পেটের মেদ কমাতে ডিমের সালাদ স্যান্ডউইচ



পেটের মেদ বাড়লে নারী বা পুরুষ উভয়কেই দেখতে খারাপ লাগে। কিন্তু এই পেটের মেদ আমাদেরই অনিয়ম এবং বাজে খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। পেটে অল্প মেদ জমলে সহজ কিছু উপায়ে কমিয়ে ফেলা যায়। কিন্তু বেশি মেদ জমলে তা নিয়ে বিপদে পরেন সবাই। কারণ একবার বেশি মাত্রায় মেদ জমে গেলে তা কমানো অনেক কষ্টসাধ্য কাজ। কিন্তু পেটে জমে থাকা মেদ নিয়ে তো চুপচাপ বসে থাকা যায় না। তাই আজকে রইল পেটের জমে থাকা মেদ দূর করার একটি সুস্বাদু উপায়।
স্যান্ডউইচ খেতে আমরা সবাই ভালোবাসি। কিন্তু পেটের মেদের কথা চিন্তা করে অনেকেই পছন্দের এই খাবারটি খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু স্যান্ডউইচটাকে একটু স্বাস্থ্যকর করে নিলেই সমস্যার সমাধান। আপনি খেতে পারেন ‘ডিমের সালাদ স্যান্ডউইচ’ যাতে ক্যালোরি এবং ফ্যাটের মাত্রা অনেক কম। আপনার পছন্দের খাবারটিই হতে পারে আপনার পেটে জমে থাকা মেদ দূর করার কার্যকরী খাদ্য। চলুন জেনে নেয়া যাক পেটের মেদ দূর করার জন্য ‘ডিমের সালাদ স্যান্ডউইচ’ তৈরির সহজ রেসিপিটি।
উপকরণঃ ৬ টি ডিম, ১ কাপ দই, ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ কাপ টমেটো ছোট করে কাটা
১ চিমটি গোল মরিচ গুড়ো ১ টি মরিচ কুঁচি ৮ টি বড় পিঁয়াজের রিঙ ৮ টি বড় লেটুস পাতা ৮ টি বড় স্লাইস পাউরুটি
১ চিমটি গোল মরিচ গুড়ো, ১ টি মরিচ কুঁচি, ৮ টি বড় পিঁয়াজের রিঙ ৮ টি বড় লেটুস পাতা, ৮ টি বড় স্লাইস পাউরুটি
প্রণালি:
য় প্রথমে ডিম ভালো করে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন।
য় সেদ্ধ ডিম একটি পাত্রে নিয়ে ভালো করে কাটাচামচ বা হাত দিয়ে পিষে ভর্তা করে নিন।
য় এরপর এতে দই দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
য় তারপর এতে লেবুর রস, মরিচ এবং গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে মেশান।
য় এবার এতে কাটা টমেটো দিয়ে নেড়ে নিন হালকা ভাবে।
য় পাউরুটি ইচ্ছা হলে টোস্ট করে নিতে পারেন নইলে সাধারনভাবেই চারপাশের শক্ত অংশ ছারিয়ে নিতে পারে।
য় এরপর পাউরুটির ওপর লেটুস পাতা, টমেটো স্লাইস এবং পেয়াজের রিঙ সাজিয়ে এর ওপর ডিম এবং দইয়ের মিশ্রণটি দিয়ে দিন। এর ওপর আবার টমেটো স্লাইস, পেঁয়াজের রিঙ ও লেটুস পাতা দিয়ে ওপরে আরেকটি পাউরুটির স্লাইস দিয়ে স্যান্ডউইচের মত করে কোণাকোণি কেটে নিন।
য় ব্যস তৈরি হয়ে গেল পেটের মেদ কমানোর জন্য সকাল এবং বিকালে খাবার জন্য সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর ‘ডিমের সালাদ স্যান্ডউইচ’ যেন ওই মিশ্রণ হাতে গোল করা যায়। তারপর লাড্ডু বানাতে হবে।


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…

দ্রুত ওজন কমাতে ৩টি সুস্বাদু সালাদ!



একটু বাড়তি ওজন যে কতোটা ঝামেলার তা যারা ভুক্তভোগী তারাই জানেন। এই বাড়তি ওজন কমানোর জন্য অনেক চেষ্টা করে থাকেন সবাই। কিন্তু ওজন এমনই নাছোড়বান্দা যে সহজে পিছু ছাড়তে চায় না। ডায়েট, ব্যায়াম সব কিছু দিয়ে চেষ্টা করেও ওজন কমানো সম্ভব হয় না। তার ওপর যারা একটু ভোজনরসিক তাদের জন্য ডায়েটিং বেশিদিন ধরে রাখাও কষ্টকর। এই সমস্যা সমাধান করে দেবে সালাদ।
অবাক হলেন? ভাবছেন সালাদ খাওয়া তো ডায়েটিং এর পর্যায়ে পরে। হ্যাঁ অবশ্যই, কিন্তু সালাদটাকে যদি বেশ মজাদার করে তোলা যায় তবে তা খেয়ে ডায়েট করা বেশী সহজ মনে হয়। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল ৩ বেলার ৩টি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর সালাদ যা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করবে।
সকাল বেলার ডিমের সালাদ সকালবেলার আদর্শ নাস্তা হিসেবে খেতে পারেন এই সালাদ। সুস্বাদু এই সালাদ সারাদিন আপনাকে রাখবে তরতাজা এবং এর পাশাপাশি কমাবে ওজন।
পদ্ধতিঃ এই সালাদটি তৈরি করতে লাগবে ২ টি ডিম সেদ্ধ (কুসুম ছাড়া), ১ টি সবুজ আপেল, ২ টি টমেটো, ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, সামান্য লবণ এবং গোলমরিচ গুঁড়ো। ডিম, আপেল এবং টমেটো কিউব করে কেটে নিন। এরপর সবগুলি উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিন সাধারণ সালাদের মত। চাইলে সালাদে ধনিয়া পাতা বা লেটুস পাতা কুচি যোগ করতে পারেন। এই সালাদ খান প্রতিদিন সকালে। ওজন কমবে দ্রুত।
দুপুরবেলার চিকেন-বুট সালাদ অনেকের দুপুরবেলা বেশী খাওয়া হয়ে যায়। যার ফলে ওজন কমার বদলে বাড়তে থাকে। তাদের জন্য রইল দুপুর বেলার এক সুস্বাদু সালাদ। এই সালাদ ভোজনরসিকদের মনকে শান্ত রাখবে এবং পাশাপাশি ওজনও কমাবে।
পদ্ধতিঃ এই সালাদ তৈরি করতে আপনার লাগবে মুরগীর সেদ্ধ হাড় ছাড়া মাংস ২৫ গ্রাম, ফ্যাট ছাড়া দই ২ টেবিল চামচ (টক মিষ্টি দই ব্যবহার করতে পারেন), ১ টি শসা, ১ কাপ ছোলা বুট সেদ্ধ, লেটুস, ১০/১৫ টি আঙুর লবণ, সামান্য লবণ এবং ১ চা চামচ অলিভ অয়েল। ছোলাবুট সারারাত ভিজিয়ে রেখে সেদ্ধ করে নিন। মুরগীর সেদ্ধ মাংস ছোট ছোট টুকরা করে নিন। শসা কেটে নিন কিউব করে। এরপর সব উপকরণ একসাথে দই এবং অলিভ অয়েল দিয়ে মিশিয়ে নিন। দুপুরে ভারী খাবার বাদ দিয়ে এই সালাদটি খান ওজন কমবে।
রাতের বেলা পাস্তা সালাদ রাত ৮ টা তার মধ্যে রাতের বেলার খাবার খেয়ে নেয়ার অভ্যাস করা ভালো। যারা এই অভ্যাসটি তৈরি করতে পারেন না তারা ভারী খাবারের বদলে এই সালাদটি খাবার অভ্যাস করতে পারেন।
পদ্ধতিঃ এই সালাদটি তৈরি করতে লাগবে ১ কাপ ম্যাকারনি, ১ কাপ ব্রকলি ছোট করে কাটা, ২৫ গ্রাম সেদ্ধ মুরগীর মাংস ছোট করে কাটা, ২ টি টমেটো কিউব করে কাটা, ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, লবণ এবং সামান্য ভিনেগার। সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিয়ে ১০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। এরপর এতে সামান্য লেবুর রস চিপে দিয়ে সালাদটি খান। ব্যাস ওজন কমানোর জন্য আপনার রাতের খাবার তৈরি


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…

ইবিতে সাবেক ভিসির স্মরনে শোক সভা



ইয়াছিন মাহমুদ (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি)
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমানের স্মরণে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রফেসর ড. মোহাঃ তোজাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষদ ভবনের ৪২৭ নং কক্ষে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ এই স্মরন সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
প্রফেসর ড. মোঃ ওবায়দুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আফজাল হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার বলেন, প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিলেন বহুগুণে গুণান্বিত একজন পন্ডিত মানুষ। তিনি ছিলেন ইসলামী চিন্তবিদ। তাঁর চিন্তা ও নীতিবোধ বাংলাদেশে ইসলামী উন্নয়নে ব্যাপক ভুমিকা পালন করেছে।
সাবেক ভিসি মরহুমের মুস্মৃতিচারণ করে অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. নজিবুল হক, সাধারন সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ ইকবাল হোছাইন, ব্যবসায় অনুষদের ডিন ও সাবেক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মিজানুর রহমান, প্রফেসর ড. এইচ.এম ইয়াহ্ইয়াহ রহমান, প্রফেসর ড. মোঃ মামুন, প্রফেসর ড. রুহুল আমীন, প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম নূরী, প্রফেসর ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান, প্রফেসর ড. মোঃ এয়াকুব আলী, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, প্রফেসর ড. শহীদ মুহাম্মদ রেজওয়ান , প্রফেসর ড. রহমান হাবিব, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মরহুমের জীবনী নিয়ে আলোচনা শেষে বেলা দেড়টার দিকে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ সোলায়মান, প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম মাওলা, প্রফেসর ড. মোস্তাক মোহাম্মদ আব্দুল মুক্তাদির মুনাওয়ার আলী, প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মোত্তালিব, ড. এ কে এম শামছুল হক ছিদ্দিকী, ড.এ কে এম মফিজুল ইসলাম, ড. কামরুল হাসান, ড. মোহাম্মাদ সাইফুল গনি, ড. কাউছার মোঃ বাকী বিল্লাহ ও রফিকুল ইসলাম।

ইয়াছিন মাহমুদ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।
মোবাইল ০১৯২৯-০১২৬৯৬


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…

উত্তরণ সাহিত্য পুরস্কার পেলেন কবি ও গবেষক



মাহফুজুর রহমান আখন্দ
শিশুসাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্যে উত্তরণ সাহিত্য পুরস্কার পেলেন কবি ও গবেবষক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ। গত ১০ মার্চ ২০১৪ পাবনা প্রেসক্লাব ভিআইপি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ও ভারতের শতাধিক লেখকের অংশ গ্রহণে অনুষ্ঠিত দুই বাংলা লেখক সম্মেলনে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। পাবনার উত্তরণ সাহিত্য আসর ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ লেখক সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও ছড়াকার আসলাম সানী। কবি গল্পকার অধ্যক্ষ এনামুল হক টগর ও কবি আলমগীর কবীর হৃদয় এর সভাপতিত্বে দুইপর্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার কবি ড. অনিল গুহ, ড. অমিতাভ চক্রবর্তী, কলকাতার আতœপ্রকাশ পত্রিকার সম্পাদক কবি সাধন কুমার ঘোষ, ড. কানাই সেন, সাংবাদিক আখতারুজ্জামান আখতার, কবি ও গল্পকার আখতার জামান, কবি রেহেনা সুলতানা শিল্পী, সাংবাদিক এবিএম ফজলুর রহমান, উৎপল মির্জা, সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান, প্রাবন্ধিক গোলাম রব্বানী, কবি দেওয়ান আজিজুল হক, জাকির হোসেন তালুকদার, কবি মুকুল কেশরী, কবি খন্দকার বদিউর রহমান মুন্নু, প্রাবন্ধিক মাসুদ হাসান রনি, কবি শিশির ইসলাম প্রমুখ। সমস্ত অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন কবি সৈয়দা জহুরা ইরা ও শামিমা সুলতানা টুম্পা।
উল্লেখ্য, ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। জন্ম গাইবান্ধায়। তিনি একাধারে গবেষক, কবি, ছড়াকার, গীতিকার এবং সাহিত্যসমালোচক। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্ষ্টক্লাশ ফার্ষ্ট হয়ে এম. এ, এম.ফিল এবং পিএইচ.ডি ডিগ্রী অর্জন করেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন গবেষণা জার্নালে বিশটির অধিক গবেষণা প্রবন্ধ এবং দুই শতাধিক সাধারণ প্রবন্ধ-নিবন্ধ বিভিন্ন কাগজে ছাপা হয়েছে তাঁর। রোহিঙ্গা সমস্যা : বাংলাদেশের দৃষ্টিভংঙ্গী, আরাকানের মুসলমানদের ইতিহাস, সমকালীন বিশ্বে মুসলিম সংখ্যালঘু, History of Islam : Prophet Muhammad (saws) and Khulafae Rashedin, প্রভৃতি গবেষণাগ্রন্থ ছাড়াও ছড়াগ্রন্থ- ধনচে ফুলের নাও, মামদো ভূতের ছাও, স্বপ্নফুলে আগুন, জ্বীন পরী আর ভূতোং, ছড়ামাইট, পদ্মাপাড়ের ছড়া; অনুকাব্য- তোমার চোখে হরিণমায়া, কবিতা- প্রথম দশকের কবিতা, কিছু ফুল কিছু কাঁটা; লিমেরিক- গুমর হলো ফাঁস, শিশুতোষ গল্প- জ্বীনের বাড়ি ভূতের হাড়ি, গানের বই- হৃদয় বাঁশির সুর’ তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা। সমন্বয়, বিজয়ের ছড়া, আলইশরাক এবং ‘মোহনা’ তাঁর সম্পাদিত ছোটকাগজ।
ড. আখন্দ বাংলা একাডেমী ও এশিয়াটিক সোসাইটির সদস্য; বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ ও পশ্চিবঙ্গ ইতিহাস সংসদের জীবন সদস্য। ইতোমধ্যে তিনি ঢাকা শব্দশীলন একাডেমী সাহিত্যপুরস্কার, বগুড়া সৃষ্টিশীল লেখকসংঘ সাহিত্যপুরস্কার, খুলনা রঙধনু সাহিত্যপুরস্কার, বগুড়া সংস্কৃতিকেন্দ্র এ্যাওয়ার্ড এবং দিনাজপুর নজরুল সাহিত্যপদকসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…

রাজশাহী সংস্কৃতি কেন্দ্রের চড়ুইভাতি



দশদিক প্রতিবেদক
আড্ডা নামটি শুনলেই কেনো যেনো মনের মধ্যে এক অচেনা ভাললাগার জন্ম হয়। আর তা কেনো যে হয় আমি নিজেও জানি না। ছোট থেকে বড় আমরা প্রত্যেকেই যেকোনো ধরনের আড্ডা হলে হই হুল্লোড় করে সারাটি দিন মনের অজান্তে কাটিয়ে দিই। আর সেখানে যদি আড্ডার নামে থাকে কিছু মজার মজার কবিতা পাঠ এবং তার সাথে থাকে যদি সুরেলা কন্ঠের কোনো শিল্পীর গান তাহলে তো আর কোনো কথাই নেই। উচ্ছ্বাসের নীল আকাশে তখন নাটাই বিহীন ঘুড়ির মতো উড়তে থাকে লাল-নীল স্বপ্নের হাজারো পায়রা। যা চোখের ফ্যাকাশে ক্যানভাস ছেদ করে নেমে আসে হৃদয়ের চিলেকোঠায়।
আর তখনি সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে ওঠে হাজারো উচ্ছলতার প্রাণ, জীবন নামক অথৈ সমুদ্রে আছড়ে পড়ে নব নব সব রঙ্গিন ঢেউ। আর
জীবনের সেই নব নব সব রঙ্গিণ ঢেউয়ের অবতারনা ঘটাতে রাজশাহী সংস্কৃতিকেন্দ্রের সহযোগীতায় গত ১৪ ফেব্র“য়ারী ২০১৪ তারিখের বিশ্ব ভালবাসা দিবসের শিশির সিক্ত সকালে পরিচয় প্রাঙ্গনে এক জমজমাট চড়–ইভাতি কারকের পদচারণায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে চড়–ই ভাতি ও আড্ডা প্রাঙ্গন। আবৃত্তিকারকদের সুন্দর সুন্দর আবৃত্তি ও শিল্পীদের সুরেলা করে আড্ডা’র আয়োজন করা হয়। একঝাঁক তরুণ শিল্পী ও আবৃত্তি কন্ঠ মনোমুগগ্ধকর সব গানে চড়–ইভাতি’র সব বন্ধুরা যেনো ভাসতে থাকে আনন্দের বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ারে। শিল্পী ও উপস্থাপক জনাব মাসুদ রানা এর সঞ্চালনায় গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানের সূচনা পর্ব। আর বিকেল অবধি চলতে থাকে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম।
নোঙর প্রোডাকশন হাউজ এর চেয়ারম্যান জনাব সোয়াইব হোসাইন এর সভাপতিত্বে এ আড্ডায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেডিও বেতার রাজশাহী এর বিশিষ্ট উপস্থ্াপক জনাব শরিফুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান মিজান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন “রাজশাহী ওয়াড ওয়াড গেম” এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক- ফাহাদ ফরহাদ।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে : ১৪ ফেব্র“য়ারী ১৪ উক্ত আয়োজনে কবিতা পাঠ করেন- কবি শাহাদত শাহেদ, ছড়াকার আব্দুল মাজেদ, ছড়াকার হাসান আল মামুন, ছড়াকার মাহমুদুল হাসান, ফারজানা আক্তার আনিকা প্রমুখ।
চমৎকার সব আবৃত্তির পর শুরু হয় মনোমুগ্ধকর সব গানের পালা। একে একে গান পরিবেশন করেন শিল্পী মাসুদ রানা, রুপা আক্তার, মুক্তাদির আহমেদ স্বাগত, তানিয়া সুলতানা, রুবেল হোসেন, শিরিন আক্তার জলি প্রমুখ। গানের বিমুগ্ধ সুরে সিক্ত হতে থাকে শ্রোতাদের আপন্নত মন। ছড়াকারদের মনোমুগ্ধকর আবৃত্তি ও শিল্পীদের গানের সুরে মুখর হয়ে ওঠে চড়–ইভাতি প্রাঙ্গন। বিশেষ করে ….গানের সময় যোগ হয় আনন্দের এক ভিন্ন মাত্রা যা অনুষ্ঠানকে আরও আনন্দ মূখর করে তুলে।
চড়–ইভাতি আড্ডার বন্ধুদের মুখে ধরা পড়ে বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস কিন্তু গানের জোয়ারে ভাসতে ভাসতে আনন্দকে ডিঙ্গিয়ে এক সময় কড়া নাড়ে বিদায়ের ঘন্টা। আগামী দিন হবে আরো আলোকজ্জ্বল আরো অর্থবহ সকলের চোখে মুখে এ প্রত্যাশা নিয়েই পরিসমাপ্তি ঘটে আনন্দঘন এ অনুষ্ঠানটির।
– ফাহাদ ফরহাদ


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…

দ্য থার্ড ওয়েব (৪০তম পর্ব)



মূল রচনা: এ্যালভিন টফলার
ভাষান্তর: স্কোয়াড্রন লিডার আহ্সানউল্লাহ (অব:)

তৃতীয় ভাগ: তৃতীয় ঢেউ

মহাশূন্য ভ্রমনকারী (The Space Traveler)
সময়ের ধারনায় পরিবর্তন স্থানের ধারনাকেও পাল্টে দেয়, কারণ দু’টোই পরস্পর জড়িত। আমরাও স্থানের চিত্র খুব দ্রুত বদলে দিচ্ছি। যে জায়গায় আমরা বাস করি, কাজ করি, খেলি, তাকে আমরা বদলে দিচ্ছি। যেভাবে কাজ করি, যতদূর ও যতবার ভ্রমণ করি, যেখানে বাস করি- এই সবকিছু স্থান সম্পর্কে আমাদের অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করে। বস্তুত তৃতীয় ঢেউয়ের আগমনের সঙ্গে স্থানের সাথে মানবতার সম্পর্ক স্থাপনে আমরা এক নয়া পর্যায়ে প্রবেশ করছি।
প্রথম ঢেউ সারা বিশ্বে কৃষিকে ছড়িয়েছিল, সঙ্গে এনেছিল, যে কারণে অধিকাংশ মানুষ সারাজীবন বাস করত তাদের জন্মস্থানের কয়েক মাইলের মধ্যে। কৃষি সূচনা করল এক নিবিড় স্থায়ী-বাসস্থানের অস্তিত্ব এবং লালন করল স্থানীয় অনুভূতি বা গ্রাম মানসিকতা।
দ্বিতীয় ঢেউ সভ্যতা তার বিপরীতে বিপুল জনসংখ্যাকে বড় বড় শহরে একত্রিত করল এবং ভ্রাম্যমান লোকজনের সৃষ্টি করল কারন দূর থেকে সম্পদ আনয়ন এবং দূরে দূরে মালামাল বিতরনের জন্য এর প্রয়োজন ছিল। তৈরী করল গ্রামকেন্দ্রিকের পরিবর্তে নগর বা জাতীকেন্দ্রিক সংস্কৃতি। তৃতীয় ঢেউ আমাদের এই অভিজ্ঞতাকে পরিবর্তন করে। জনসংখ্যাকে কেন্দ্রিভূত করার পরিবর্তে বিকেন্দ্রিভূত করে। এখনও বিশ্বের শিল্পায়িত দেশসমূহের কোথাও কোথাও লক্ষ লক্ষ মানুষ শহর নগরে এসে ভীড় জমায়। ঠিক তখন উন্নত প্রযুক্তির দেশে তার উল্টো ঘটছে, মানুষ শহর ছেড়ে ছড়িয়ে পড়ছে শহরতলী বা দূর গাঁয়ে। টোকিও, লন্ডন, জুরিখ, গ্লাসগো এবং ডজন ডজন এরূপ অন্যান্য প্রধান নগরে জনসংখ্যা কমছে, আবার মধ্যম বা ছোট সাইজের শহরগুলোতে জনসংখ্যা বাড়ছে।
জনসংখ্যার এই পূণর্বিন্যাস এক সময়ে ব্যক্তিগত ও সামাজিক স্পেস, চলাচলের সুবিধাজনক দূরত্ব, বসবাসের ঘনত্ব এবং আরো অনেক কিছু সম্পর্কে আমাদের অনুমান ও প্রত্যাশাকে পাল্টে দেবে। এতসব পরিবর্তন ছাড়াও তৃতীয় ঢেউ নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেবে যা হতে পারে তীব্রভাবে স্থানীয়, আবার বৈশ্বিকও এমনকি গ্যালাকটিক / মহাবৈশ্বিকও। আমরা পাব এক নয়া যুথবদ্ধ রাজনৈতিক ও স্থানীয় বন্ধনে আবদ্ধ গোষ্ঠি, সম্প্রদায় ও পড়শী। একই সময় ঐ বিপুল জনগন স্থানীয় হলেও বিশ্ব ইস্যু নিয়েও ভাববে– দশ হাজার মাইল দূর দেশে কোন দুর্ভিক্ষ দুর্বিপাক দেখা দিলে তারা ব্যথিত হবে।
যেহেতু উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার বিস্তার ঘটছে এবং আমরা কাজকে ইলেকট্রনিক কটেজে ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছি, আমরা এই দ্বৈত মিলনকে উৎসাহ দেব, বিপুল সংখ্যক লোকজন নিজের ঘরে বা ঘরের কাছে থাকবে, কম মাইগ্রেট করবে, আনন্দের জন্য প্রচুর ভ্রমণ করবে, ব্যবসার জন্য কমই বাইরে যাবে, যদিও তাদের মন এবং অনুভূতি প্রকাশের সীমা থাকবে সমস্ত পৃথিবী জুড়ে এবং এমনকি পৃথিবীর বাইরে মহাশূন্যেও। তৃতীয় ঢেউ এভাবেই দূর ও নিকটকে এক করে নতুন মানসিকতার জন্ম দেবে, যার নাম তৃতীয় ঢেউ মানসিকতা।
আমরা অবশ্য স্পেসের আরও গতিশীল ও আপেক্ষিক ছবিও দ্রুতভাবে নিজের বলে গ্রহন ও ব্যবহার করছি। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এখন জীবন্ত। চলমান মানচিত্র পাওয়া যায়। শহরে বা গ্রামে সজিব মানুষকে স্পষ্ট চিহ্নিত করা যায়। তবে ভবিষ্যতে মানচিত্র স্থীর চিত্রের পরিবর্তে চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হবে। এ থেকে আমরা কোন নির্দিষ্ট ভূ-খন্ডের সংবেদনশীল চলমান পরিবর্তনের চিত্র এবং তার সাথে আমাদের সম্পর্ক দেখতে পাব।
এরই মধ্যে কোন কোন মানচিত্রকার দ্বিতীয় ঢেউ মানচিত্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। শিল্প বিপ্লবের পর থেকে মার্কেটরের প্রজেকসনের ভিত্তিতে তৈরী মানচিত্র বেশী প্রচলিত। এগুলো সমুদ্রে চলাচলের উপযোগী হলে স্থল-ভূমির জন্য সঠিক প্রতিনিধিত্বমূলক পরিমাপ নয়। যেমন স্ক্যান্ডিনিভিয়াকে মনে হয় ভারতের চেয়ে বড় কিন্তু বাস্তবে ভারত তার তিনগুনেরও বেশী।
জার্মানীর আর্মো পিটারস উদ্ভাবিত নতুন প্রজেকসন ম্যাপের পরিমাপ পদ্ধতি স্থল ভূমির জন্য উপযোগী। তবে এ নিয়ে নতুন পুরনোয় রীতিমত তুলকালাম কান্ড চলছে। পিটারের অভিযোগ মার্কেটর মানচিত্র শিল্পোন্নত দেশসমূহের স্বার্থ রক্ষা করছে শুধু, অনুন্নত দেশকে সেখানে চিহ্নিত করা কঠিন তদুপরি ফটোগ্রাফি নীতি বিবর্জিত। এসব বাদানুবাদ প্রমান করে যে, আসলেই সঠিক মানচিত্র আজও হয়নি। যে যার মতো স্পেসকে নিজের সুবিধাজনকভাবে দেখে। তবে বস্তুত তৃতীয় ঢেউ এক নতুন পদ্ধতি ও দৃষ্টিকোন নিয়ে এসেছে পৃথিবীর জন্য।

সমগ্রতাবাদ ও অর্ধবাদ (Wholism and Halfism)
দ্বিতীয় ঢেউ সংস্কৃতি বস্তুকে পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে। অন্যদিকে তৃতীয় ঢেউ সংস্কৃতি বস্তুর পশ্চাদপট, পারষ্পরিক সম্পর্ক এবং সামগ্রিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার প্রতি গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে। এই গভীর পরিবর্তন প্রকৃতি, ক্রমবিবর্তন, অগ্রগতি, স্থান ও কালকে পরষ্পর সম্পর্কিত ও একত্র করে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরীতে আমাদেরকে প্রভাবিত করছে।
১৯৫০ এর দশকে জীববিজ্ঞানীদের জেনেটিক কোড আবিস্কার থেকে শুরু করে বেল ল্যাবের কম্যুনিকেশন থিওরিস্ট ও ইনজিনিয়ারগণ, আইবিএম এর কম্পিউটার বিশেষজ্ঞগণ, বৃটেনের পোস্ট অফিস ল্যাবরেটরীর পদার্থ বিজ্ঞানীগণ এবং ফ্রান্সের জাতীয় বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থার (Le Ceutre National de Recherehe Scientifique) বিজ্ঞানী / বিশেষজ্ঞগণ বিভিন্ন আবিস্কার ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এক প্রবল সাড়া জাগানো কর্মযজ্ঞ যুগের প্রবর্তন করেন।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় পরিচালিত “অপারেসন্স রিসার্চ” কে টেনে আরো এগিয়ে এনে প্রযুক্তি বর্গ (Phylum)- এর জন্ম দেয় যা কলে-কারখানা ও অফিসে তৃতীয় ঢেউ উৎপাদনের ভিত্তি নির্মান করে। অটোমেশন বিপ্লবের প্রধান উৎপন্ন ফসল ছিল “সিস্টেম্স এ্যাপ্রৌচ”। একদিকে যখন কার্তেজিয়ান (Cartesian) চিন্তাবিদরা মূল বিষয়কে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে বিশ্লেষণের কথা বলেন, অন্যদিকে তখন সিস্টেম চিন্তাবিদরা গুরুত্ব আরোপ করেন সিস্টেম থিওরীর প্রারম্ভিক প্রবক্তা সাইমন র‌্যামো’র (Simon Ramo) ভাষায়, “সমস্যাটাকে সামগ্রিক রূপে দেখতে হবে, খন্ড খন্ড আকারে নয়”। সাবসিস্টেমসমূহের মধ্যে এবং এগুলো দ্বারা গঠিত বৃহত্তর ‘সমগ্রে’র সাথে ফিডব্যাক সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে, সিস্টেম চিন্তাধারা ১৯৫০ এর দশকে ল্যাবরেটরী থেকে বেরিয়ে আসে। তারপর থেকেই এ চিন্তাধারা এক পরিব্যাপক সামাজিক প্রভাব বিস্তার করে। এর ভাষা ও ধারনা সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, যুক্তিবাদী ও ভাষাবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও প্রশাসক সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়ে আসছেন।
তবে সিস্টেম থিউরীর প্রবক্তারা ছাড়াও আরো অনেকে বিগত দশকগুলো ধরে সমস্যাগুলোকে আরো সমন্বিত রূপে দেখবার চেষ্ট করেছেন। সংকীর্ণ অতিবিশেষজ্ঞকরণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শক্তি পায় ১৯৭০ খৃ. এর পরিবেশ আন্দোলন প্রচারনা থেকে। কারন, পরিবেশবিদগণ (ecologist) ক্রমবর্ধমানহারে আবিস্কার করতে থাকেন প্রকৃতির ‘জাল’ (Web), প্রজাতিগুলোর মধ্যে আন্তসম্পর্ক এবং ঈকোসিস্টেম বা গাছপালা-পশুপাখীর সাথে পরিপার্শ্বের পারষ্পরিক সামগ্রিক ক্রিয়া। অপরিবেশবাদীরা চায় বস্তুকে খন্ডে খন্ডে ভাগ করে প্রত্যেকটির ভিন্ন ভিন্ন সমাধান। আবার পরিবেশবাদীরা চায় আংশিক না করে সামগ্রিকভাবে ভারসাম্য বজায় রেখে সমস্যার সমাধান। ঈকোলজিক্যাল অ্যাপ্রোচ এবং সিস্টেম অ্যাপ্রোচ যুগপত একসঙ্গে শুরু হয় এবং সিনথেসিস ও জ্ঞানের এবং সমন্বয়ের দিকে একই ধাক্কা শেয়ার করে।
এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে অনেক আন্ত বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা / গবেষণার (Interdisciplinary thinking) জন্য অনেক আহ্বান শোনা যায়। তখনো চিন্তার সঙ্কর-প্রজনের এবং তথ্যের সমন্বয় করনে (integration) বিভাগীয় বাধা ছিল। এখন বেশীর ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ত বা বহু বিষয়ে (multi-disciplinary) কাজ করার সুযোগ এত অবারিত যে, এটি রীতিমত প্রথাগত গুণাবলী অর্জন করেছে।
বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনের এই পরিবর্তনগুলো সমভাবে প্রতিফলিত হয়েছে অন্যান্য সংস্কৃতিতেও। উদাহরণ স্বরূপ, প্রাচ্যের ধর্মগুলোর প্রতি ইউরোপীয় মধ্যবিত্তদের ক্ষুদ্র একটা অংশের আসক্তি ছিল কিন্তু শিল্প সমাজ ভেঙ্গে যাওয়ার পর থেকেই হাজার হাজার পশ্চিমা তরুন এগুলোর প্রতি ঐকান্তিকভাবে উৎসাহী হয়ে ওঠে। তারা ভারতীয় স্বামীদের গুরুত্ব দিতে শুরু করে, ষোল বছর বয়স্ক গুরুর বচন শুনতে আশ্রমে ভীড় করে, ভারতীয় রাগসঙ্গীত শোনে, হিন্দুয়ানী নিরামিষের রেস্তোঁরা খোলে এবং পঞ্চম এভিুন্যতে গিয়ে নাচে। হঠাৎ করে যে জগতে গিয়ে তারা কীর্তন গাইল, পসই ‘এককত্ব’ (one ness) ভেঙ্গে কার্তেজিয় চিপ্স বা চাকতি হয়নি।
মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে, ‘সমগ্র ব্যক্তি’কে সারিয়ে তোলার উপায় খোঁজেন। এজন্য তারা সমগ্রতাবাদ থেরাপি কাজে লাগান। ফলে সমগ্রতাবাদ ছড়িয়ে পড়ে আমেরিকায়, সব প্রতিষ্ঠানেই সমগ্রতাবাদী মনোচিকিৎসক নিয়োগের হিড়িক পড়ে যায়। এই কর্মকান্ডের লক্ষ্য ছিল ব্যক্তির ইন্দ্রিয় সচেতনতা ও প্রত্যক্ষণকে সমন্বিত করে এবং বাইরের জগতের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরী করে তার সুপ্ত মানবিক সম্ভাবনা শক্তিকে জাগিয়ে তোলা এবং বিকশিত করা।
মেডিসিনে বা চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যক্তির সুস্থতা শারীরিক, আত্মিক ও মানসিক অবস্থার সমন্বয়ের ওপর নির্ভর করে– এই ভাব ধারার ভিত্তিতে “সামগ্রিক স্বাস্থ্য” (holistic health) আন্দোলন গড়ে ওঠে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের চিন্তাশীল উদ্ভাবন ও হাতুড়ে চিকিৎসার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে ১৯৭০ খৃ. এর দশকে এই আন্দোলন পাশ্চাত্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সামগ্রিক স্বাস্থ্য মতবাদ থেকেই বিকল্প চিকিৎসা বা নিরাময়, চোখ দেখে রোগ নির্ণয় (iridology), আকুপ্রেসার, বৌদ্ধিক ধ্যান বা যোগ সাধনা এবং ইলেকট্রোমেডিসিন প্রভৃতি চিকিৎসা বা নিরাময় পদ্ধতি বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। এতে ‘সামগ্রিক’ কথাটি জনপ্রিয় ভাষায় পরিগনিত হয় এবং বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবহৃত হতে থাকে। বর্তমানে এশব্দটি নির্বিচারে যেমন ‘সামগ্রিক আবাসন’, ‘সামগ্রিক স্টাডি’, সামগ্রিক পড়া’, ‘সামগ্রিক ব্যায়াম’ অর্থাৎ সব ক্ষেত্রেই কমবেশী চলে।
এই প্রতিটি আন্দোলন হুজুগ এবং সাংস্কৃতিক স্রোতধারা ভিন্ন ধরনের ভিন্ন মাত্রার। কিন্তু তাদের সাধারন উপাদান পরিস্কার। এদের সবাই ‘অংশকে আলাদাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সমগ্রকে বুঝা যায়’ এই প্রতিষ্ঠিত ধারনাকে আক্রমনে একজোট। তাদের আঘাতকে যোগ করলে যা দাঁড়ায়, তা প্রধান সিস্টেম থিউরিস্ট ও দার্শনিক আরভিন লাজলোর (Ervin Laszlo) ভাষায়, “আমরা প্রকৃতির এক আন্তযুক্ত সিস্টেমের অংশ, এটা জানা না থাকলে ‘সার্বজনীনতাবাদীরা’ এটা নিয়ে ব্যবসা শুরু করবে, তাদিয়ে আন্তসংযোগের প্যাটার্নের ধারাবাহিক তত্ত্ব তৈরী করবে, তারপর আমাদের স্বল্প মেয়াদী প্রকল্পগুলো এবং সীমিত নিয়ন্ত্রন ক্ষমতা আমাদের নিজেদেরকেই ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।”
এই আক্রমন খন্ডিত, আংশিক ও বিশ্লেষণের ওপর এত তীব্র হয় যে, অনেক গোঁড়া সমগ্রতাবাদীও তাদের অবর্ণনীয় সামগ্রিক কাজে প্রানবন্তভাবে অংশ বা খন্ডকে ভুলে যায়। ফলাফল মোটেই সমগ্রতাবাদ না হয়ে, হয় আরেক রকমের খন্ডন। তাদের সমগ্রতাবাদ পরিনত হয় অর্ধবাদে (halfism)।
আরও চিন্তাশীল সমালোচকরা অবশ্য দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিশ্লেষনধর্মী দক্ষতাগুলোকে সংশ্লেষনের ওপর অধিকতর গুরুত্বপ্রদান করে তার সঙ্গে ব্যালান্স করতে চায়। এই ধারনা / তত্ত্ব সম্ভবত সবচেয়ে পরিস্কারভাবে প্রকাশিত হয়েছে পরিবেশবিজ্ঞানী য়ুজিন পি. অডাম (Eugen Pleasant Odum) এর বক্তব্যে। তিনি সহকর্মীদের বলেছিলেন সমগ্রতাবাদের সাথে লঘুকরনবাদকে (reductionism) মেশানোর জন্য। সমগ্র সিস্টেমের পাশাপাশি তার অংশসমূহকেও দেখার জন্য। কারন, তাঁর ভাষায়, “পযহেতু কোনকিছু গঠনে সহায়তাকারী ক্ষুদ্রতর উপাদানসমূহ সংযুক্ত হয়েই কার্যকর বৃহত্তর ‘সমগ্র’ তৈরী হয় এবং যা কাছে থেকে দেখা যায় না, তাই নতুন।”
“তার অর্থ এই নয় যে আমরা লঘুকরনবাদী বিজ্ঞানীকে পরিত্যাগ করব কারন এই তাত্ত্বিক যুক্তি থেকে গোটা মানবজাতী অনেক ভাল ফলাফল পেয়েছে।” কিন্তু এখন সময় এসেছে “বৃহত্তর স্কেলের সমন্বিত সিস্টেমের” উপর গবেষণায় সমান পৃষ্ঠপোষকতা করার।
সিস্টেম থিউরি, বাস্তব্যবিদ্যা বা ঈকোলজি এবং সমগ্রতাবাদী চিন্তার সাধারনীকৃত গুরুত্বপূর্ণ অংশ– যেমন সময় ও স্থান সম্পর্কে আমাদের ধারনার পরিবর্তন– এগুলো সব দ্বিতীয় ঢেউ সভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তিক অবয়বের (Premises) উপর তৃতীয় ঢেউয়ের সাংস্কৃতিক আক্রমনের অংশ। ঐ আক্রমন অবশ্য ঘটনার কার্য-কারন সম্বন্ধ উদ্ভাবনে নতুন ভাবনার আবির্ভাব ঘটাতে চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

মহাজাগতিক খেলাঘর (The Cosmic Playroom)
দ্বিতীয় ঢেউ সভ্যতা আমাদের নিশ্চিন্ত রেখেছিল যে আমরা জানতে পারতাম কেন ঘটনা ঘটে। প্রত্যেক ঘটনা বা ফেনোমেনন স্থান ও কাল ভেদে সর্বত্র নিরূপনযোগ্য, যেমন কর্ম তেমনি ফল হয় এবং পুরো মহাজগত জুড়েই কারন ও কার্য (causes & effects) বিরাজমান।
কার্য কারন তত্ত্ব সম্পর্কে এই মেকানিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গি আগে যেমন উপযোগী ছিল আজও তেমনি বর্তমান। রোগ নিরাময়ে গগনচুম্বি অট্টালিকা নির্মানে, সুপ্রযুক্ত মেশিন ডিজাইনে এবং বিশাল বিশাল সংগঠন সংযোজনে ইহা আমাদের সাহায্য করে। তারপরও একটি মেশিনের কাজ ব্যাখ্যা করতে ইহা যতখানি শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে, জন্ম মৃত্যু ক্রমবিকাশ-ক্ষয়প্রাপ্তি, নতুন কোন জটিলতায় আকস্মিক বিরাট সাফল্য অর্জন, বড় বড় পরিবর্তন হঠাৎ মিইয়ে যাওয়া দৈবাৎ কোন ক্ষুদ্র ঘটনা আকস্মিকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিশাল বিষ্ফোরনধর্মী শক্তিতে পরিনত হওয়া, এমন ঘটনাকে ততখানি সন্তোষজনকভাবে পারে না।
আজ নিউটনিয় পুল টেবিলকে জোর করে ধাক্কা দিয়ে মহাজাগতিক খেলাঘরের এক কোনে ফেলে রাখা হচ্ছে। মেকানিস্টিক / অধিযন্ত্রবাদী কার্যকারন তত্ত্বকে একটি বিশেষ কেস হিসেবে দেখা হচ্ছে যা ঘটনা বিশেষ প্রয়োগযোগ্য সবখানে নয়। আমাদের দ্রুত পরিবর্তিত মনোভঙ্গির প্রেক্ষিতে সারা বিশ্বের নানা মতের বিজ্ঞানী ও পন্ডিতরা একমত হয়ে প্রকৃতি, বিবর্তন এবং স্থান, কাল ও বস্তুর অগ্রগতি সম্পর্কে দৈব ঘটনা ও কার্য কারন তত্ত্ব সম্পর্কে নতুন মতামত দিচ্ছেন। জাপানী জ্ঞানতত্ত্ববিদ (eplistemologist) মাগোরো মারুইয়ামা (Magoroh Maruyama), ফরাসী সমাজবিজ্ঞানী এডগার মরিন (Edgar Morin), তথ্য তাত্ত্বিকদের (Information thecorists) মধ্যে স্ট্যাফোর্ড বিয়ার (Stafford Beer) ও হেনরি ল্যাবরিট (Henri Laborit) এবং আরো অনেকেই অযান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেমন বাঁচা, মরা, জন্ম নেয়া, বড় হওয়া এবং বিবর্তন ও বিপ্লব উভয়কে অতিক্রম করার মধ্যে কার্য-কারন সম্পর্ক কিভাবে কাজ করে তার হদিস দিয়েছেন। বেলজিয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইলিয়া প্রিগজিন (I1ya Prigogine) সুশৃংখলতা ও উশৃংখলতা, দৈব ঘটনা ও আবশ্যকতা প্রভৃতি ধারনা এবং এগুলো কিভাবে কার্য-কারন সম্মন্ধের সঙ্গে জড়িত সে সম্পর্কে এক অসাধারন সংশ্লেষন (Synthesis) প্রস্তাব রেখেছেন।
উদীয়মান তৃতীয় ঢেউয়ের কার্য-কারন সম্পর্ক আংশিকভাবে সিস্টেম থিউরির প্রধান ধারনা : ফলাবর্তন প্রক্রিয়া (The idea of feedback) থেকে উদ্ভূত। এই মতামতের দৃষ্টান্ত স্বরূপ শীতকালে ঘর গরম রাখার যন্ত্র, স্বয়ংক্রিয় তাপমান যন্ত্র বা থার্মোস্ট্যাটের কথা বলা যায়, যার সাহায্যে ঘরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখা হয়। থার্মোস্ট্যাট রুম হিটার বা ফার্নেসকে চালু করে লক্ষ্য রাখে বা সেন্সর করে তাপমাত্রা কতদূর উঠলো। রুম পর্যাপ্ত পরিমানে গরম হলে এটা ফার্নেস বা হিটারকে স্বয়ক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেয়। আবার তাপমাত্রা নীচে নেমে গেলে, থার্মোস্ট্যাট বুঝতে পারে এবং পূনরায় ঝাঁকি দিয়ে ফার্নেস বা হিটারকে চালু করে।
আমরা দেখি এখানে একটি ফলাবর্তন প্রক্রিয়া (feedback process) ভারসাম্য বজায় রাখে, নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করলে দমিয়ে রাখে। এর নাম ‘নেতিবাচক ফলাবর্তন’ (negative feedback), এর কাজ সুস্থিত (stability) অবস্থা বজায় রাখা।
১৯৪০ ও ১৯৫০ এ দশকের মাঝামাঝিদিকে তথ্য তাত্ত্বিক ও সিস্টেম চিন্তাবিদরা বিভিন্ন পরীক্ষ-নিরীক্ষা পূর্বক নেতিবাচক ফলাবর্তন সংজ্ঞায়িত করেন। তারপর থেকে বিজ্ঞানীরা এর সদৃশ বা অনুরূপ বস্তু অথবা দৃষ্টান্ত অনুসন্ধান করতে থাকেন। প্রবল আনন্দ-উত্তেজনার মধ্যে তারা ব্যক্ত করেন যে, একই ধরনের সুস্থিতি- সংরক্ষন ব্যবস্থা (Stability-protecling system) একেবারে শরীরবিদ্যা থেকে রাজনীতি পর্যন্ত জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিদ্যমান। জীবদেহে যেমন তাপমাত্রার স্থিতাবস্থা বজায় রাখার ব্যবস্থা বিদ্যমান, তেমনি রাজনীতিতে বা রাষ্ট্রনীতিতে কোন সংস্থাপন বা সংগঠন গ্রহনযোগ্যতার সীমা অতিক্রম করলে তাকে প্রত্যাখান / প্রত্যাহার করার জন্য মতামত দেয়া হয়। অতএব, নেতিবাচক ফলাবর্তন বা নেগেটিভ ফিডব্যাক আমাদের চারপাশে সর্বত্র সকল বস্তুর স্থিতি বা ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কাজ করে বলে প্রতীয়মান হয়।
তবে ১৯৬০ এর দশকের প্রথম দিকে প্রফেসর মারুইয়ামার মতো সমালোচকরা লক্ষ্য করেন যে, স্থীতিশীলতার (Stability) প্রতি যত বেশী মনোযোগ দেয়া হচ্ছে, পরিবর্তনের (Change) প্রতি সে তুলনায় মোটেই না। তিনি তখন “ইতিবাচক ফলাবর্তন” (Positive feedback) নিয়ে আরো গবেষনা করা পয়োজন বলে মতামত রাখলেন। এই (ইতিবাচক ফলাবর্তন) প্রক্রিয়া পরিবর্তনের শক্তি বৃদ্ধি করে, দমন করে না স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জ করে, এমনকি মাঝে মাঝে বিধ্বস্তও করে। মারুইয়ামা গুরুত্ব দিয়ে বলেন পজিটিভ ফিডব্যাক কোন সিস্টেমের ছোট একটা রীতি লংঘন করে বা ‘লাথি’ দিয়ে এবং একে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে অতিরঞ্জিত করে এক বিশাল ভীতিপ্রদ কাঠামোয় রূপান্তরিত করতে পারে।
ফলাবর্তনের নেতিবাচক প্রক্রিয়া পরিবর্তন লাঘব-প্রবন আর ইতিবাচক প্রক্রিয়া পরিবর্তন উৎসাহী-প্রবন। দুটোর প্রতিই সমান গুরুত্ব দেয়া আবশ্যক। ইতিবাচক ফলাবর্তন (ইফ) দ্বারা অনেক দুর্বোধ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রক্রিয়ার কার্য-কারন সম্পর্কে সুষ্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান সম্ভব। কারন, ইহা (ইফ) স্থিতাবস্থাকে ভেঙ্গে দেয় এবং নিজেই নিজের রসদ জোগায় ; দুষ্টচক্র (Vicious circles) এবং শুদ্ধচক্র (Virtuous circle) কে ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে। থার্মোস্ট্যাটের দৃষ্টান্তটাকে একটু উল্টো করে কল্পনা করা যাক সেন্সরসহ এর ট্রিগার কার্যপদ্ধতি যদি বদলে দেয়া হয়, দেখা যাবে কক্ষ বা ঘর গরম হলেও, থার্মোস্ট্যাট ফার্নেস বন্ধ করার পরিবর্তে চালু রাখবে। ফলে তাপমাত্রা উষ্ণ থেকে উষ্ণতর হতে থাকবে। অথবা অর্থনীতির একচেটে বা মনোপলি ব্যবসার কথা কল্পনা করা যাক, যেমন- কোন ব্যক্তির যত বেশী টাকা থাকে, সে ততবেশী সম্পদ কিনতে পারে (জমি কেনা, বাড়ি বানানো বা ব্যবসা ফাঁদা ইত্যাদি) আর তত বেশী সে ভাড়া বা লাভ পায়; অতএব যত টাকা ততো সম্পদ কেনা। এ দুটোই ইতিবাচক ফলাবর্তন বা পজিটিভ ফিডব্যাকের দৃষ্টান্ত।
পজিটিভ ফিডব্যাক স্ব-ব্যাখ্যাত বা সেল্ফ এক্সপ্ল্যানাটরি এবং যে কোন প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যাদানে সহায়ক। যেমন পাকিস্তান একবার এক নতুন ধরনের যুদ্ধাস্ত্র তৈরী বা ক্রয় করলে ভারত তারচেয়ে বড় বা আধুনিক অস্ত্র তৈরী করে বা কেনে। এটা দেখে পাকিস্তান আবার তার চেয়েও উন্নততর মারনাস্ত্র তৈরী বা কেনায় উদ্বুদ্ধ হয়। অনুরূপভাবে ভারতও। এভাবেই মারাত্মক সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতা জঙ্গি উম্মতায় পর্যবসিত হয়
এবং নেতি ও ইতিবাচক ফিডব্যাক একত্র করলে বুঝা যাবে কি করে এ দুটো ভিন্নধর্মী প্রক্রিয়া জটিল বা উন্নত প্রানীদের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়া করে, মানব মস্তিস্ক থেকে অর্থনীতি পর্যন্ত চমকপ্রদ অন্তর্জ্ঞান বা উপলব্ধি জাগে। কোন সত্যিকার জটিল সিস্টেম / ব্যবস্থা– জৈবিক, প্রানী, নগর বা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক নিয়ম যাই হোক না কেন– তার ভেতরেই পরিবর্তন সহায়ক ও পরিবর্তন নিরোধক ব্যবস্থা থাকে অর্থাৎ ইতি ও নেতিবাচক ফিডব্যাক লুপ দুই-ই পারষ্পরিক ক্রিয়া করে। আমরা যদি এই সত্য স্বীকার করি তবে আমাদের অতি পরিচিত বিশ্বে এক পুরো নতুন স্তরের জটিলতা একটু একটু করে দেখতে পাব। এতে কার্য কারন সম্বন্ধে আমাদের নতুন উপলব্ধিরও অগ্রগতি হবে।
তারপরও, যখন শুরু থেকে প্রানীজগত ও সমাজ ব্যবস্থার ভেতরে পরিবর্তনের সহায়ক ও নিরোধক ব্যবস্থাগুলো কাজ করতে দেখা যায় না তখন আমরা বুঝতে পারিনা কি হচ্ছে, মনে সন্দেহ জাগে। সত্য এই যে, প্রথমে ব্যবস্থাগুলো অদৃশ্য বা অনুপস্থিত থাকলেও, পরে তার ভেতরেই জায়গামত তৈরী হয় বা জন্মায়, তখন দেখে মনে হয় যে ঘটনাটি দৈবক্রমে ঘটেছে। একারনেই কোন অনাহুত বা আকস্মিক ঘটনা এক বা একাধিক অপ্রতাশিত চমকপ্রদ ও পরষ্পর সংযুক্ত ঘটনাবলী ঘটতে পারে।
এই অবস্থা আমাদের জানান দেয়, কেন পরিবর্তনকে বোঝা দূরূহ ঠেকে, আন্দাজ করে নিতে হয় এবং এত রহস্যে বা বিস্ময়ে ভরা থাকে। এ কারনে কোন ধীর অথচ অবিচল প্রক্রিয়া হঠাৎ প্রচন্ড বিষ্ফোরনমুখী পরিবর্তন ঘটায় আবার উল্টোটাও হয়। এবং ইহাই আবার ব্যাখ্যা করে কেন সমধর্মী প্রারম্ভিক শর্তাদি সুষ্পষ্টভাবে বিপরীতধর্মী পরিনতি ডেকে আনে যা দ্বিতীয় ঢেউ মানসিকতার এক বিপরীত ধারনা।
তৃতীয় ঢেউ কার্য-কারন সম্পর্ক পরিবর্তন সহায়ক ও নিরোধক এবং আরো অনেক উপাদান সহ ক্রমাগত পারষ্পরিকভাবে মিথস্ক্রিয় শক্তির বিস্ময়ভরা এক জটিল বিশ্বের রূপ ধারন করছে। যে বিশ্ব দ্বিতীয় ঢেউ প্রস্তাবিত নির্মাণ কৌশলের চেয়ে অনেক বেশী অচেনা এবং একেবারেই নতুন।
সবকিছুকি দ্বিতীয় ঢেউয়ের যান্ত্রিক কার্য-কারন সম্বন্ধ কর্তৃক আরোপিত অনুমান নীতি নির্ভর ? নাকি সহজাতভাবে, অনিবার্য কারনে ভবিষ্যদ্বানী করা যায় না এমন বস্তুও আছে ? আমরা কি দৈব দ্বারা পরিচালিত নাকি প্রয়োজন দ্বারা ? এই পুরনো দ্বন্দ্ব সম্পর্কেও তৃতীয় ঢেউ কার্য-কারন সম্বন্ধের নতুন কিছু মজার বক্তব্য আছে। আসলে এই যুক্তি আমাদেরকে শেষ পর্যন্ত হয় / নয় (either/or) এর ফাঁদ এড়িয়ে চলতে সাহায্য করবে যা ডিটারমিনিস্ট ও এন্টি-ডিটারমিনিস্টদের মধ্যে তথা আবশ্যকতা প্রয়োজনের সঙ্গে দৈব ঘটনা বা ভাগ্যের সঙ্গে এতকাল যাবত ঝগড়া বাঁধিয়ে রেখেছে এবং এটাই হয়তো তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক সাফল্য হবে।

উঁইপোকা থেকে শিক্ষা গ্রহণ
ডক্টর ইলিয়া প্রিগোজিন (Dr I1ya Prigogine) (১৯১৭-২০০৩) ও তার সহকর্মীবৃন্দ ব্রাসেলস এর মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসায়নিক ও অন্যান্য কাঠামোগুলো প্রয়োজন ও বৈবের মিথস্ক্রিয়ায় পরবর্তি ভিন্ন ও জটিল উচ্চতর ধাপে কেমন করে লাখ দেয় (Leap), তা প্রমান করে দ্বিতীয় ঢেউয়ের সত্য হিসেবে মেনে নেয়া যুক্তি সমূহ মিথ্যা বলে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। এই উদ্ভাবনার জন্য তিনি ১৯৭৭ সনে রসায়নে নোবেল প্রাইজ লাভ করেন।
মস্কোতে জন্ম, বেলজিয়ামে শৈশব থেকে আমৃত্যু কাটিয়েছেন। যৌবনে সময় সমস্যার প্রতি প্রবলভাবে আকর্ষিত হন, এ নিয়ে তাঁর মনে দ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তি কাজ করত। একদিকে পদার্থবিজ্ঞানীদের এনট্রপির entropy প্রতি আস্থা অর্থাৎ মহাবিশ্ব ক্ষয়িষ্ণু এবং সকল সুসংগঠিত রীতি আদর্শ শেষ পর্যন্ত ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে এই বিশ্বাস ; অন্যদিকে, জীববিজ্ঞানীরা বলেন, জীবন নিজেই সংগঠন এবং আমরা অবিরত উচ্চ থেকে উচ্চতর, জটিল থেকে জটিলতর সংগঠনে আবির্ভূত হই যার নাম বিবর্তন (evolution)। Entropy পথ দেখায় একদিকে, Evolution দেখায় অন্যদিকে।
এই জিজ্ঞাসা প্রিগোজিনকে সারা জীবন পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন শাস্ত্রের গবেষনায় উদ্বুদ্ধ করে। উচ্চতর আকৃতির সংগঠন কি করে হয় তার উত্তর খোঁজাই ছিল তার গবেষনার মূল বিষয়। প্রিগোজিন প্রমান করে দেখান যে, যেকোন জটিল সিস্টেম- তথা তরল পদার্থের অনু (molecules) থেকে শুরু করে মস্তিস্কের øায়ুকোষ বা নগরের ট্রাফিক ব্যবস্থা পর্যন্ত সবকিছুই আংশিকভাবে সবসময় একটু একটু করে পরিবর্তিত হচ্ছে অর্থাৎ পরিবর্তনশীলতাই তাদের ধর্ম। যে কোন সিস্টেমের ভেতরটা প্রতিনিয়ত অস্থিরতায় কম্পমান থাকে। মাঝে মাঝে যখন নেতিবাচক ফিডব্যাক কাজ করে তখন এই অস্থিরতায় দমিত হয় এবং সিস্টেমের ভারসাম্য রক্ষা পায়। কিন্তু, যখন ইতিবাচক ফিডব্যাক কাজ করে বা শক্তি বৃদ্ধি পায়, তখন এই অস্থিরতার কতেকাংশ প্রচন্ড শক্তিশালীভাবে বেড়ে গিয়ে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে যে, সমগ্র সিস্টেমের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ে। এসময় সিস্টেমের বাইরের পরিবেশে অস্থিরতা থাকলে তা আঘাত করতে পারে এবং এর ফলে কম্পনের মাত্রা আরো অধিক পরিমানে বাড়তে থাকে– যতক্ষন না সার্বিক ভারসাম্য ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং বিদ্যমান (existing) কাঠামো ভেঙ্গে টুকরো টুকরো (Smashed) হয়।
অর্থনিয়ন্ত্রন ব্যবস্থার উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা আরো পরিস্কার করা যেতে পারে। সরবরাহ এবং চাহিদার ভারসাম্য রক্ষা করা হয় ফিডব্যাক প্রক্রিয়ার সাহায্যে। বেকার সমস্যা ইতিবাচক ফিডব্যাক দ্বারা তীব্রতর করা যায় এবং নেতিবাচক ফিডব্যাক দ্বারা সমতা বিধান করা যায়। তা না করা হলে, পুরো সিস্টেমের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়ে অস্থির হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তার সঙ্গে বাইরের অস্থিরতা (যেমন দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি, রাজনৈতিক বিশৃংখলা, বিদেশী হস্তক্ষেপ ইত্যাদি যুক্ত হয়ে এই অস্থিরতাকে আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে, যতক্ষন না পুরো সিস্টেম ভেঙ্গে চুরমার হয়।
চলমান অভ্যন্তরিন অস্থিরতা বা বাইরের শক্তি বা দুটোরই মিশ্রনে, যেভাবেই বিদ্যমান ভারসাম্য নড়ে উঠুক না কেন তা কেবল বিশৃংখলা বা ভাংগনই সৃষ্টি করে না, সম্পূর্ণ নতুন উন্নততর কাঠামো নির্মাণেও সহায়তা করে। এই নতুন কাঠামো / সংগঠন হতে পারে পুরনোটার চেয়ে আরো বৈচিত্র্যময়, আভ্যন্তরিনভাবে মিথস্ক্রিয় বা পারষ্পরিক সক্রিয় ও জটিলতর। নিজেকে টেকসই রাখার জন্য প্রয়োজন হতে পারে আরো বেশী শক্তি এবং অন্যান্য সহায়ক বস্তু যেমন তথ্য এবং অন্যান্য সম্পদ। তবে প্রধানত ফিজিক্যাল এবং কেমিক্যাল প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বলতে গিয়ে এবং মাঝে মধ্যে সামাজিক সদৃশ বস্তুসমূহের (Social analogues) দৃষ্টি আকর্ষন করতে গিয়ে প্রিগোজিন এই নতুন জটিলতর সিস্টেমগুলোকে আখ্যা দিয়েছেন “ক্ষয়িষ্ণু কাঠামো ডিসিপেটিভ স্ট্রাকর্চাস” (dissipative structures) হিসেবে।
তিনি প্রস্তাব করেন যে, বিবর্তন প্রক্রিয়া নতুন ও উচ্চতর ডিসিপেটিভ স্ট্রাকচারসমূহের আবির্ভাবের মাধ্যমে স্বয়ং ক্রমাগত এক জটিল (Complex) ও বৈচিত্র্যময় প্রানী ও সামাজিক প্রাণসত্ত্বার দিকে অগ্রসরমান হিসেবে দেখা যেতে পারে। প্রিগোজিনের মতে, এভাবে যেসব চিন্তায় ও ধারনায় রাজনৈতিক ও দার্শনিক অনুরনন-এর সাথে বিজ্ঞানভিত্তিক অর্থও থাকে, সেগুলো নিয়ে আমরা ‘অর্ডার আউট অব ফ্লাকচুয়েশন’ বা ‘অস্থিরতা থেকে শৃংখলা’র বিকাশ ঘটাই কিংবা তাঁর নিজের ভাষায় বলা যায়, “বিশৃংখলা থেকেই শৃংখলার বিন্যাস” (Order out of Chaos) ঘটে। (চলবে)


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…

দ্য থার্ড ওয়েব (৪০তম পর্ব)



মূল রচনা: এ্যালভিন টফলার
ভাষান্তর: স্কোয়াড্রন লিডার আহ্সানউল্লাহ (অব:)

তৃতীয় ভাগ: তৃতীয় ঢেউ

মহাশূন্য ভ্রমনকারী (The Space Traveler)
সময়ের ধারনায় পরিবর্তন স্থানের ধারনাকেও পাল্টে দেয়, কারণ দু’টোই পরস্পর জড়িত। আমরাও স্থানের চিত্র খুব দ্রুত বদলে দিচ্ছি। যে জায়গায় আমরা বাস করি, কাজ করি, খেলি, তাকে আমরা বদলে দিচ্ছি। যেভাবে কাজ করি, যতদূর ও যতবার ভ্রমণ করি, যেখানে বাস করি- এই সবকিছু স্থান সম্পর্কে আমাদের অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করে। বস্তুত তৃতীয় ঢেউয়ের আগমনের সঙ্গে স্থানের সাথে মানবতার সম্পর্ক স্থাপনে আমরা এক নয়া পর্যায়ে প্রবেশ করছি।
প্রথম ঢেউ সারা বিশ্বে কৃষিকে ছড়িয়েছিল, সঙ্গে এনেছিল, যে কারণে অধিকাংশ মানুষ সারাজীবন বাস করত তাদের জন্মস্থানের কয়েক মাইলের মধ্যে। কৃষি সূচনা করল এক নিবিড় স্থায়ী-বাসস্থানের অস্তিত্ব এবং লালন করল স্থানীয় অনুভূতি বা গ্রাম মানসিকতা।
দ্বিতীয় ঢেউ সভ্যতা তার বিপরীতে বিপুল জনসংখ্যাকে বড় বড় শহরে একত্রিত করল এবং ভ্রাম্যমান লোকজনের সৃষ্টি করল কারন দূর থেকে সম্পদ আনয়ন এবং দূরে দূরে মালামাল বিতরনের জন্য এর প্রয়োজন ছিল। তৈরী করল গ্রামকেন্দ্রিকের পরিবর্তে নগর বা জাতীকেন্দ্রিক সংস্কৃতি। তৃতীয় ঢেউ আমাদের এই অভিজ্ঞতাকে পরিবর্তন করে। জনসংখ্যাকে কেন্দ্রিভূত করার পরিবর্তে বিকেন্দ্রিভূত করে। এখনও বিশ্বের শিল্পায়িত দেশসমূহের কোথাও কোথাও লক্ষ লক্ষ মানুষ শহর নগরে এসে ভীড় জমায়। ঠিক তখন উন্নত প্রযুক্তির দেশে তার উল্টো ঘটছে, মানুষ শহর ছেড়ে ছড়িয়ে পড়ছে শহরতলী বা দূর গাঁয়ে। টোকিও, লন্ডন, জুরিখ, গ্লাসগো এবং ডজন ডজন এরূপ অন্যান্য প্রধান নগরে জনসংখ্যা কমছে, আবার মধ্যম বা ছোট সাইজের শহরগুলোতে জনসংখ্যা বাড়ছে।
জনসংখ্যার এই পূণর্বিন্যাস এক সময়ে ব্যক্তিগত ও সামাজিক স্পেস, চলাচলের সুবিধাজনক দূরত্ব, বসবাসের ঘনত্ব এবং আরো অনেক কিছু সম্পর্কে আমাদের অনুমান ও প্রত্যাশাকে পাল্টে দেবে। এতসব পরিবর্তন ছাড়াও তৃতীয় ঢেউ নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেবে যা হতে পারে তীব্রভাবে স্থানীয়, আবার বৈশ্বিকও এমনকি গ্যালাকটিক / মহাবৈশ্বিকও। আমরা পাব এক নয়া যুথবদ্ধ রাজনৈতিক ও স্থানীয় বন্ধনে আবদ্ধ গোষ্ঠি, সম্প্রদায় ও পড়শী। একই সময় ঐ বিপুল জনগন স্থানীয় হলেও বিশ্ব ইস্যু নিয়েও ভাববে– দশ হাজার মাইল দূর দেশে কোন দুর্ভিক্ষ দুর্বিপাক দেখা দিলে তারা ব্যথিত হবে।
যেহেতু উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার বিস্তার ঘটছে এবং আমরা কাজকে ইলেকট্রনিক কটেজে ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছি, আমরা এই দ্বৈত মিলনকে উৎসাহ দেব, বিপুল সংখ্যক লোকজন নিজের ঘরে বা ঘরের কাছে থাকবে, কম মাইগ্রেট করবে, আনন্দের জন্য প্রচুর ভ্রমণ করবে, ব্যবসার জন্য কমই বাইরে যাবে, যদিও তাদের মন এবং অনুভূতি প্রকাশের সীমা থাকবে সমস্ত পৃথিবী জুড়ে এবং এমনকি পৃথিবীর বাইরে মহাশূন্যেও। তৃতীয় ঢেউ এভাবেই দূর ও নিকটকে এক করে নতুন মানসিকতার জন্ম দেবে, যার নাম তৃতীয় ঢেউ মানসিকতা।
আমরা অবশ্য স্পেসের আরও গতিশীল ও আপেক্ষিক ছবিও দ্রুতভাবে নিজের বলে গ্রহন ও ব্যবহার করছি। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এখন জীবন্ত। চলমান মানচিত্র পাওয়া যায়। শহরে বা গ্রামে সজিব মানুষকে স্পষ্ট চিহ্নিত করা যায়। তবে ভবিষ্যতে মানচিত্র স্থীর চিত্রের পরিবর্তে চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হবে। এ থেকে আমরা কোন নির্দিষ্ট ভূ-খন্ডের সংবেদনশীল চলমান পরিবর্তনের চিত্র এবং তার সাথে আমাদের সম্পর্ক দেখতে পাব।
এরই মধ্যে কোন কোন মানচিত্রকার দ্বিতীয় ঢেউ মানচিত্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। শিল্প বিপ্লবের পর থেকে মার্কেটরের প্রজেকসনের ভিত্তিতে তৈরী মানচিত্র বেশী প্রচলিত। এগুলো সমুদ্রে চলাচলের উপযোগী হলে স্থল-ভূমির জন্য সঠিক প্রতিনিধিত্বমূলক পরিমাপ নয়। যেমন স্ক্যান্ডিনিভিয়াকে মনে হয় ভারতের চেয়ে বড় কিন্তু বাস্তবে ভারত তার তিনগুনেরও বেশী।
জার্মানীর আর্মো পিটারস উদ্ভাবিত নতুন প্রজেকসন ম্যাপের পরিমাপ পদ্ধতি স্থল ভূমির জন্য উপযোগী। তবে এ নিয়ে নতুন পুরনোয় রীতিমত তুলকালাম কান্ড চলছে। পিটারের অভিযোগ মার্কেটর মানচিত্র শিল্পোন্নত দেশসমূহের স্বার্থ রক্ষা করছে শুধু, অনুন্নত দেশকে সেখানে চিহ্নিত করা কঠিন তদুপরি ফটোগ্রাফি নীতি বিবর্জিত। এসব বাদানুবাদ প্রমান করে যে, আসলেই সঠিক মানচিত্র আজও হয়নি। যে যার মতো স্পেসকে নিজের সুবিধাজনকভাবে দেখে। তবে বস্তুত তৃতীয় ঢেউ এক নতুন পদ্ধতি ও দৃষ্টিকোন নিয়ে এসেছে পৃথিবীর জন্য।

সমগ্রতাবাদ ও অর্ধবাদ (Wholism and Halfism)
দ্বিতীয় ঢেউ সংস্কৃতি বস্তুকে পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে। অন্যদিকে তৃতীয় ঢেউ সংস্কৃতি বস্তুর পশ্চাদপট, পারষ্পরিক সম্পর্ক এবং সামগ্রিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার প্রতি গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে। এই গভীর পরিবর্তন প্রকৃতি, ক্রমবিবর্তন, অগ্রগতি, স্থান ও কালকে পরষ্পর সম্পর্কিত ও একত্র করে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরীতে আমাদেরকে প্রভাবিত করছে।
১৯৫০ এর দশকে জীববিজ্ঞানীদের জেনেটিক কোড আবিস্কার থেকে শুরু করে বেল ল্যাবের কম্যুনিকেশন থিওরিস্ট ও ইনজিনিয়ারগণ, আইবিএম এর কম্পিউটার বিশেষজ্ঞগণ, বৃটেনের পোস্ট অফিস ল্যাবরেটরীর পদার্থ বিজ্ঞানীগণ এবং ফ্রান্সের জাতীয় বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থার (Le Ceutre National de Recherehe Scientifique) বিজ্ঞানী / বিশেষজ্ঞগণ বিভিন্ন আবিস্কার ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এক প্রবল সাড়া জাগানো কর্মযজ্ঞ যুগের প্রবর্তন করেন।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় পরিচালিত “অপারেসন্স রিসার্চ” কে টেনে আরো এগিয়ে এনে প্রযুক্তি বর্গ (Phylum)- এর জন্ম দেয় যা কলে-কারখানা ও অফিসে তৃতীয় ঢেউ উৎপাদনের ভিত্তি নির্মান করে। অটোমেশন বিপ্লবের প্রধান উৎপন্ন ফসল ছিল “সিস্টেম্স এ্যাপ্রৌচ”। একদিকে যখন কার্তেজিয়ান (Cartesian) চিন্তাবিদরা মূল বিষয়কে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে বিশ্লেষণের কথা বলেন, অন্যদিকে তখন সিস্টেম চিন্তাবিদরা গুরুত্ব আরোপ করেন সিস্টেম থিওরীর প্রারম্ভিক প্রবক্তা সাইমন র‌্যামো’র (Simon Ramo) ভাষায়, “সমস্যাটাকে সামগ্রিক রূপে দেখতে হবে, খন্ড খন্ড আকারে নয়”। সাবসিস্টেমসমূহের মধ্যে এবং এগুলো দ্বারা গঠিত বৃহত্তর ‘সমগ্রে’র সাথে ফিডব্যাক সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে, সিস্টেম চিন্তাধারা ১৯৫০ এর দশকে ল্যাবরেটরী থেকে বেরিয়ে আসে। তারপর থেকেই এ চিন্তাধারা এক পরিব্যাপক সামাজিক প্রভাব বিস্তার করে। এর ভাষা ও ধারনা সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, যুক্তিবাদী ও ভাষাবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও প্রশাসক সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়ে আসছেন।
তবে সিস্টেম থিউরীর প্রবক্তারা ছাড়াও আরো অনেকে বিগত দশকগুলো ধরে সমস্যাগুলোকে আরো সমন্বিত রূপে দেখবার চেষ্ট করেছেন। সংকীর্ণ অতিবিশেষজ্ঞকরণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শক্তি পায় ১৯৭০ খৃ. এর পরিবেশ আন্দোলন প্রচারনা থেকে। কারন, পরিবেশবিদগণ (ecologist) ক্রমবর্ধমানহারে আবিস্কার করতে থাকেন প্রকৃতির ‘জাল’ (Web), প্রজাতিগুলোর মধ্যে আন্তসম্পর্ক এবং ঈকোসিস্টেম বা গাছপালা-পশুপাখীর সাথে পরিপার্শ্বের পারষ্পরিক সামগ্রিক ক্রিয়া। অপরিবেশবাদীরা চায় বস্তুকে খন্ডে খন্ডে ভাগ করে প্রত্যেকটির ভিন্ন ভিন্ন সমাধান। আবার পরিবেশবাদীরা চায় আংশিক না করে সামগ্রিকভাবে ভারসাম্য বজায় রেখে সমস্যার সমাধান। ঈকোলজিক্যাল অ্যাপ্রোচ এবং সিস্টেম অ্যাপ্রোচ যুগপত একসঙ্গে শুরু হয় এবং সিনথেসিস ও জ্ঞানের এবং সমন্বয়ের দিকে একই ধাক্কা শেয়ার করে।
এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে অনেক আন্ত বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা / গবেষণার (Interdisciplinary thinking) জন্য অনেক আহ্বান শোনা যায়। তখনো চিন্তার সঙ্কর-প্রজনের এবং তথ্যের সমন্বয় করনে (integration) বিভাগীয় বাধা ছিল। এখন বেশীর ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ত বা বহু বিষয়ে (multi-disciplinary) কাজ করার সুযোগ এত অবারিত যে, এটি রীতিমত প্রথাগত গুণাবলী অর্জন করেছে।
বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনের এই পরিবর্তনগুলো সমভাবে প্রতিফলিত হয়েছে অন্যান্য সংস্কৃতিতেও। উদাহরণ স্বরূপ, প্রাচ্যের ধর্মগুলোর প্রতি ইউরোপীয় মধ্যবিত্তদের ক্ষুদ্র একটা অংশের আসক্তি ছিল কিন্তু শিল্প সমাজ ভেঙ্গে যাওয়ার পর থেকেই হাজার হাজার পশ্চিমা তরুন এগুলোর প্রতি ঐকান্তিকভাবে উৎসাহী হয়ে ওঠে। তারা ভারতীয় স্বামীদের গুরুত্ব দিতে শুরু করে, ষোল বছর বয়স্ক গুরুর বচন শুনতে আশ্রমে ভীড় করে, ভারতীয় রাগসঙ্গীত শোনে, হিন্দুয়ানী নিরামিষের রেস্তোঁরা খোলে এবং পঞ্চম এভিুন্যতে গিয়ে নাচে। হঠাৎ করে যে জগতে গিয়ে তারা কীর্তন গাইল, পসই ‘এককত্ব’ (one ness) ভেঙ্গে কার্তেজিয় চিপ্স বা চাকতি হয়নি।
মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে, ‘সমগ্র ব্যক্তি’কে সারিয়ে তোলার উপায় খোঁজেন। এজন্য তারা সমগ্রতাবাদ থেরাপি কাজে লাগান। ফলে সমগ্রতাবাদ ছড়িয়ে পড়ে আমেরিকায়, সব প্রতিষ্ঠানেই সমগ্রতাবাদী মনোচিকিৎসক নিয়োগের হিড়িক পড়ে যায়। এই কর্মকান্ডের লক্ষ্য ছিল ব্যক্তির ইন্দ্রিয় সচেতনতা ও প্রত্যক্ষণকে সমন্বিত করে এবং বাইরের জগতের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরী করে তার সুপ্ত মানবিক সম্ভাবনা শক্তিকে জাগিয়ে তোলা এবং বিকশিত করা।
মেডিসিনে বা চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যক্তির সুস্থতা শারীরিক, আত্মিক ও মানসিক অবস্থার সমন্বয়ের ওপর নির্ভর করে– এই ভাব ধারার ভিত্তিতে “সামগ্রিক স্বাস্থ্য” (holistic health) আন্দোলন গড়ে ওঠে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের চিন্তাশীল উদ্ভাবন ও হাতুড়ে চিকিৎসার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে ১৯৭০ খৃ. এর দশকে এই আন্দোলন পাশ্চাত্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সামগ্রিক স্বাস্থ্য মতবাদ থেকেই বিকল্প চিকিৎসা বা নিরাময়, চোখ দেখে রোগ নির্ণয় (iridology), আকুপ্রেসার, বৌদ্ধিক ধ্যান বা যোগ সাধনা এবং ইলেকট্রোমেডিসিন প্রভৃতি চিকিৎসা বা নিরাময় পদ্ধতি বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। এতে ‘সামগ্রিক’ কথাটি জনপ্রিয় ভাষায় পরিগনিত হয় এবং বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবহৃত হতে থাকে। বর্তমানে এশব্দটি নির্বিচারে যেমন ‘সামগ্রিক আবাসন’, ‘সামগ্রিক স্টাডি’, সামগ্রিক পড়া’, ‘সামগ্রিক ব্যায়াম’ অর্থাৎ সব ক্ষেত্রেই কমবেশী চলে।
এই প্রতিটি আন্দোলন হুজুগ এবং সাংস্কৃতিক স্রোতধারা ভিন্ন ধরনের ভিন্ন মাত্রার। কিন্তু তাদের সাধারন উপাদান পরিস্কার। এদের সবাই ‘অংশকে আলাদাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সমগ্রকে বুঝা যায়’ এই প্রতিষ্ঠিত ধারনাকে আক্রমনে একজোট। তাদের আঘাতকে যোগ করলে যা দাঁড়ায়, তা প্রধান সিস্টেম থিউরিস্ট ও দার্শনিক আরভিন লাজলোর (Ervin Laszlo) ভাষায়, “আমরা প্রকৃতির এক আন্তযুক্ত সিস্টেমের অংশ, এটা জানা না থাকলে ‘সার্বজনীনতাবাদীরা’ এটা নিয়ে ব্যবসা শুরু করবে, তাদিয়ে আন্তসংযোগের প্যাটার্নের ধারাবাহিক তত্ত্ব তৈরী করবে, তারপর আমাদের স্বল্প মেয়াদী প্রকল্পগুলো এবং সীমিত নিয়ন্ত্রন ক্ষমতা আমাদের নিজেদেরকেই ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।”
এই আক্রমন খন্ডিত, আংশিক ও বিশ্লেষণের ওপর এত তীব্র হয় যে, অনেক গোঁড়া সমগ্রতাবাদীও তাদের অবর্ণনীয় সামগ্রিক কাজে প্রানবন্তভাবে অংশ বা খন্ডকে ভুলে যায়। ফলাফল মোটেই সমগ্রতাবাদ না হয়ে, হয় আরেক রকমের খন্ডন। তাদের সমগ্রতাবাদ পরিনত হয় অর্ধবাদে (halfism)।
আরও চিন্তাশীল সমালোচকরা অবশ্য দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিশ্লেষনধর্মী দক্ষতাগুলোকে সংশ্লেষনের ওপর অধিকতর গুরুত্বপ্রদান করে তার সঙ্গে ব্যালান্স করতে চায়। এই ধারনা / তত্ত্ব সম্ভবত সবচেয়ে পরিস্কারভাবে প্রকাশিত হয়েছে পরিবেশবিজ্ঞানী য়ুজিন পি. অডাম (Eugen Pleasant Odum) এর বক্তব্যে। তিনি সহকর্মীদের বলেছিলেন সমগ্রতাবাদের সাথে লঘুকরনবাদকে (reductionism) মেশানোর জন্য। সমগ্র সিস্টেমের পাশাপাশি তার অংশসমূহকেও দেখার জন্য। কারন, তাঁর ভাষায়, “পযহেতু কোনকিছু গঠনে সহায়তাকারী ক্ষুদ্রতর উপাদানসমূহ সংযুক্ত হয়েই কার্যকর বৃহত্তর ‘সমগ্র’ তৈরী হয় এবং যা কাছে থেকে দেখা যায় না, তাই নতুন।”
“তার অর্থ এই নয় যে আমরা লঘুকরনবাদী বিজ্ঞানীকে পরিত্যাগ করব কারন এই তাত্ত্বিক যুক্তি থেকে গোটা মানবজাতী অনেক ভাল ফলাফল পেয়েছে।” কিন্তু এখন সময় এসেছে “বৃহত্তর স্কেলের সমন্বিত সিস্টেমের” উপর গবেষণায় সমান পৃষ্ঠপোষকতা করার।
সিস্টেম থিউরি, বাস্তব্যবিদ্যা বা ঈকোলজি এবং সমগ্রতাবাদী চিন্তার সাধারনীকৃত গুরুত্বপূর্ণ অংশ– যেমন সময় ও স্থান সম্পর্কে আমাদের ধারনার পরিবর্তন– এগুলো সব দ্বিতীয় ঢেউ সভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তিক অবয়বের (Premises) উপর তৃতীয় ঢেউয়ের সাংস্কৃতিক আক্রমনের অংশ। ঐ আক্রমন অবশ্য ঘটনার কার্য-কারন সম্বন্ধ উদ্ভাবনে নতুন ভাবনার আবির্ভাব ঘটাতে চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

মহাজাগতিক খেলাঘর (The Cosmic Playroom)
দ্বিতীয় ঢেউ সভ্যতা আমাদের নিশ্চিন্ত রেখেছিল যে আমরা জানতে পারতাম কেন ঘটনা ঘটে। প্রত্যেক ঘটনা বা ফেনোমেনন স্থান ও কাল ভেদে সর্বত্র নিরূপনযোগ্য, যেমন কর্ম তেমনি ফল হয় এবং পুরো মহাজগত জুড়েই কারন ও কার্য (causes & effects) বিরাজমান।
কার্য কারন তত্ত্ব সম্পর্কে এই মেকানিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গি আগে যেমন উপযোগী ছিল আজও তেমনি বর্তমান। রোগ নিরাময়ে গগনচুম্বি অট্টালিকা নির্মানে, সুপ্রযুক্ত মেশিন ডিজাইনে এবং বিশাল বিশাল সংগঠন সংযোজনে ইহা আমাদের সাহায্য করে। তারপরও একটি মেশিনের কাজ ব্যাখ্যা করতে ইহা যতখানি শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে, জন্ম মৃত্যু ক্রমবিকাশ-ক্ষয়প্রাপ্তি, নতুন কোন জটিলতায় আকস্মিক বিরাট সাফল্য অর্জন, বড় বড় পরিবর্তন হঠাৎ মিইয়ে যাওয়া দৈবাৎ কোন ক্ষুদ্র ঘটনা আকস্মিকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিশাল বিষ্ফোরনধর্মী শক্তিতে পরিনত হওয়া, এমন ঘটনাকে ততখানি সন্তোষজনকভাবে পারে না।
আজ নিউটনিয় পুল টেবিলকে জোর করে ধাক্কা দিয়ে মহাজাগতিক খেলাঘরের এক কোনে ফেলে রাখা হচ্ছে। মেকানিস্টিক / অধিযন্ত্রবাদী কার্যকারন তত্ত্বকে একটি বিশেষ কেস হিসেবে দেখা হচ্ছে যা ঘটনা বিশেষ প্রয়োগযোগ্য সবখানে নয়। আমাদের দ্রুত পরিবর্তিত মনোভঙ্গির প্রেক্ষিতে সারা বিশ্বের নানা মতের বিজ্ঞানী ও পন্ডিতরা একমত হয়ে প্রকৃতি, বিবর্তন এবং স্থান, কাল ও বস্তুর অগ্রগতি সম্পর্কে দৈব ঘটনা ও কার্য কারন তত্ত্ব সম্পর্কে নতুন মতামত দিচ্ছেন। জাপানী জ্ঞানতত্ত্ববিদ (eplistemologist) মাগোরো মারুইয়ামা (Magoroh Maruyama), ফরাসী সমাজবিজ্ঞানী এডগার মরিন (Edgar Morin), তথ্য তাত্ত্বিকদের (Information thecorists) মধ্যে স্ট্যাফোর্ড বিয়ার (Stafford Beer) ও হেনরি ল্যাবরিট (Henri Laborit) এবং আরো অনেকেই অযান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেমন বাঁচা, মরা, জন্ম নেয়া, বড় হওয়া এবং বিবর্তন ও বিপ্লব উভয়কে অতিক্রম করার মধ্যে কার্য-কারন সম্পর্ক কিভাবে কাজ করে তার হদিস দিয়েছেন। বেলজিয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইলিয়া প্রিগজিন (I1ya Prigogine) সুশৃংখলতা ও উশৃংখলতা, দৈব ঘটনা ও আবশ্যকতা প্রভৃতি ধারনা এবং এগুলো কিভাবে কার্য-কারন সম্মন্ধের সঙ্গে জড়িত সে সম্পর্কে এক অসাধারন সংশ্লেষন (Synthesis) প্রস্তাব রেখেছেন।
উদীয়মান তৃতীয় ঢেউয়ের কার্য-কারন সম্পর্ক আংশিকভাবে সিস্টেম থিউরির প্রধান ধারনা : ফলাবর্তন প্রক্রিয়া (The idea of feedback) থেকে উদ্ভূত। এই মতামতের দৃষ্টান্ত স্বরূপ শীতকালে ঘর গরম রাখার যন্ত্র, স্বয়ংক্রিয় তাপমান যন্ত্র বা থার্মোস্ট্যাটের কথা বলা যায়, যার সাহায্যে ঘরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখা হয়। থার্মোস্ট্যাট রুম হিটার বা ফার্নেসকে চালু করে লক্ষ্য রাখে বা সেন্সর করে তাপমাত্রা কতদূর উঠলো। রুম পর্যাপ্ত পরিমানে গরম হলে এটা ফার্নেস বা হিটারকে স্বয়ক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেয়। আবার তাপমাত্রা নীচে নেমে গেলে, থার্মোস্ট্যাট বুঝতে পারে এবং পূনরায় ঝাঁকি দিয়ে ফার্নেস বা হিটারকে চালু করে।
আমরা দেখি এখানে একটি ফলাবর্তন প্রক্রিয়া (feedback process) ভারসাম্য বজায় রাখে, নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করলে দমিয়ে রাখে। এর নাম ‘নেতিবাচক ফলাবর্তন’ (negative feedback), এর কাজ সুস্থিত (stability) অবস্থা বজায় রাখা।
১৯৪০ ও ১৯৫০ এ দশকের মাঝামাঝিদিকে তথ্য তাত্ত্বিক ও সিস্টেম চিন্তাবিদরা বিভিন্ন পরীক্ষ-নিরীক্ষা পূর্বক নেতিবাচক ফলাবর্তন সংজ্ঞায়িত করেন। তারপর থেকে বিজ্ঞানীরা এর সদৃশ বা অনুরূপ বস্তু অথবা দৃষ্টান্ত অনুসন্ধান করতে থাকেন। প্রবল আনন্দ-উত্তেজনার মধ্যে তারা ব্যক্ত করেন যে, একই ধরনের সুস্থিতি- সংরক্ষন ব্যবস্থা (Stability-protecling system) একেবারে শরীরবিদ্যা থেকে রাজনীতি পর্যন্ত জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিদ্যমান। জীবদেহে যেমন তাপমাত্রার স্থিতাবস্থা বজায় রাখার ব্যবস্থা বিদ্যমান, তেমনি রাজনীতিতে বা রাষ্ট্রনীতিতে কোন সংস্থাপন বা সংগঠন গ্রহনযোগ্যতার সীমা অতিক্রম করলে তাকে প্রত্যাখান / প্রত্যাহার করার জন্য মতামত দেয়া হয়। অতএব, নেতিবাচক ফলাবর্তন বা নেগেটিভ ফিডব্যাক আমাদের চারপাশে সর্বত্র সকল বস্তুর স্থিতি বা ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কাজ করে বলে প্রতীয়মান হয়।
তবে ১৯৬০ এর দশকের প্রথম দিকে প্রফেসর মারুইয়ামার মতো সমালোচকরা লক্ষ্য করেন যে, স্থীতিশীলতার (Stability) প্রতি যত বেশী মনোযোগ দেয়া হচ্ছে, পরিবর্তনের (Change) প্রতি সে তুলনায় মোটেই না। তিনি তখন “ইতিবাচক ফলাবর্তন” (Positive feedback) নিয়ে আরো গবেষনা করা পয়োজন বলে মতামত রাখলেন। এই (ইতিবাচক ফলাবর্তন) প্রক্রিয়া পরিবর্তনের শক্তি বৃদ্ধি করে, দমন করে না স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জ করে, এমনকি মাঝে মাঝে বিধ্বস্তও করে। মারুইয়ামা গুরুত্ব দিয়ে বলেন পজিটিভ ফিডব্যাক কোন সিস্টেমের ছোট একটা রীতি লংঘন করে বা ‘লাথি’ দিয়ে এবং একে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে অতিরঞ্জিত করে এক বিশাল ভীতিপ্রদ কাঠামোয় রূপান্তরিত করতে পারে।
ফলাবর্তনের নেতিবাচক প্রক্রিয়া পরিবর্তন লাঘব-প্রবন আর ইতিবাচক প্রক্রিয়া পরিবর্তন উৎসাহী-প্রবন। দুটোর প্রতিই সমান গুরুত্ব দেয়া আবশ্যক। ইতিবাচক ফলাবর্তন (ইফ) দ্বারা অনেক দুর্বোধ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রক্রিয়ার কার্য-কারন সম্পর্কে সুষ্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান সম্ভব। কারন, ইহা (ইফ) স্থিতাবস্থাকে ভেঙ্গে দেয় এবং নিজেই নিজের রসদ জোগায় ; দুষ্টচক্র (Vicious circles) এবং শুদ্ধচক্র (Virtuous circle) কে ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে। থার্মোস্ট্যাটের দৃষ্টান্তটাকে একটু উল্টো করে কল্পনা করা যাক সেন্সরসহ এর ট্রিগার কার্যপদ্ধতি যদি বদলে দেয়া হয়, দেখা যাবে কক্ষ বা ঘর গরম হলেও, থার্মোস্ট্যাট ফার্নেস বন্ধ করার পরিবর্তে চালু রাখবে। ফলে তাপমাত্রা উষ্ণ থেকে উষ্ণতর হতে থাকবে। অথবা অর্থনীতির একচেটে বা মনোপলি ব্যবসার কথা কল্পনা করা যাক, যেমন- কোন ব্যক্তির যত বেশী টাকা থাকে, সে ততবেশী সম্পদ কিনতে পারে (জমি কেনা, বাড়ি বানানো বা ব্যবসা ফাঁদা ইত্যাদি) আর তত বেশী সে ভাড়া বা লাভ পায়; অতএব যত টাকা ততো সম্পদ কেনা। এ দুটোই ইতিবাচক ফলাবর্তন বা পজিটিভ ফিডব্যাকের দৃষ্টান্ত।
পজিটিভ ফিডব্যাক স্ব-ব্যাখ্যাত বা সেল্ফ এক্সপ্ল্যানাটরি এবং যে কোন প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যাদানে সহায়ক। যেমন পাকিস্তান একবার এক নতুন ধরনের যুদ্ধাস্ত্র তৈরী বা ক্রয় করলে ভারত তারচেয়ে বড় বা আধুনিক অস্ত্র তৈরী করে বা কেনে। এটা দেখে পাকিস্তান আবার তার চেয়েও উন্নততর মারনাস্ত্র তৈরী বা কেনায় উদ্বুদ্ধ হয়। অনুরূপভাবে ভারতও। এভাবেই মারাত্মক সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতা জঙ্গি উম্মতায় পর্যবসিত হয়
এবং নেতি ও ইতিবাচক ফিডব্যাক একত্র করলে বুঝা যাবে কি করে এ দুটো ভিন্নধর্মী প্রক্রিয়া জটিল বা উন্নত প্রানীদের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়া করে, মানব মস্তিস্ক থেকে অর্থনীতি পর্যন্ত চমকপ্রদ অন্তর্জ্ঞান বা উপলব্ধি জাগে। কোন সত্যিকার জটিল সিস্টেম / ব্যবস্থা– জৈবিক, প্রানী, নগর বা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক নিয়ম যাই হোক না কেন– তার ভেতরেই পরিবর্তন সহায়ক ও পরিবর্তন নিরোধক ব্যবস্থা থাকে অর্থাৎ ইতি ও নেতিবাচক ফিডব্যাক লুপ দুই-ই পারষ্পরিক ক্রিয়া করে। আমরা যদি এই সত্য স্বীকার করি তবে আমাদের অতি পরিচিত বিশ্বে এক পুরো নতুন স্তরের জটিলতা একটু একটু করে দেখতে পাব। এতে কার্য কারন সম্বন্ধে আমাদের নতুন উপলব্ধিরও অগ্রগতি হবে।
তারপরও, যখন শুরু থেকে প্রানীজগত ও সমাজ ব্যবস্থার ভেতরে পরিবর্তনের সহায়ক ও নিরোধক ব্যবস্থাগুলো কাজ করতে দেখা যায় না তখন আমরা বুঝতে পারিনা কি হচ্ছে, মনে সন্দেহ জাগে। সত্য এই যে, প্রথমে ব্যবস্থাগুলো অদৃশ্য বা অনুপস্থিত থাকলেও, পরে তার ভেতরেই জায়গামত তৈরী হয় বা জন্মায়, তখন দেখে মনে হয় যে ঘটনাটি দৈবক্রমে ঘটেছে। একারনেই কোন অনাহুত বা আকস্মিক ঘটনা এক বা একাধিক অপ্রতাশিত চমকপ্রদ ও পরষ্পর সংযুক্ত ঘটনাবলী ঘটতে পারে।
এই অবস্থা আমাদের জানান দেয়, কেন পরিবর্তনকে বোঝা দূরূহ ঠেকে, আন্দাজ করে নিতে হয় এবং এত রহস্যে বা বিস্ময়ে ভরা থাকে। এ কারনে কোন ধীর অথচ অবিচল প্রক্রিয়া হঠাৎ প্রচন্ড বিষ্ফোরনমুখী পরিবর্তন ঘটায় আবার উল্টোটাও হয়। এবং ইহাই আবার ব্যাখ্যা করে কেন সমধর্মী প্রারম্ভিক শর্তাদি সুষ্পষ্টভাবে বিপরীতধর্মী পরিনতি ডেকে আনে যা দ্বিতীয় ঢেউ মানসিকতার এক বিপরীত ধারনা।
তৃতীয় ঢেউ কার্য-কারন সম্পর্ক পরিবর্তন সহায়ক ও নিরোধক এবং আরো অনেক উপাদান সহ ক্রমাগত পারষ্পরিকভাবে মিথস্ক্রিয় শক্তির বিস্ময়ভরা এক জটিল বিশ্বের রূপ ধারন করছে। যে বিশ্ব দ্বিতীয় ঢেউ প্রস্তাবিত নির্মাণ কৌশলের চেয়ে অনেক বেশী অচেনা এবং একেবারেই নতুন।
সবকিছুকি দ্বিতীয় ঢেউয়ের যান্ত্রিক কার্য-কারন সম্বন্ধ কর্তৃক আরোপিত অনুমান নীতি নির্ভর ? নাকি সহজাতভাবে, অনিবার্য কারনে ভবিষ্যদ্বানী করা যায় না এমন বস্তুও আছে ? আমরা কি দৈব দ্বারা পরিচালিত নাকি প্রয়োজন দ্বারা ? এই পুরনো দ্বন্দ্ব সম্পর্কেও তৃতীয় ঢেউ কার্য-কারন সম্বন্ধের নতুন কিছু মজার বক্তব্য আছে। আসলে এই যুক্তি আমাদেরকে শেষ পর্যন্ত হয় / নয় (either/or) এর ফাঁদ এড়িয়ে চলতে সাহায্য করবে যা ডিটারমিনিস্ট ও এন্টি-ডিটারমিনিস্টদের মধ্যে তথা আবশ্যকতা প্রয়োজনের সঙ্গে দৈব ঘটনা বা ভাগ্যের সঙ্গে এতকাল যাবত ঝগড়া বাঁধিয়ে রেখেছে এবং এটাই হয়তো তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক সাফল্য হবে।

উঁইপোকা থেকে শিক্ষা গ্রহণ
ডক্টর ইলিয়া প্রিগোজিন (Dr I1ya Prigogine) (১৯১৭-২০০৩) ও তার সহকর্মীবৃন্দ ব্রাসেলস এর মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসায়নিক ও অন্যান্য কাঠামোগুলো প্রয়োজন ও বৈবের মিথস্ক্রিয়ায় পরবর্তি ভিন্ন ও জটিল উচ্চতর ধাপে কেমন করে লাখ দেয় (Leap), তা প্রমান করে দ্বিতীয় ঢেউয়ের সত্য হিসেবে মেনে নেয়া যুক্তি সমূহ মিথ্যা বলে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। এই উদ্ভাবনার জন্য তিনি ১৯৭৭ সনে রসায়নে নোবেল প্রাইজ লাভ করেন।
মস্কোতে জন্ম, বেলজিয়ামে শৈশব থেকে আমৃত্যু কাটিয়েছেন। যৌবনে সময় সমস্যার প্রতি প্রবলভাবে আকর্ষিত হন, এ নিয়ে তাঁর মনে দ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তি কাজ করত। একদিকে পদার্থবিজ্ঞানীদের এনট্রপির entropy প্রতি আস্থা অর্থাৎ মহাবিশ্ব ক্ষয়িষ্ণু এবং সকল সুসংগঠিত রীতি আদর্শ শেষ পর্যন্ত ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে এই বিশ্বাস ; অন্যদিকে, জীববিজ্ঞানীরা বলেন, জীবন নিজেই সংগঠন এবং আমরা অবিরত উচ্চ থেকে উচ্চতর, জটিল থেকে জটিলতর সংগঠনে আবির্ভূত হই যার নাম বিবর্তন (evolution)। Entropy পথ দেখায় একদিকে, Evolution দেখায় অন্যদিকে।
এই জিজ্ঞাসা প্রিগোজিনকে সারা জীবন পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন শাস্ত্রের গবেষনায় উদ্বুদ্ধ করে। উচ্চতর আকৃতির সংগঠন কি করে হয় তার উত্তর খোঁজাই ছিল তার গবেষনার মূল বিষয়। প্রিগোজিন প্রমান করে দেখান যে, যেকোন জটিল সিস্টেম- তথা তরল পদার্থের অনু (molecules) থেকে শুরু করে মস্তিস্কের øায়ুকোষ বা নগরের ট্রাফিক ব্যবস্থা পর্যন্ত সবকিছুই আংশিকভাবে সবসময় একটু একটু করে পরিবর্তিত হচ্ছে অর্থাৎ পরিবর্তনশীলতাই তাদের ধর্ম। যে কোন সিস্টেমের ভেতরটা প্রতিনিয়ত অস্থিরতায় কম্পমান থাকে। মাঝে মাঝে যখন নেতিবাচক ফিডব্যাক কাজ করে তখন এই অস্থিরতায় দমিত হয় এবং সিস্টেমের ভারসাম্য রক্ষা পায়। কিন্তু, যখন ইতিবাচক ফিডব্যাক কাজ করে বা শক্তি বৃদ্ধি পায়, তখন এই অস্থিরতার কতেকাংশ প্রচন্ড শক্তিশালীভাবে বেড়ে গিয়ে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে যে, সমগ্র সিস্টেমের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ে। এসময় সিস্টেমের বাইরের পরিবেশে অস্থিরতা থাকলে তা আঘাত করতে পারে এবং এর ফলে কম্পনের মাত্রা আরো অধিক পরিমানে বাড়তে থাকে– যতক্ষন না সার্বিক ভারসাম্য ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং বিদ্যমান (existing) কাঠামো ভেঙ্গে টুকরো টুকরো (Smashed) হয়।
অর্থনিয়ন্ত্রন ব্যবস্থার উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা আরো পরিস্কার করা যেতে পারে। সরবরাহ এবং চাহিদার ভারসাম্য রক্ষা করা হয় ফিডব্যাক প্রক্রিয়ার সাহায্যে। বেকার সমস্যা ইতিবাচক ফিডব্যাক দ্বারা তীব্রতর করা যায় এবং নেতিবাচক ফিডব্যাক দ্বারা সমতা বিধান করা যায়। তা না করা হলে, পুরো সিস্টেমের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়ে অস্থির হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তার সঙ্গে বাইরের অস্থিরতা (যেমন দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি, রাজনৈতিক বিশৃংখলা, বিদেশী হস্তক্ষেপ ইত্যাদি যুক্ত হয়ে এই অস্থিরতাকে আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে, যতক্ষন না পুরো সিস্টেম ভেঙ্গে চুরমার হয়।
চলমান অভ্যন্তরিন অস্থিরতা বা বাইরের শক্তি বা দুটোরই মিশ্রনে, যেভাবেই বিদ্যমান ভারসাম্য নড়ে উঠুক না কেন তা কেবল বিশৃংখলা বা ভাংগনই সৃষ্টি করে না, সম্পূর্ণ নতুন উন্নততর কাঠামো নির্মাণেও সহায়তা করে। এই নতুন কাঠামো / সংগঠন হতে পারে পুরনোটার চেয়ে আরো বৈচিত্র্যময়, আভ্যন্তরিনভাবে মিথস্ক্রিয় বা পারষ্পরিক সক্রিয় ও জটিলতর। নিজেকে টেকসই রাখার জন্য প্রয়োজন হতে পারে আরো বেশী শক্তি এবং অন্যান্য সহায়ক বস্তু যেমন তথ্য এবং অন্যান্য সম্পদ। তবে প্রধানত ফিজিক্যাল এবং কেমিক্যাল প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বলতে গিয়ে এবং মাঝে মধ্যে সামাজিক সদৃশ বস্তুসমূহের (Social analogues) দৃষ্টি আকর্ষন করতে গিয়ে প্রিগোজিন এই নতুন জটিলতর সিস্টেমগুলোকে আখ্যা দিয়েছেন “ক্ষয়িষ্ণু কাঠামো ডিসিপেটিভ স্ট্রাকর্চাস” (dissipative structures) হিসেবে।
তিনি প্রস্তাব করেন যে, বিবর্তন প্রক্রিয়া নতুন ও উচ্চতর ডিসিপেটিভ স্ট্রাকচারসমূহের আবির্ভাবের মাধ্যমে স্বয়ং ক্রমাগত এক জটিল (Complex) ও বৈচিত্র্যময় প্রানী ও সামাজিক প্রাণসত্ত্বার দিকে অগ্রসরমান হিসেবে দেখা যেতে পারে। প্রিগোজিনের মতে, এভাবে যেসব চিন্তায় ও ধারনায় রাজনৈতিক ও দার্শনিক অনুরনন-এর সাথে বিজ্ঞানভিত্তিক অর্থও থাকে, সেগুলো নিয়ে আমরা ‘অর্ডার আউট অব ফ্লাকচুয়েশন’ বা ‘অস্থিরতা থেকে শৃংখলা’র বিকাশ ঘটাই কিংবা তাঁর নিজের ভাষায় বলা যায়, “বিশৃংখলা থেকেই শৃংখলার বিন্যাস” (Order out of Chaos) ঘটে। (চলবে)


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…

বৈশাখ মানেই…



আদনান সৈয়দ
বৈশাখ মানেই…

বৈশাখ মানেই মায়ের হাসি
কৃষক বধুর চপল চোখ
বৈশাখ মানেই প্রাণের পরশ
ছোট্ট আমার বাংলামুখ।
বৈশাখ মানেই উথাল-পাথাল
নাইচা নাইচা বাউল গান
বৈশাখ মানেই বাংলা শিশুর
ছোট্ট গালে মিষ্টি প্রাণ।
বৈশাখ মানেই পাগলা হাওয়া
আকাশ জুড়ে মেঘলা দিন
বৈশাখ মানেই তোমার কাছে
আমার কিছু জমলো ঋণ।
বৈশাখ মানেই তোমার খোপায়
বেলী ফুলের প্রিয় মালা
বৈশাখ মানেই তোমার চোখে
ভালোবাসার নিত্য জ্বালা।
বৈশাখ মানেই মেলায় মেলায়
জোড়ায় জোড়ায় বাসর ঘর
বৈশাখ মানেই বুকের মাঝে
ভালোবাসার নতুন চর।
বৈশাখ মানেই নতুন কথা
বৈশাখ মানেই নতুন পথ
বৈশাখ মানেই নতুন সকাল
ভালোবাসার রঙিণ রথ!


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…

তুমি বড়-



শিশির আজম
তুমি বড়-

আমার উপলব্ধি
নজেকে আমি
রাষ্ট্রপতি মনে করি।
হাঙরদের পাশাপাশি আমরা
খেলছি জাল বুনছি
কিন্তু ঘুমুচ্ছি না।
পায়ের তালুতে ফোটা পেরেক
এখনও তাজা।
সূর্যের কোন আচ্ছাদন লাগে না
কুয়াশা কুয়াশাই
আমি সত্যিকার আমি।


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…

বই পড়ে যে জ্ঞান অর্জন করা যায় তা অন্য কোন মাধ্যমের দ্বারাই সম্ভব না



বই পড়ে যে জ্ঞান অর্জন করা যায় তা
অন্য কোন মাধ্যমের দ্বারাই সম্ভব না

-শামীমা শাহীন

[এ প্রজন্মের একজন প্রতিশ্র“তিশীল লেখক শামীমা শাহীন। অনবরত লিখে চলেছেন গল্প, কবিতা ও মুক্ত চিন্তার নানা গদ্য। রহস্যময়ী মেঘ বালিকা, কেউ ভুলে পড়ে, সাদা এবং কালো সহ রয়েছে তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। লেখালেখির জন্য ইতিমধ্যে দীপঙ্কর স্বর্ণপদক ২০১৩সহ কয়েকটি পুরস্কারও পেয়েছেন। সম্প্রতি দশদিকের পাঠকদের জন্য এই লেখকের মুখোমুখি হয়েছিলেন সাইফ বরকতুল্লাহ। ]

দশদিক: আপনার লেখালেখির শুরু কীভাবে ?
শামীমা শাহীন- ক্লাস সিক্সে পড়াকালীন প্রথম গল্প লিখি। স্কুলের বান্ধবীরা প্রচণ্ড আগ্রহে তা পড়ে এবং আরো লেখার উৎসাহ দেয়। প্রথম কবিতা লিখেই আমার পিতামহকে দেখাই। তিনি পরিচিত সবাইকে পড়ে শোনান এবং বলেন যে এমন ভাল লেখা তারা কেউ লিখতে পারেন কিনা। সেই অগোছালো ছোট ছোট লেখাগুলোর জন্য এমন মাত্রাতিরিক্ত উৎসাহ থেকেই লেখা শুরু।
দশদিক: আপনার প্রথম প্রকাশিত লেখা কী ?
শামীমা শাহীন- আমার প্রথম প্রকাশিত লেখা কবিতা স্থানীয় পত্রিকায়। এরপর স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাগাজিনে। তবে প্রথম বই প্রকাশিত হয়েছে ২০০৮ এর বই মেলায় পার্ল পাবলিকেশন্স থেকে। উপন্যাসটির নাম- দ্বিধা দ্বন্দের জীবন।
দশদিক: গদ্য, পদ্য কোন ধরণের সাহিত্য লিখতে আপনার স্বাচ্ছন্দ্য?
শামীমা শাহীন- যখন যা লিখে শেষ করি মনে হয় খুব ভাল হয়েছে। সৃষ্টির আনন্দই আলাদা। প্রতিটি লেখাই সন্তানের মত। তবে নিজেকে কবি না ভেবে কথা সাহিত্যিক হিসাবে ভাবতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। মনে হয় গদ্যই ভাল লিখি।
দশদিক: এ পর্যন্ত আপনার কতটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে ?
শামীমা শাহীন- ৮ টি গ্রন্থ। দ্বিধা দ্বন্দের জীবন, কেউ সুখী নয়, রহস্যময়ী মেঘ বালিকা, কেউ ভুলে পড়ে, সাদা এবং কালো, অবশেষে একদিন এবং পাঁচ রঙের ভালবাসা। ২ টি কাব্যগ্রন্থ। ভালবাসা কবিতার উচ্চারণে এবং এক পশলা প্রেম।
দশদিক: এবারের বই মেলায় আপনার নতুন কী বই আসছে ?
শামীমা শাহীন- পারিজাত প্রকাশনী থেকে পাঁচটি নির্বাচিত উপন্যাস নিয়ে বই পাঁচ রঙের ভালবাসা, হাতেখড়ি থেকে একক উপন্যাস আমার পরিচয় বাংলাদেশ এবং আলপনা প্রকাশনী থেকে কবিতার বই প্রকাশিত হচ্ছে এক পশলা প্রেম।
দশদিক: এ পর্যন্ত কী কী সম্মাননা পেয়েছেন ?
শামীমা শাহীন- কথা সাহিত্যে অতীশ দীপঙ্কর স্বর্ণপদক ২০১৩ প্রাপ্তি সাদা এবং কালো উপন্যাসের জন্য। ৯ অক্টোবার ২০১৩ শিল্পমন্ত্রী দীলিপ বড়ুয়া পদক দিলেন।
দশদিক: লেখা নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী ?
শামীমা শাহীন- লেখকরা পরিকল্পনা করে সবকিছু লেখেন না। আমার ধারনা এটা আল্লাহ প্রদত্ত একটা ব্যাপার। নাচ, গান চাইলেই শেখা যায়। কিন্তু চাইলেই কেউ লেখক হতে পারেন না। তবে যুগোপযুগী বাস্তবধর্মী লেখা লিখতে পছন্দ করি যেন পাঠকরা পড়ে আনন্দ পান। লেখার মাঝে পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয় কিছু শিক্ষণীয় ঘটনা তো থাকেই।
দশদিক: পাঠকদের উদ্দেশে কিছু বলুন।
শামীমা শাহীন- পাঠকরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তাদের ছয় নয় বুঝিয়ে ভাল লেখক হওয়া যায় না। বই পড়ার অভ্যাস কখনোই সার্বজনীন ছিল না আজো নেই। পাঠকদের উদ্দেশে বলব আপনারা ভাল বই পড়ুন। নিজের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটান। বই পড়ে যে জ্ঞান অর্জন করা যায় তা অন্য কোন মাধ্যমের দ্বারাই সম্ভব না। আমার বিশ্বাস আমার বই কেবল পাঠকের পাঠাগারকেই পূর্ণ করবে না।, সেই সাথে পূর্ণ করবে তার মননকেও।
দশদিক: আপনাকে ধন্যবাদ।
শামীমা শাহীন- ধন্যবাদ এবং অনন্ত শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…