এই অংশ নেয়া মানে অংশগ্রহণ বুঝায় না। আপনি মিটিং এ বসে ঝিমাতে থাক্লেন, কিংবা মোবাইল বা ট্যাব নিয়ে পরে থাকলেন তবে আপনার সুনজরে পড়ার সম্ভাবনা নেই। মিটিং এ পুরোপুরি অংশগ্রহন করুন। প্রয়োজনের সময় চুপ করে বসে না থেকে কথা বলুন। দরকার হলে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুন। এতে করেই আপনি হয়ে উঠতে পারবেন প্রিয়পাত্র।
গুছানো ভাবে কাজ করুন

অগোছালো কাজ কারো কাছেই পছন্দের নয়। আপনার কাজের ধারা যদি অগোছালো হয়ে থাকে তবে আপনি নজরে পড়তে বাধ্য কিন্তু তা সুনজর হবে না। সুনজরে পড়তে চাইলে সকল কাজ গুছিয়ে করার চেষ্টা করুন। নিজের ডেস্ক এবং অফিসের পরিবেশটা নিজ উদ্যোগে গুছিয়ে আনার চেষ্টা করুন। এতে করে মনও গোছানো কাজের জন্য তৈরি হয়ে যাবে। হাতের কাছে এবং গোছানোভাবে জিনিস থাকলে কাজও গোছানো হবে।
নিজেকে সব সময় তৈরি রাখুন

সকল ধরণের কাজের জন্য নিজেকে তৈরি রাখুন। হতে পারে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য রাখা হয়েছে কিন্তু কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনে হয়তো আপনাকে যে কোনো কাজ করতে করতে হতে পারে। আপনি যদি তখন না বলে দেন তাহলে কি তা ভালো হয়? নিজেকে এমনভাবে তৈরি রাখুন যাতে আপনি নিজের ক্ষেত্র ছাড়াও কাজ করতে পারেন তা বুঝাতে পারেন। এতে করে বসের সুনজরে পরে যাবেন আপনি।
কলিগদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন

কলিগদের নিজের প্রতিযোগী এবং শত্রু ভেবে বসবেন না। কলিগদের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন। এতে করে দুটি সুবিধা পাবেন আপনি। প্রথমত, অফিসে বন্ধু এবং বন্ধুর মতো সাহায্য করার মানুষ পাবেন। এবং দ্বিতীয়ত। কলিগদের কছে আপনার সুনাম আপনাকে আপনার বসের সুপাত্রে পরিনত করবে।

পাতাটি ৪৬৮৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


ফেসবুকই খুঁজে নিল বাংলার মেহেদীকে

চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে ছুটতে আমাদের স্যান্ডেলের তলা যেখানে ইঞ্চি থেকে সহসাই সেন্টিমিটারে…


ফটোগ্রাফিতে ক্যারিয়ার

একটা ছবির অনেক ক্ষমতা আছে। কিছু না বলে একটা ছবি দিয়ে অনেক সত্যিকে তুলে ধরা…


কর্মক্ষেত্রে সকলের সুনজরে পড়ার ৫ টি সহজ উপায়

কর্মক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সুনজরে পড়ার জন্য অনেকেই অনেক ধরণের কাজ করে থাকেন। অনেকে তো ন্যায় অন্যায়…

ক্যারিয়ার ভিত্তিক জীবন গঠনে অবদান রাখছে লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ



দশদিক প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভিত্তিক জীবন গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজধানীর অভিজাত এলাকা উত্তরায় ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ। সময়ের ব্যবধানে লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজটি আজ সকলের কাছে একটি স্বনামধন্য, গৌরবমন্ডিত এবং সুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কলেজটি এক মনোরম পরিবেশে অবস্তিত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কলেজটি শিক্ষার প্রকৃত অর্থ বজায় রাখার ক্ষেত্রে সদা সচেষ্ট। শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত মান রক্ষা করে সম্ভাবনা সৃষ্টির মাধ্যমে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আকাঙ্খার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে চেষ্টা করছে লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ।

কলেজটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এর নিয়ম কানুন অনুসরণ করার মাধ্যমে মেধা ও দক্ষতার সমন্বয়ে তাদের কাঙ্খিত গন্তব্যের দিকে পৌঁছাতে চেষ্টা করছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা পাঠদান ও শিক্ষানুরাগী উপদেষ্টামন্ডলী দ্বারা পরিচালিত। একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও লেসনপ্ল্যান অনুযায়ী মনোরম পরিবেশে উন্নত পাঠদানের ব্যবস্থা। মেধাবী ও গরিব ছাত্র/ছত্রীদের ফুল ফ্রি, হাফ ফ্রি এবং বৃত্তির বিশেষ ব্যবস্থা। সমৃদ্ধ সাইন্সল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব ও সুসজ্জিত লাইব্রেরী। সুনিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খলা, ধর্মীয় অনুশাসন ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ এর চেয়ারম্যান এ কে এম মোস্তফা কামাল বলেন, “গতানুগতিক শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীকে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে পারে না। একজন শিক্ষার্থীর মানবিক গুণাবলী ও নৈতিকতা বিকাশের জন্য পাঠ্যপুস্তক নির্ভর লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রয়োজন নিজেকে মানসম্মত শিক্ষা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে অধিষ্ঠিত করা। লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ ক্রমাগত উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বদ্ধ পরিকর। তাই এই বিদ্যাপীঠটি একজন শিক্ষার্থীকে অধ্যয়নের মাধ্যমে ভাল ফলাফলের পাশাপাশি নীতি ও আদর্শের পথে চলতে উৎসাহ প্রদান করে।”

কলেজের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম সবুজ বলেন, “লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ সুপরিকল্পিত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সোনালী সোপানের আলোকিত পথে অগ্রসর করার ক্ষেত্রে অঙ্গীকারাবদ্ধ। শিক্ষা জাতিকে মুক্তি দেয়। আর নিরক্ষরতা মানুষকে শৃংখলিত করে রাখে। নিরক্ষর মানুষ কোন অবদান রাখতে পারে না।”
অধ্যক্ষ ড. শাহীনা বেগম জানান, “জন্মের পর থেকেই মানুষ কোন না কোন প্রতিভার অধিকারী হয়। কিন্তু সে প্রতিভা সুপ্ত অবস্থায় থাকে। উপযুক্ত শিক্ষার মাধ্যমেই মানুষের নিজ নিজ প্রতিভা বিকশিত হয়। বর্তমান বিশ্বে উন্নত দেশ গুলোতে জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে পরিণত করার জন্য বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থাকে সর্বস্তরে চালু করেছে। মানসম্মত আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আমাদের নতুন প্রজন্ম নিজেদেরকে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করে নিরক্ষরতা, দুর্নীতি ও সাম্প্রদায়িকতার অবসান ঘটিয়ে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে সেই লক্ষ্যেই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে হবে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার প্রধান কারিগর হচ্ছে নিবেদিত প্রাণ শিক্ষক। কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি আধুনিক যুগের সবচেয়ে গুরূত্বপূর্ণ বিষয় যা সারা বিশ্বে সর্বোচ্চ স্থান দখল করে আছে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায়, তা অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।”

“আধুনিক শিক্ষা, প্রযুক্তিতে দক্ষ, সে সাথে নৈতিক মূল্যবোধ, জনগনের প্রতি শ্রদ্বাবান, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলাই হবে আমাদের শিক্ষার মূল লক্ষ্য। এক দিকে যেমন সার্বজনীন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, অন্যদিকে তেমনি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বমানে উন্নীত করতে হবে। আমাদের দেশে বর্তমানে যে সব সমস্যা রয়েছে তার মূলে রয়েছে শিক্ষাহীনতা। শিক্ষা উন্নত জাতির পূর্বশর্ত। শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে মানুষ নিত্য নতুন উদ্ভাবনে মত্ত। তাই বর্তমানে আধুনিক বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষকে যথাযথ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। আর এ লক্ষ্যেকে সামনে রেখে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছে লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ।”

ভর্তি সহ যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ: বাড়ি ৯, রোড ২৬, সেক্টর ৭ উত্তরা, ঢাকা। মোবাইল: ০১৯৭৭৪৪৬৬২৬।

পাতাটি ৩৫৯৮ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


মন্ত্রীর আশ্বাসে ভাঙল শিক্ষকদের অনশন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের আশ্বাসে তিনদিন পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা অনশন ভেঙে আন্দোলন…


ক্যারিয়ার ভিত্তিক জীবন গঠনে অবদান রাখছে লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ

দশদিক প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভিত্তিক জীবন গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজধানীর অভিজাত এলাকা উত্তরায় ২০০৯…


বেসরকারি ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% আসনই খালি

আসন সংখ্যার অনুপাতে শিক্ষার্থী পাচ্ছে না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আছে, যেগুলোর মোট আসনের বড়…


ক্ষমতাসীন সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে এগিয়ে: গণশিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।…

বেসরকারি ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% আসনই খালি



আসন সংখ্যার অনুপাতে শিক্ষার্থী পাচ্ছে না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আছে, যেগুলোর মোট আসনের বড় একটি অংশ খালি থাকছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রতিবেদনে এ ধরনের বেসরকারি ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র উঠে এসেছে, যেগুলোর ৭০ শতাংশ আসনই খালি। আসন খালি থাকার কারণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় মানসম্মত শিক্ষার অভাবকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর ইউজিসি এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দেখছে উচ্চশিক্ষার প্রতিবন্ধক হিসেবে।

ইউজিসির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীদের জন্য আসন রয়েছে ৩ হাজার ২০০টি। এর বিপরীতে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন ২১৮ জন, মোট আসনের যা মাত্র ৭ শতাংশ। এ হিসাবে ৯৩ শতাংশ আসনই খালি পড়ে আছে। ওই শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের পুরোটাই ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের। অন্য কোনো বিভাগে শিক্ষার্থী পায়নি ইস্ট ডেল্টা।

২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে আসন সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৭৫। ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী ভর্তি হন ২ হাজার ৯৬৪ জন; মোট আসন সংখ্যার হিসাবে যা মাত্র ১৬ শতাংশ। একই বছর প্রতিষ্ঠিত মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি ১ হাজার ২২৫টি আসনের বিপরীতে শিক্ষার্থী পেয়েছে ৩০৪ জন বা ২৪ শতাংশ। এছাড়া সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি ৩৫০ আসনের বিপরীতে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী পায় ৪৫ জন বা ১৩ শতাংশ। এছাড়া ওয়ার্ল্ভ্র ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে ৬ হাজার ৭৫০ আসনের বিপরীতে ওই শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি হন ১ হাজার ৭৯৯ জন, মোট আসনের যা ২৭ শতাংশ। একই পরিস্থিতি দারুল ইহসান ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ক্ষেত্রেও। ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে এ দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী পায় আসনের ২৫ শতাংশ।

এ বিষয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, সরকার যত্রতত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দিচ্ছে। এ সুযোগে শিক্ষার মান নিশ্চিত না করেই অনেকে ব্যবসায় নামছে। মানসম্মত শিক্ষা দিতে না পারায় এসব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীও পাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা গাফিলতির কারণে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যর্থতায় তাদের ভবিষ্যত্ হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সরকারেরও উচিত শিগগিরই এগুলোর মানোন্নয়নের ব্যবস্থা করা।

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বেশকিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও শিক্ষার্থী সংকটে আছে। এর মধ্যে ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটিতে গত বছর বিভিন্ন সেমিস্টার মিলে শিক্ষার্থী ভর্তি হন মাত্র ৬০ জন, মোট আসনের যা ১৫ শতাংশ। এছাড়া হামদর্দ ইউনিভার্সিটি আসনের ২৭ শতাংশ বা ৭৬ জন ও ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ২৩ শতাংশ বা ৮০ জন শিক্ষার্থী টানতে সমর্থ হয়।
মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর এএএম ভুঁইঞা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের দাবি জানানো হলেও মালিকপক্ষ সেগুলো পূরণ করে না। হোস্টেল, উন্নত বিজ্ঞানাগারের মতো বিভিন্ন মৌলিক চাহিদা পূরণ করতেও ব্যর্থ হচ্ছে তারা। এসব কারণে শিক্ষার্থীও সেভাবে আসছে না।

সরেজমিনে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থী না থাকলেও চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কার্যক্রম চলে বছরজুড়েই। ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের দেয়া হয় নানা ধরনের মিথ্যা তথ্য। প্রতিটি কোর্সে শিক্ষার্থীর আসন পূরণ হয়েছে বলেও জানানো হয়। শিক্ষার্থী টানতে গতানুগতিক ছাড়ের বাইরেও বিভিন্ন উপলক্ষে ছাড়ের কথা বলা হচ্ছে। এর পরও কাজ না হলে সরাসরি কমানো হচ্ছে টিউশন ফি।

যোগাযোগ করা হলে শিক্ষা সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর হার এক হবে না, এটাই স্বাভাবিক। তবে শিক্ষার মান, ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রসারের মাধ্যমে তা বাড়ানো সম্ভব। আমরা চাই, সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মানোন্নয়ন করে ন্যূনতম শিক্ষার্থী হার পূরণ করুক। অনুমোদনের শর্ত পূরণে কেউ ব্যর্থ হলে ইউজিসি প্রাথমিক পদক্ষেপ নেবে। তার পরও কাজ না হলে মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

পাতাটি ৪৬৩৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


মন্ত্রীর আশ্বাসে ভাঙল শিক্ষকদের অনশন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের আশ্বাসে তিনদিন পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা অনশন ভেঙে আন্দোলন…


ক্যারিয়ার ভিত্তিক জীবন গঠনে অবদান রাখছে লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ

দশদিক প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভিত্তিক জীবন গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজধানীর অভিজাত এলাকা উত্তরায় ২০০৯…


বেসরকারি ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% আসনই খালি

আসন সংখ্যার অনুপাতে শিক্ষার্থী পাচ্ছে না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আছে, যেগুলোর মোট আসনের বড়…


ক্ষমতাসীন সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে এগিয়ে: গণশিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।…

ক্ষমতাসীন সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে এগিয়ে: গণশিক্ষামন্ত্রী



প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

রোববার দুপুরে আশুলিয়া ইউনিয়নের টঙ্গাবাড়ী এলাকায় আনোয়ার জং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

গণশিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালোভাবে লেখাপড়া করতে হবে। এ দায়িত্ব নিতে হবে শিক্ষকদের।

স্কুল পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি সংস্থা ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্ক পিয়ার্স, আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন মাদবর, সাভার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সরকার আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

পাতাটি ১০৫৫ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


মন্ত্রীর আশ্বাসে ভাঙল শিক্ষকদের অনশন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের আশ্বাসে তিনদিন পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা অনশন ভেঙে আন্দোলন…


ক্যারিয়ার ভিত্তিক জীবন গঠনে অবদান রাখছে লাইটহাউস ক্যারিয়ার কলেজ

দশদিক প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভিত্তিক জীবন গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজধানীর অভিজাত এলাকা উত্তরায় ২০০৯…


বেসরকারি ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% আসনই খালি

আসন সংখ্যার অনুপাতে শিক্ষার্থী পাচ্ছে না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আছে, যেগুলোর মোট আসনের বড়…


ক্ষমতাসীন সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে এগিয়ে: গণশিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।…

টোকিও সুসিন কগিয়ে থেকে সনি করপোরেশন



আকিও মরিতা এবং মাসারু ইবুকা, জাপানী দুই উদ্যোক্তা। সময়টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ও পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে জাপান তখন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। আজ থেকে ৬৬ বছর আগে আজ অর্থাত্ ৭ মে, ১৯৪৮ সালে এ দুজন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন টোকিও সুসিন কগিয়ো বা টোকিও টেলিকমিউনিকেশনস ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। ঘরে ঘরে রেডিও বা এ জাতীয় ইলেক্ট্রিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়াতেই মনোযোগী হন তারা। স্বপ্ন ছিল এমন এক ডিভাইস উদ্ভাবনের, যেটা রেডিও থেকে সম্প্রচারিত তথ্য সংগ্রহ করে ছাপিয়ে ফেলবে গোটা একটা সংবাদপত্র।

তো উত্পাদিত পণ্য বাজারজাতে জুতসই একটা নাম খুঁজছিলেন এ দুই উদ্যোক্তা। প্রথমে ভাবলেন কোম্পানির আদ্যাক্ষর ব্যবহার করে নাম রাখবেন, অর্থাত্ টিটিকে হবে তাদের ব্র্যান্ড নেম। কিন্তু দেখা গেল, দেশটির এক রেলওয়ে কোম্পানি এ নামেই চলছে। তারপর সিদ্ধান্ত নিলেন কোম্পানির নাম হবে ততসুকো। কিন্তু দেখা গেল, আমেরিকানদের এ নাম উচ্চারণ করতে বেশ সমস্যা হচ্ছে। এরপর নাম সাব্যস্ত করলেন টোকিও টেলিটেক। সেটাও টিকল না, কারণ এ নামে যুক্তরাষ্ট্রেই রয়েছে এক কোম্পানি।
সবশেষে চূড়ান্ত নাম মনোনীত হলো ‘সনি’। দুটো শব্দের মিশ্রিত রূপ এই সনি। ল্যাটিন শব্দ ‘সোনাস’ হচ্ছে শব্দ বা কম্পনের মূল রূপ। আর ‘সনি’ শব্দটি পঞ্চাশের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহার করা হত শিশু বা কিশোরদের ডাকতে।

হ্যাঁ, আকিও মরিতা এবং মাসারু ইবুকার যে কোম্পানির কথা এতক্ষণ বলছিলাম আমরা, সেটাই আজকের সনি করপোরেশন। বিশ্বের অন্যতম এক ইলেক্ট্রনিক কোম্পানি। পোর্টেবল অডিও প্লেয়ার উদ্ভাবনের মাধ্যমে যারা বদলে দিয়েছিল সঙ্গীত উপভোগের ধরণ।

যে পণ্যটি সনি প্রথম ব্যাপক আকারে বাজারে ছাড়ে তা ছিল কাঠের একটি রাইস কুকার। কিন্তু পণ্যটি ছিল ফ্লপ। কারণ, এতে রান্না করা ভাত কখনো হয়তো শক্ত থাকত, না হয় নরম হয়ে


টোকিও সুসিন কগিয়ে থেকে সনি করপোরেশন

আকিও মরিতা এবং মাসারু ইবুকা, জাপানী দুই উদ্যোক্তা। সময়টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ও পরাজয়ের…


দরিদ্র ঘরের ‘সুন্দর পিচাই’ আজ গুগলের সিইও

দুই কামরার ছোট্ট ফ্ল্যাটে আলাদা ঘর পেত না ছেলেটা। রাতে ভাইকে নিয়ে শুয়ে পড়তেন বসার…


ফেসবুকের নতুন ফিচার ‘মেসেঞ্জার ডে’

ফটো শেয়ারিং মোবাইল সার্ভিস স্ন্যাপচ্যাটের সঙ্গে পাল্লা দিতে নতুন এক পরিষেবা আনল ফেসবুক। নিজেদের মেসেজিং…