জাপানে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন



-দশদিক প্রতিবেদক:: যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে জাপানে। এর আয়োজক ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জাপান শাখা। দিবসটির তাৎপর্যে জাপান বিএনপি এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। ১৩ নভেম্বর ২০১৬ রোববার সন্ধ্যায় টোকিওর কিতা-সিটি হিগাশি জুজো ফুরেআইকান-এ আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় দূর-দূরান্ত থেকে বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনসমূহের শতাধিক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের সভাপতি নূর-এ-আলম (নুর আলী) এর সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন নুর খান রনি এবং ফয়সাল সালাউদ্দিন তুষার। এ সময় মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা কাজী এনামুল হক, সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, আলমগীর হোসেন মিঠু এবং সাধারণ সম্পাদক মীর রেজাউল করিম রেজা। পবিত্র কোরান তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে সভার কাজ শুরু করা হয়। কোরান তেলোয়াত করেন আনোয়ার হোসেন রেজা। তিনি দোয়া মাহফিলও পরিচালনা করেন।

দিবসটির তাৎপর্যে আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন মাসুদ পারভেজ, তৌহিদুল ইসলাম হেলাল, সহিদুল ইসলাম, ফয়সাল ভুইয়া, সাদেকুল হায়দার বাবলু, মাসুদ আলম, নাহিদ কামাল, মোস্তাফিজুর রহমান জনি, হায়দার হোসেন, আবুল খায়ের, তৌহিদুল আলম রিপন, আবুল হাইউল রুবেল, এটিএম জামাল, ইঞ্জিনিয়ার সোহাগ সিদ্দিকী, বিল্লাল হোসেন, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, জসীম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, জাকির হোসেন মাসুম, নুর খান রনি, সালাউদ্দিন ফয়সাল তুষার, আলমগীর হোসেন মিঠু, কাজী এনামুল হক, মোফাজ্জল হোসেন, মীর রেজাউল করিম রেজা এবং নুর-এ-আলম প্রমুখ। সভায় বর্তমানের এই ক্রান্তিলগ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।

বক্তরা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীনতাকামী সৈনিক, জনগণ এককাতারে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্রাজ্যবাদ, আধিপত্যবাদ এবং দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত রেখেছিলেন। ৭ নভেম্বর ’৭৫ থেকেই আধুনিক বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ের শুরু হয়েছিল।

তারা বলেন, দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়ে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিশালা থেকে উদ্ধার করে যদি সেদিন না আনা হতো তাহলে বাংলাদেশের ইতিহাস আজ ভিন্নভাবে লিখা হতো। সেদিন জিয়াউর রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে একটি স্বাধীন স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিল।

অত্যন্ত দুঃখের বিষয় আজ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উত্তরসূরি উপাধি নিয়ে যারা দিনটিকে অবমূল্যায়ন করছেন তারা আসলে বঙ্গবন্ধু আদর্শের নয়। কারণ, ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু নিজেই আওয়ামী লীগ বিলুপ্ত করে বাকশাল গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বর বিএনপির জন্ম হলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের সুযোগ নিয়ে তোফায়েল, সাজেদা চৌধুরী এবং আমুর আবেদনের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ পুনরায় রাজনীতি করার সুযোগ পায়। কাজেই বর্তমান আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ নয়। তোফায়েল-সাজেদা-আমুর বঞ্চিত আওয়ামী লীগ সেই আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ নয়। তোফায়েল-সাজেদা-আমুর নিবন্ধিত আওয়ামী লীগ ৭ নভেম্বরকে এমনি ভয় পায় যে সমাবেশ এর অনুমতি মিলেনি।

সব শেষে সদ্য প্রয়াত (৪ নভেম্বর ’১৬) বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবং প্রাক্তন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হাসান জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এবং তার আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ আবুল খায়ের। -ছবি: রাহমান মনি, সৌজন্যে সাপ্তাহিক।

(বি:দ্র: দশদিকের ডিসেম্বর সংখ্যায় সংবাদটি তথ্যগত ভুল থাকায় সংবাদটি পুন: প্রকাশ করা হলো। এই ত্রুটির জন্য আমারা আন্তরিক ভাবে দু:খিত। -নির্বাহী, সম্পাদক ।)

পাতাটি ১০৬৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একাদশে সাকিব-মুশফিক

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একাদশে সাকিব-মুশফিক

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের পর এবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট ‘ক্রিকেট ডটকম ডটএইউ’-এর বর্ষসেরা টেস্ট একাদশেও…


মন্ত্রীর আশ্বাসে ভাঙল শিক্ষকদের অনশন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের আশ্বাসে তিনদিন পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা অনশন ভেঙে আন্দোলন…


বিসিসিআইজের নেতৃত্বে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জাপানে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমার সঙ্গে বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন জাপান…


মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সোসাইটি জাপান-এর ঈদ পুনর্মিলনী ২০১৬

ঈদ মানে আনন্দ। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় কিংবা জাতিগতভাবে এই আনন্দ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে উৎসব আকারে…


জাপানে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

-দশদিক প্রতিবেদক:: যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে জাপানে। এর আয়োজক ছিল…


পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যতো রেকর্ড

২২ দিনের পরিক্রমা শেষে রোববার পর্দা নেমেছে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। বাংলাদেশে ১৬ মার্চ থেকে ৬…


ক্রিকেটকে পুরুষদের জন্য অনুপযুক্ত ভাবতেন হিটলার

ক্রিকেটের প্রতি অ্যাডলফ হিটলারের আগ্রহ সম্পর্কিত চমকপ্রদ তথ্য খুব কম মানুষই জানে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়…


ফেসবুকে ‘ভেরিফাইড’ সাকিব আল হাসান

অবশেষে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ফেসবুক ফেজকে ভেরিফাইড করেছে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম…


প্রেমের বিষয়টি অহনার অস্বীকার

নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন মডেল-অভিনেত্রী অহনা রহমান। শুক্রবার রাতে অহনা…


চলচ্চিত্রে অভিনয়ে অনীহা মেহজাবিনের

লাক্স তারকা মেহজাবিন তার অভিনয় ও মডেলিংয়ের মধ্যে দিয়ে দর্শকদের কাছে একজন প্রিয় মুখ হিসেবে…


পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ভারতীয় সিনেমা

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রেক্ষিতে বলিউডের সিনেমা প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল…


বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ক্ষেত্র বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবেই রয়ে গেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনতার…

পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যতো রেকর্ড



২২ দিনের পরিক্রমা শেষে রোববার পর্দা নেমেছে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। বাংলাদেশে ১৬ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে বেশ কিছু রেকর্ড তৈরি হয়েছে। যাতে ভারত, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে পেয়েছে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটটি। আসুন সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপটির কিছু রেকর্ড এক নজরে দেখে নেই-

দলীয় রেকর্ড:
• সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ- দক্ষিণ আফ্রিকা (১৯৬/৫, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড)।
• এক ম্যাচে সর্বোচ্চ রান- দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড ম্যাচে (৩৮৯ রান)।
• এক ম্যাচে সর্বনিন্ম রান- নেদারল্যান্ডস-শ্রীলঙ্কা (৭৯ রান)।
• সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী- বাংলাদেশ, নয় উইকেট ও ৪৮ বল বাকি থাকতে (প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান), ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৮৪ রানের ব্যবধানে (প্রতিপক্ষ পাকিস্তান)।
• এক ইনিংসে সর্বোচ্চ অতিরিক্ত- ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৯ রান (প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ)।

ব্যাটিং রেকর্ড:
• সর্বোচ্চ রান- বিরাট কোহলি, ভারত। ছয় ইনিংসে ১০৬.৩৩ গড়ে ৩১৯ রান সংগ্রহ করেন। সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৭৭ রান। হাফ সেঞ্চুরি ৪টি।
• এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ- অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড)। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৪ বলে অপরাজিত ১১৬ রান করেন ইংলিশ এই ওপেনার।
• সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ব্যাটিং গড়- বিরাট কোহলি (ভারত)। গেল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১০৬.৩৩ গড়ে ৩১৯ রান করেন দিল্লির এই ব্যাটসম্যান।
• সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট- সুনীল নারাইনের। ক্যারিবিয়ান এই তারকা এক ইনিংসে ব্যাট করে অপরাজিত সাত রান করেন। স্ট্রাইক রেট ৩৫০। তার ঠিক পরের স্থানেও আরেক ক্যারিবিয়। তিনি ড্যারেন সামি। উইন্ডিজ অধিনায়কের স্ট্রাইক রেট ২২৪.৪৪।
• সবচেয়ে বেশি ফিফটি- ভারতের বিরাট কোহলির। চারটি হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি।
• সবচেয়ে বেশি ডাক- বাংলাদেশের জিয়াউর রহমান ও হংকংয়ের ইরফান আহমেদের। দুই বার করে।
• গোটা টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ছয় নেদারল্যান্ডের স্টিফেন মাইবার্গের, ১৩টি। ডাচ তারকার পরের আসনটি অসি হার্টহিটার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। তার উইলো থেকে ১২টি ছয় এসেছে।

বোলিং রেকর্ড:
• গোটা টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ১২টি করে উইকেট দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির ও নেদারল্যান্ডসের আহসান মালিকের।
• এক ইনিংসে সবচেয়ে ভালো বোলিং ফিগার- শ্রীলঙ্কার রঙ্গনা হেরাথের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩.৩ ওভার বোলিং করে মাত্র ৩ রানের বিনিময়ে পাঁচটি উইকেট নেন তিনি।
• সবচেয়ে মিতব্যয়ী ইকোনমি রেট- আফগানিস্তানের মিরওয়াইস আশরাফের। গোটা টুর্নামেন্টে চার ওভার বল করে ১৪ রান দেন তিনি। ইকোনমি রেট ৩.৫০।

অন্যান্য:
• সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল- দক্ষিণ আফ্রিকান উইকেটকিপার কুইন্টন ডি ককের। পাঁচ ম্যাচে আটটি ডিসমিসাল তার দখলে।
• সবচেয়ে বেশি ক্যাচ- ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোয়াইন ব্রাভোর। পাঁচ ম্যাচে সাতটি ক্যাচ নিয়েছেন তিনি।
• সবচেয়ে বড় পার্টনারশিপ ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলস ও এউইন মর্গানের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৫২ রান করেন তারা।

পাতাটি ৩০৫০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একাদশে সাকিব-মুশফিক

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একাদশে সাকিব-মুশফিক

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের পর এবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট ‘ক্রিকেট ডটকম ডটএইউ’-এর বর্ষসেরা টেস্ট একাদশেও…


পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যতো রেকর্ড

২২ দিনের পরিক্রমা শেষে রোববার পর্দা নেমেছে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। বাংলাদেশে ১৬ মার্চ থেকে ৬…


ক্রিকেটকে পুরুষদের জন্য অনুপযুক্ত ভাবতেন হিটলার

ক্রিকেটের প্রতি অ্যাডলফ হিটলারের আগ্রহ সম্পর্কিত চমকপ্রদ তথ্য খুব কম মানুষই জানে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়…


ফেসবুকে ‘ভেরিফাইড’ সাকিব আল হাসান

অবশেষে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ফেসবুক ফেজকে ভেরিফাইড করেছে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম…

ক্রিকেটকে পুরুষদের জন্য অনুপযুক্ত ভাবতেন হিটলার



ক্রিকেটের প্রতি অ্যাডলফ হিটলারের আগ্রহ সম্পর্কিত চমকপ্রদ তথ্য খুব কম মানুষই জানে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এক ব্রিটিশ আর্মি অফিসার জার্মানির এক কারাগারে কর্মরত অবস্থায় হিটলারের ক্রিকেটের প্রতি আকর্ষণ নিজ চোখে দেখেন। এমনকি ক্রিকেট খেলার নিয়মকানুন সম্পর্কে হিটলারের সাথে তার আলাপও হয়েছিল। তার কিছুদিন পরই হিটলার ঘোষণা করেন যে তিনি নিজ উদ্যোগে একটি জার্মান ক্রিকেট টিম তৈরি করেছেন ব্রিটিশদের বিপরীতে খেলার জন্য। তবে পরে সেই খেলার ফলাফল জানা যায়নি।

এই ছিমছাম খেলাটিকে হিটলার পরে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন জার্মানিতে। হিটলারের মতে, ক্রিকেট পুরুষদের জন্য একদমই অনুপযুক্ত খেলা। কারণ হলো, ক্রিকেটে পা রক্ষা করার জন্য যে রক্ষাকবচ প্যাড ব্যবহার করা হয় হিটলারের চোখে তা ছিল একদমই অশোভন। হিটলারের তৈরি নাৎসি বাহিনী কিন্তু সব ধরনের খেলায় পারদর্শী ছিল। তারা বেশিরভাগ অবসর সময় বল একে অন্যর দিকে ছুঁড়ে ধরার খেলা খেলত। এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে হিটলারের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ মিত্র ব্রিটিশ ক্রিকেটারদের জার্মানির বার্লিনে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তাদের আসার মূল কারণটি জানা যায়নি।

১৯৩৭ সালের আগষ্টের দিকে প্রিন্স বাওডুইন জাহাজে করে ডোবার থেকে ওসটেন্ড এসে ক্রিকেটের ট্রেনিং নিয়ে� জার্মানির বার্লিনে গিয়েছিলেন। যেখানে ওর্চেস্টশায়ারের

ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ফুটবল খেলার মাঠে।�
নাৎসি বাহিনী যখনই ওর্চেস্টারশায়ারের খেলোয়ারদের নাত্সী স্যালুট দিতো, খেলোয়াররাও হাত উঁচু স্যালুটের প্রত্যুত্তর দিতো।� পরবর্তীতে ওর্চেস্টশায়ার টিমকে ক্রিকেট খেলার উদ্দেশ্যে নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক ও পর্তুগালে যায় এবং ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহন করে অনেক পুরস্কারও জিতে আনে।

পাতাটি ৩৩৩০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একাদশে সাকিব-মুশফিক

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একাদশে সাকিব-মুশফিক

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের পর এবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট ‘ক্রিকেট ডটকম ডটএইউ’-এর বর্ষসেরা টেস্ট একাদশেও…


পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যতো রেকর্ড

২২ দিনের পরিক্রমা শেষে রোববার পর্দা নেমেছে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। বাংলাদেশে ১৬ মার্চ থেকে ৬…


ক্রিকেটকে পুরুষদের জন্য অনুপযুক্ত ভাবতেন হিটলার

ক্রিকেটের প্রতি অ্যাডলফ হিটলারের আগ্রহ সম্পর্কিত চমকপ্রদ তথ্য খুব কম মানুষই জানে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়…


ফেসবুকে ‘ভেরিফাইড’ সাকিব আল হাসান

অবশেষে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ফেসবুক ফেজকে ভেরিফাইড করেছে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম…

ফেসবুকে ‘ভেরিফাইড’ সাকিব আল হাসান



অবশেষে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ফেসবুক ফেজকে ভেরিফাইড করেছে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক কতৃপক্ষ। আর এই তথ্যটা সাকিব নিজেই দিয়েছেন তাঁর পেজে।

এই মুহূর্তে ফেসবুকে সাকিবের অনুসারীর সংখ্যাটাও চমকে দেওয়ার মতো। প্রায় ২০ লাখ মানুষ সার্বক্ষণিক অনলাইনে অনুসরণ করে যাচ্ছেন দেশের ক্রিকেটের এই গর্বকে।

সাকিব তাঁর ফেসবুক পেজ ভেরিফাইড হওয়ার তথ্যটা তাঁর ওয়ালে লিখে সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি তাঁর ২০ লাখ অনুসারীকে এই উপলক্ষে জানিয়েছেন ধন্যবাদ।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিভিন্ন খেলার তারকারা ফেসবুক ব্যবহারকে ‘অবশ্য কর্তব্য’ হিসেবেই দেখেন। ফেসবুকে অনুসারীদের দল স্বাভাবিক কারণেই বড় ক্রিকেটারদের। সাকিব ছাড়াও জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মুর্তজা, নাসির হোসেন প্রমুখ তারকাদের ফেসবুক ফ্যান পেজ বেশ রমরমা। সাকিবের মতোই তাঁদের অনুসারী সংখ্যা নেহাতই কম নয়। সাকিব পথ দেখালেন। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ হয়তো অন্যদের পেজকেও অচিরেই অনুমোদন দিয়ে দেবেন—অপেক্ষা এখন সেটাই দেখার।

পাতাটি ৪১৫৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একাদশে সাকিব-মুশফিক

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা একাদশে সাকিব-মুশফিক

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের পর এবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট ‘ক্রিকেট ডটকম ডটএইউ’-এর বর্ষসেরা টেস্ট একাদশেও…


পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যতো রেকর্ড

২২ দিনের পরিক্রমা শেষে রোববার পর্দা নেমেছে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। বাংলাদেশে ১৬ মার্চ থেকে ৬…


ক্রিকেটকে পুরুষদের জন্য অনুপযুক্ত ভাবতেন হিটলার

ক্রিকেটের প্রতি অ্যাডলফ হিটলারের আগ্রহ সম্পর্কিত চমকপ্রদ তথ্য খুব কম মানুষই জানে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়…


ফেসবুকে ‘ভেরিফাইড’ সাকিব আল হাসান

অবশেষে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ফেসবুক ফেজকে ভেরিফাইড করেছে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম…

প্রেমের বিষয়টি অহনার অস্বীকার



নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন মডেল-অভিনেত্রী অহনা রহমান। শুক্রবার রাতে অহনা তার নিজস্ব ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বন্ধু তৌকীর হাসানকে নিয়ে রেস্তরাঁয় বসে খাবার গ্রহণের একটি ছবি আপলোড করেন। এরপরই তাদের প্রেম নিয়ে চারদিকে গুঞ্জন ওঠে। অহনা প্রথমে বিষয়টি আমলে না নিলেও বর্তমানের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেশ সামাজিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।

এ বিষয়ে অহনা যাযাদি বিনোদনের সঙ্গে খোলামেলা আলাপকালে বলেন, ‘বেশ কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যম এ নিয়ে রসিয়ে রসিয়ে খবর প্রকাশ করছে। এর ফলে আমরা খুবই বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে
গেছি। প্রকাশিত এসব খবরে শুধু প্রেম নয়; তৌকীরকে আমার হবু বর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এমন সংবাদে আমি মর্মাহত হয়েছি। এ নিয়ে আমরা দুইজনই নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের কাছে নানান প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি। শুটিংস্পটে গিয়েও একই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এ নিয়ে কথা বলতে বলতে রীতিমতো হাঁপিয়ে উঠেছি। তবে আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে সবাইকে বলতে চাই, তৌকীর হাসান আমার শুভকাঙ্ক্ষি ও ভালো বন্ধু মাত্র। তার সঙ্গে প্রেম কিংবা বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কোনো ইচ্ছে আমার নেই। আমরা দুইজনই জীবনের সঙ্কটকালীন মুহূর্তগুলো শেয়ার করি মাত্র। তাছাড়া বর্তমানে আমি অভিনয় নিয়ে এতটাই ব্যস্ত যে, প্রেম কিংবা বিয়ে নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার ফুরসত নেই।’

প্রসঙ্গত, তৌকীর হাসান একটি ট্রাভেল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অরগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এর আগে ২০১১ সালের শেষদিকে রাহিদ মান্নান লেলিন নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে অহনার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু মাত্র এক বছরের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

পাতাটি ৩৭০০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


প্রেমের বিষয়টি অহনার অস্বীকার

নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন মডেল-অভিনেত্রী অহনা রহমান। শুক্রবার রাতে অহনা…


চলচ্চিত্রে অভিনয়ে অনীহা মেহজাবিনের

লাক্স তারকা মেহজাবিন তার অভিনয় ও মডেলিংয়ের মধ্যে দিয়ে দর্শকদের কাছে একজন প্রিয় মুখ হিসেবে…


পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ভারতীয় সিনেমা

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রেক্ষিতে বলিউডের সিনেমা প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল…

চলচ্চিত্রে অভিনয়ে অনীহা মেহজাবিনের



লাক্স তারকা মেহজাবিন তার অভিনয় ও মডেলিংয়ের মধ্যে দিয়ে দর্শকদের কাছে একজন প্রিয় মুখ হিসেবে পরিণত হয়েছেন। আর এই তারকার অভিনীত উল্লেখ্যযোগ্য নাটকগুলো ‘তুমি থাকো সিন্ধুপারে’, ‘অপেক্ষার ফটোগ্রাফি’, ‘ওধরা’, ‘আনলিমেটেড হাসো’, ‘মনের মতো মন’, ‘তুলা রাশির ছেলে’সহ ইত্যাদি।

২০০৯ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টার প্রতিযোগিতায় নাম লেখান এবং বিজয়ী হন এই অভিনেত্রী। তারপর থেকেই তার মিডিয়াতে পথচলা শুরু। নিয়মিত মডেলিং, নাটক এবং নৃত্যে অংশগ্রহণ করে চলছেন তিনি।পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করছেন তিনি, যদিও এখনও তা আলোর মুখ দেখেনি। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘পরবাসিনী’। এই চলচ্চিত্রে এলিয়েন চরিত্র দেখা যাবে মেহজাবিনকে।

এলিয়েন চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে মেহজাবিন বললেন, “আসলে বেশ উপভোগ্য ছিল আর কিছুটা চ্যালেঞ্জিংও বলতে হবে। চেষ্টা করেছি চরিত্রটিকে ফুটিয়ে তুলতে। কতটুকু অভিনয় করতে পেরেছি, তা দর্শকরা ছবিটি মুক্তির পর বলতে পারবেন।”

তবে চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করতে অনীহা প্রকাশ করেন তিনি। অভিনয় না মডেলিং কোন মাধ্যমে কাজ করতে পছন্দ? এপ্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে মেহজাবিন বললেন, “মূলত মডেলিং করতেই বেশি ভালো লাগে, কারণ এই মাধ্যমে দর্শকদের কাছে খুব সহজে পৌছানো যায়।”

পাতাটি ৪৭৪৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


প্রেমের বিষয়টি অহনার অস্বীকার

নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন মডেল-অভিনেত্রী অহনা রহমান। শুক্রবার রাতে অহনা…


চলচ্চিত্রে অভিনয়ে অনীহা মেহজাবিনের

লাক্স তারকা মেহজাবিন তার অভিনয় ও মডেলিংয়ের মধ্যে দিয়ে দর্শকদের কাছে একজন প্রিয় মুখ হিসেবে…


পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ভারতীয় সিনেমা

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রেক্ষিতে বলিউডের সিনেমা প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল…

পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ভারতীয় সিনেমা



পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রেক্ষিতে বলিউডের সিনেমা প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল পাক সিনেমা হল সংগঠন।

খবরে প্রকাশ, পাকিস্তানের অন্যতম বৃহত্তম সিনেমা অপারেটর্স চেন — সুপার সিনেমা তাদের ফেসবুক পেজে জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনও ভারতীয় ছবি দেখাবে না।

সুপার সিনেমা জানিয়েছে, পাক সেনা ও অভিনেতাদের প্রতি সহমর্মিতায় অবিলম্বে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভারতীয় ছবি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পাকিস্তানের আরও দুই মুভি অপারেটর—করাচির ন্যুপ্লেক্স সিনেমা এবং অ্যাট্রিয়াম সিনেমাও ভারতীয় ছবি প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

ন্যুপ্লেক্স জানিয়েছে, পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সহমর্মিতার কারণে তারা সব ভারতীয় ছবির প্রচার বন্ধ করছে। ন্যুপ্লেক্স ও অ্যাট্রিয়াম তাদের সব হলে অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ‘পিঙ্ক’ ছবির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

এর আগে উরিকাণ্ডের পরই বলিউডে কর্মরত পাক অভিনেতাদের ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেয় রাজ ঠাকরের নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা।

এরপরই, এদেশে কাজ করা পাক অভিনেতা ও কলাকূশলীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক সংগঠন (ইমপা)।

তবে, এমএনএস-এর এই হুলিয়ার বিরুদ্ধে মুখ খোলেন সাইফ আলি খান, করণ জোহরের মতো চলচ্চিত্র জগতের মহারথীরা। কিন্তু, সীমান্ত পারে পাক সিনেমা হল সংগঠন যখন ভারতীয় ছবি প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তখন কোনও প্রতিবাদ ওঠেনি সেদেশে।

পাতাটি ৯৭৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


প্রেমের বিষয়টি অহনার অস্বীকার

নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন মডেল-অভিনেত্রী অহনা রহমান। শুক্রবার রাতে অহনা…


চলচ্চিত্রে অভিনয়ে অনীহা মেহজাবিনের

লাক্স তারকা মেহজাবিন তার অভিনয় ও মডেলিংয়ের মধ্যে দিয়ে দর্শকদের কাছে একজন প্রিয় মুখ হিসেবে…


পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ভারতীয় সিনেমা

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রেক্ষিতে বলিউডের সিনেমা প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল…

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ



বাংলাদেশের গণমাধ্যম ক্ষেত্র বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবেই রয়ে গেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনতার অবনতি হয়েছে। আর সাংবাদিকতা জড়িয়ে যাচ্ছে ব্যবসা স্বার্থের সঙ্গে। এশিয়াবিষয়ক শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক পত্রিকা দ্য ডিপ্লোম্যাটের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়। প্রতিবেদনের শুরুতে নিউ ইয়র্কভিত্তিক সাংবাদিক সুরক্ষা কমিটি, সিপিজের সমপ্রতি প্রকাশিত রিপোর্টের উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, সিপিজে তাদের পর্যবেক্ষণে দেখেছে, বাংলাদেশে রাজনীতি ও সাংবাদিকতার মধ্যে যে পৃথকীকরণ রেখা রয়েছে তা অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি অস্পষ্ট। গণমাধ্যম স্বাধীনতার অবনতি ঘটেছে এ রকম ৯টি দেশকে চিহ্নিত করেছে সিপিজে। বাংলাদেশ দেশগুলোর মধ্যে একটি। পর্যবেক্ষণমূলক ওই রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৩ সালের রাজনৈতিক গোলযোগের সময় বাংলাদেশের সাংবাদিকদের ওপর সব দিক থেকে আঘাত এসেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনতা নিয়ে সিপিজে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করলেও এটা সত্যি যে, গত ১০ বছরে বাংলাদেশের গণমাধ্যম খাত দ্রুত বিকশিত হয়েছে। উঁচুমাত্রায় লাভজনক বহু সংবাদপত্র এবং স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল আত্মপ্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থাগুলো থেকেও উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা পেয়েছে বাংলাদেশ। এদিকে, কিছু আইনি পরিবর্তনও আনা হয়েছে। যেমন ২০০৯ সালে রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট প্রণয়নের মধ্য দিয়ে গণমাধ্যম স্বাধীনতা বিষয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের নিষ্ঠার বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে। ডিপ্লোম্যাটের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের গণমাধ্যম বাজার দ্রুত বিকশিত হওয়ার জন্য বর্তমান সময়টি ভাল। ক্রমবর্ধমান বাজারে লাভ আর প্রভাব দুটিই উপভোগ করছে অনেক প্রতিষ্ঠান। গত দশকে বাংলাদেশের বড়মাপের বেসরকারি করপোরেশনগুলো মিডিয়া বাজারে প্রবেশ করেছে এবং বর্তমানে জাতীয় গণমাধ্যমের বড় একটি অংশ দেশের শীর্ষ সব করপোরেট গ্রুপের হাতে। আফসান চৌধুরীর লেখা ‘মিডিয়া ইন টাইমস অব ক্রাইসিস’ বইয়ের উদ্ধৃতি করে প্রতিবেদনে বলা হয়, লেখকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রিন্ট মিডিয়া অনেকখানি অংশ বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো হস্তগত করে নিয়েছে। এ ছাড়াও বাংলাদেশের সাংবাদিকতা নানা আর্থিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মাত্রায় জড়িয়ে গেছে বলে বইটিতে লেখক গুরুত্বারোপ করেছেন। অন্য সমালোচকরা বলছেন, মিডিয়া ক্রমেই করপোরাটাইজড হয়ে যাচ্ছে অর্থাৎ ব্যবসা ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নানা মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। উদাহরণস্বরূপ প্রতিবেদনে ট্রান্সকম গ্রুপের কথা বলা হয়। ইলেকট্রনিক, মোবাইল ফোন, ফার্মাসিউটিক্যাল, খাদ্য ও পানীয়- এ রকম বিস্তৃত খাতে ট্রান্সকমের পদচারণার বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি সব থেকে বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক প্রথম আলো এবং সর্ববৃহৎ ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার প্রকাশ করে। এ ছাড়াও তাদের রয়েছে এফএম চ্যানেল এবিসি রেডিওর মালিকানা। চলমান এ ধারা সুস্থ গণমাধ্যমের পরিপন্থি। ইউনেস্কোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নানামুখী মিডিয়ার একত্রীকরণ এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, যেখানে সৃষ্টিশীলতা এবং বহুমুখিতার বদলে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে সাধারণ একটি মানদ- এবং সমজাতীয় বা সমমাত্রিক এক সাংস্কৃতিক পরিবেশ। বাংলাদেশে এ ধারা লক্ষণীয়। বলতে গেলে প্রতিটি টিভি চ্যানেলেই একই ধরনের অনুষ্ঠানমালা দেখা যায়। নিম্নমানের ধারাবাহিক নাটক, অসার টক শো আর পক্ষপাতমূলক, অসম্যক সংবাদ প্রচার অনুষ্ঠানের সংমিশ্রণ। তার পরও বাংলাদেশী টিভি চ্যানেলগুলোর সবটাই খারাপ তা বলা যাবে না। ২০০৫ সালে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস ট্রাস্টের সংলাপ টক শো’র প্রথম সমপ্রচার হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো টক শো ধারণাকে আপন করে নিয়েছে। এগুলোর মধ্যে বেশ কিছু অনুষ্ঠান দুর্নীতি, নীতিমালা সংস্কার, শিল্প এবং কৃষির মতো ক্ষেত্রগুলোতে নানা ইস্যু খতিয়ে দেখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এফএম রেডিও চ্যানেলের দ্রুত বিকাশ তরুণ প্রজন্মের খোরাক মেটাচ্ছে; বিশেষ করে শহুরে এলাকাগুলোতে। এফএম স্টেশনগুলো বহুমাত্রিক অনুষ্ঠান সমপ্রচার করছে। এর মধ্যে রয়েছে টক শো, গান, সংবাদ ও চিত্তবিনোদনমূলক অনুষ্ঠান। দেশের বিভিন্ন জেলায় গড়ে ওঠা কমিউনিটি রেডিও স্টেশনের সংখ্যা এখন ১৪। কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদনসহ অনুপ্রেরণামূলক নানা অনুষ্ঠান এসব স্টেশনে প্রচারিত হয়ে থাকে। তথাপি বাংলাদেশে গণমাধ্যম স্বাধীনতায় রয়েছে নানা হুমকি। বাংলাদেশের অন্যতম পুরনো বাংলা দৈনিক ইনকিলাব ১৬ই জানুয়ারি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। সাতক্ষীরা অভিযান সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে এটা করা হয়। তাদের অনলাইন সংস্করণ এখনও চালু রয়েছে। ইনকিলাব কার্যালয় থেকে প্রতিবেদনটির প্রধান প্রতিবেদক আহমেদ আতিকসহ চার সাংবাদিক গ্রেপ্তার হন। বাংলাদেশের অনেক সাংবাদিক মনে করছেন ইনকিলাবের ভাগ্য আমার দেশের মতো হতে পারে। বিরোধীপন্থি ওই পত্রিকাটির ছাপাখানা ২০১৩’র এপ্রিলে সিলগালা করে দেয়া হয়। এর আগে গ্রেপ্তার করা হয় সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে। সমপ্রচার গণমাধ্যমও যে সরকারি চাপ থেকে মুক্ত তা নয়। ২০১৩’র ৬ই মে সংবেদনশীল ধর্মীয় সংবাদ প্রচারের অভিযোগে দিগন্ত টেলিভিশনের সমপ্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়। গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা, বিশেষত সমপ্রচার খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জাতীয় সমপ্রচার নীতিমালার খসড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। প্রস্তাবিত খসড়ায় সমপ্রচার লাইসেন্স, বিজ্ঞাপন এবং অনুষ্ঠানের ধরনসংক্রান্ত দিকনির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪০টি নিয়মকানুন বিধিমালার আওতায় রয়েছে অনুমোদনপ্রাপ্ত ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি চ্যানেল। নতুন এ নীতিমালায় সমপ্র্রচারযোগ্য অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সীমারেখা চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তথ্য মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার বাড়ানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সমপ্রচার লাইসেন্স অনুমোদন প্রদানের সিদ্ধান্ত। স্পষ্টত, বাংলাদেশী গণমাধ্যমে চলমান চ্যালেঞ্জগুলো অব্যাহত থাকছে।

পাতাটি ৩৪৫০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ক্ষেত্র বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবেই রয়ে গেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনতার…


দেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’ বলে মনে করে মার্কিন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ফ্রিডম হাউস। গত বৃহস্পতিবার…

দেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’



বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’ বলে মনে করে মার্কিন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ফ্রিডম হাউস। গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে এ কথা উল্লেখ করা হয়।

ফ্রিডম হাউসের ওই প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৯৭টি দেশের গণমাধ্যমের অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫তম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পয়েন্ট পেয়েছে ৫৪।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এক দশকের মধ্যে বিশ্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে পৌঁছেছে। এতে বলা হয়, বিশ্বের ৪৪ শতাংশ মানুষের বসবাসের এলাকায় গণমাধ্যম ‘স্বাধীন নয়’। আর ৪২ শতাংশ মানুষের বসবাসের এলাকায় গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’।

প্রতিবেদনের প্রকল্প পরিচালক কারিন কার্লেকার বলেন, ‘পুরো বিশ্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সার্বিক প্রবণতা অবশ্যই নেতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। আন্তর্জাতিক স্তরেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রত্যাখ্যান করা, গণমাধ্যমে বার্তা প্রচারের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও বার্তা প্রেরককে শাস্তি দেওয়ার ঘটনা পেয়েছি আমরা।’

প্রতিবেদনে ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, হংকংসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অবনতি হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। চীনে গণমাধ্যম ‘মুক্ত নয়’ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাতাটি ৪২৮৬ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ক্ষেত্র বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু সাংবাদিকতা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবেই রয়ে গেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনতার…


দেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’

বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘আংশিক মুক্ত’ বলে মনে করে মার্কিন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ফ্রিডম হাউস। গত বৃহস্পতিবার…

ফেসবুকই খুঁজে নিল বাংলার মেহেদীকে



চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে ছুটতে আমাদের স্যান্ডেলের তলা যেখানে ইঞ্চি থেকে সহসাই সেন্টিমিটারে নেমে আসে সেখানে চাকরি দিতে ফেসবুক খুঁজে নিল এক বাংলাদেশী তরুণকে। বাংলাদেশের তরুণ মেহেদী বখত এখন চাকরি করছে ফেসবুকের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে।প্রযুক্তির বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান যেমন মাইক্রোসফট, গুগল, ফেসবুক বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ দেয়। এসবের একটি পদ্ধতি হলো, কর্তৃপক্ষই মেধাবী তরুণদের খুঁজে বের করে। এমন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের মেহেদী বখত। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পড়ার সময় দুইবার এসিএম আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার (আইসিপিসি) চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরে বুয়েট থেকে স্নাতক হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা-ক্যাম্পিংয়ে (ইউআইইউসি) পড়তে যান। এখান থেকেই নেটওয়ার্কিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ফেসবুকে মেহেদী বখত যোগ দেন ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।যেভাবে ফেসবুকেমেহেদীর ভাষ্যে- ‘পড়াশোনা শেষ করে ২০১১ সালের শেষ দিকে চাকরি খোঁজা শুরু করি আমি। সে সময় ফেসবুক এতটা বড় প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠেনি। তাই চাকরির জন্য গুগল, আমাজন, মাইক্রোসফট, লিংকড-ইনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে চেষ্টা করতে থাকি।’ এরই মধ্যে ফেসবুক থেকে একদিন যোগাযোগ করা হয় আমার সঙ্গে। তারা জানতে চায় ফেসবুকে কাজ করতে আমার আগ্রহ আছে কি না। আগ্রহী হলে সাক্ষাৎকার দেওয়ার কথা বলে। ভেবে দেখলাম, সাক্ষাৎকার দিতে তো সমস্যা নেই। একাধিক পর্বে ফোন-সাক্ষাৎকার দিয়ে শেষে দিলাম “অনসাইট ইন্টারভিউ”।’দুই সপ্তাহের মধ্যে মেহেদীর ডাক এল ফেসবুক থেকে। সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিলেন ফেসবুকের ‘মেসেজেস’ দলে। ‘চ্যাট প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং’ নামেও পরিচিত এ বিভাগ। ফেসবুকের মানবসম্পদ বিভাগের শীর্ষ ব্যক্তিরা প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আন্তর্জাতিক পর্ব থেকে সন্ধান পান মেহেদীর। মেহেদী বলেন, ‘ফেসবুকের পরে আমার যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আগ্রহ ছিল, সেগুলোর প্রায় সবগুলো থেকেই ভালো পদে চাকরি করার সুযোগ পেয়েছিলাম।’ঢাকায় জন্ম মেহেদী বখতের। মীর্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় ১১তম এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় তৃতীয় হন তিনি। এরপর বুয়েটে কম্পিউটার কৌশল বিভাগে পড়াশোনা শেষ করেন। বাবা অর্থনীতিবিদ জাহিদ বখত বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। ছেলের এমন সফলতার ব্যাপারে তিনি জানান, ‘এটা অভিভাবক হিসেবে বেশ ভালো লাগার খবর। বাংলাদেশি এসব তরুণ বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে এবং দেশের নাম উজ্জ্বল করার পাশাপাশি দেশের স্বার্থের বিষয়গুলোও দেখছে।’ মা হালিমা জায়েদ গৃহিণী।মেহেদীর স্ত্রী কারিশমা মুনতাসির বুয়েট থেকে স্নাতক এবং ইউআইআইসিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে একটি গবেষণা প্রকল্পে কাজ করছেন।পাতাটি ৩৭৮০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


ফেসবুকই খুঁজে নিল বাংলার মেহেদীকে

চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে ছুটতে আমাদের স্যান্ডেলের তলা যেখানে ইঞ্চি থেকে সহসাই সেন্টিমিটারে…


ফটোগ্রাফিতে ক্যারিয়ার

একটা ছবির অনেক ক্ষমতা আছে। কিছু না বলে একটা ছবি দিয়ে অনেক সত্যিকে তুলে ধরা…


কর্মক্ষেত্রে সকলের সুনজরে পড়ার ৫ টি সহজ উপায়

কর্মক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সুনজরে পড়ার জন্য অনেকেই অনেক ধরণের কাজ করে থাকেন। অনেকে তো ন্যায় অন্যায়…