জাপানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অমর একুশে উদযাপন



বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাপান শাখার আয়োজনে রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি টোকিওর মাচিয়া বুনকা সেন্টারে আয়োজন করা হয় অমর একুশে উপলক্ষ্যে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ও সমকালীন বাংলাদেশে রাজনীতি নামে মানুষ পুড়িয়ে মারার যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানো হচ্ছে তার প্রতিবাদে প্রবাসীদের মত বিনিময় সভা। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সমর্থক ছাড়াও প্রবাসী ও মিডিয়া কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাপান শাখার সভাপতি ছালেহ মোঃ আরিফ সূচনা পর্বে উপস্থিত থাকলেও জরুরি কাজে বাইরে চলে গেলে সহ সভাপতি সনত বড়ুয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আসলাম হীরা এ সময়ে মঞ্চে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই অমর একুশের বীর শহীদদের প্রতি এবং সম্প্রতি বাংলাদেশে সহিংসতায় হতাহতের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। মহান একুশে ও দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে- আব্দুর রহমান, কাজী ইনসানুল হক, সর্দার, বিমান পোদ্দার, মোতালেব শাহ আইয়ুব প্রিন্স, আব্দুর রাজ্জাক, মোল্লা আলমগীর, মোঃ জাহিদ হোসেন, গোলাম মাসুম, নাজমুল আলম রতন, মনির হোসেন কর্নেল, সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ আলম, কামরুল হাসান লিপু, ওয়াহিদ মোল্লা, জাকির হোসেন জোয়ার্দার, সলিমুল্লাহ কাজল, হারুনুর রশীদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন এটি হরতাল নয় খুনতাল। এই হরতালে জনগনের সম্পৃক্ততা নেই। রাস্তায় কেবল পেট্রোল বোমা আতঙ্ক, পুড়ে অংঙ্গার হওয়ার হয়, সম্পদ হারানোর ভয় নিয়ে, জনগনকে আতঙ্কে রেখে ভয় দেখিয়ে সব বন্ধ করার নাম আন্দোলন হতে পারে না। সংবিধান কোনো নেতা বা নেত্রীকে, কোনো রাজনৈতিক দলকে এভাবে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকা বিপর্যস্ত করার কিম্বা রাষ্ট্রীয় ক্ষতিসাধন করার অধিকার দেয়নি। বক্তারা কেউ কেউ যেমন সংলাপকে স্বাগত জানিয়েছেন কিন্তু বেশির ভাগই হত্যাকারীদের সাথে কোনো আপোস নয়, সংলাপ নয় -প্রয়োজনে সবচেয়ে কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে সিদ্দিকুর রহমান সম্প্রতি জাপানে রসুল (সাঃ)কে নিয়ে বিদ্রুপ করে চার্লি হেবডোর কার্টুন প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ জানান। জাপানের প্রকাশক দাইসেন শোকান মুসলমান গ্রুপ গুলোর তীব্র বিরোধীতা উপেক্ষা করে বইটি প্রকাশ করে জাপানে বসবাসরত মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করেছেন মন্তব্য করেন ও সবাই মিলে এর প্রতিবাদ করার আহ্বান জানান। সবশেষে সভার সভাপতি সনত বড়ুয়া সকলকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তাদের মতামত প্রদান করায় ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।


জাপানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অমর একুশে উদযাপন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাপান শাখার আয়োজনে রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি টোকিওর মাচিয়া বুনকা সেন্টারে আয়োজন করা…


নেপালের ভূমিকম্পে বিধ্বস্তদের পাশে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি

১৯৩৪ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে সাড়ে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল নেপালে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের…


মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপান আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ২০১৫

রাহমান মনি: ত্যাগের মাধ্যমে আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার অন্যতম বিধান ঈদুল আজাহা ইসলামে সুনিদিষ্ট…


টোকিওতেনিজস্বএক খণ্ড বাংলাদেশ

-মোহাম্মাদ নাহিদ: জাপানে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী দূতাবাস প্রকল্পের (গ্রীন বর্ষা )কাজ শেষ হয়েছে। মার্চ মাসের…

নেপালের ভূমিকম্পে বিধ্বস্তদের পাশে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি



১৯৩৪ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে সাড়ে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল নেপালে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩। দিনটি ছিল সোমবার। সময় ছিল সকাল ৮টা ৪৩ মিনিট।

৮১ বছর পর ২৫ এপ্রিল ২০১৫ মধ্যদুপুরে আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৯। দিনটি ছিল শনিবার। এই ভূমিকম্পে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার ৪৬০ জন। ভূমিকম্পে উনিশ শতকে (১৮৩২ সাল) নির্মিত একটি প্রাচীন টাওয়ার ভেঙে গেছে যা গত ১০ বছর ধরে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা ছিল।

ভূমিকম্পের পর পরই বাংলাদেশ সরকার তাৎক্ষণিক শোক জানানোসহ সহযোগিতা দিয়ে পাশে থাকার ঘোষণা দেয়, যা সত্যিই প্রশংসনীয় ছিল। বসে নেই প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজনও। বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে অর্থ সংগ্রহ করে দূতাবাসের মাধ্যমে প্রেরণ করে নেপালিদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
মানুষ মানুষের জন্য সেøাগানকে সামনে রেখে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত নেপালি জনগণের পাশে থাকার জন্য এক চ্যারিটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে। সংগৃহীত অর্থ নেপাল দূতাবাসের মাধ্যমে নেপালি জনগণের জন্য প্রেরণ করে।

৩১ মে রোববার টোকিওর কিতা সিটি ওজি হোকু তোপিয়া প্যাগাসাস হলে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের প্রবাসী অংশগ্রহণ করেন। দূতাবাস এবং জাপান সফররত বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী সস্ত্রীক উপস্থিত থেকে প্রবাসীদের আয়োজনে অংশ নিলে আয়োজনের মর্যাদা বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়।
জাপান প্রবাসীদের প্রিয় দুটি সাংস্কৃতিক দল ‘উত্তরণ’ ও ‘স্বরলিপি’ এবং প্রবাসী শিল্পীরা অংশ নিয়ে সংীত পরিবেশনের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেন। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং উপস্থিত দর্শক শ্রোতা ও অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের সম্মিলিত অনুদানের পরিমাণ হয় ৫ লাখ ৫ হাজার ৫০০ ইয়েন।
সংগৃহীত অর্থের পুরোটাই নেপাল দূতাবাসে হস্তান্তর করা হয়।

২ জুন মঙ্গলবার কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ টোকিওস্থ নেপাল দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর করেন। নেপাল দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মদন কুমার ভাট্টারাই প্রবাসী নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ গ্রহণ করেন। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, সংগৃহীত অর্থের অঙ্কটা বড় কথা নয়, সবচেয়ে বড় হলো মানবতা। নেপালি জনগণের জন্য বাংলাদেশিদের সহৃদয়তা, সদিচ্ছা এবং স্পিরিট নেপালি জনগণ চির কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।
প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষে সুখেন ব্রহ্ম, বাদল চাকলাদার, কাজী এনামুল হক এবং জুয়েল আহসান কামরুল রাষ্ট্রদূতের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। এই সময় বাংলাদেশ দূতাবাসের হেড অব দ্য চ্যান্সারি বা দূতালয় প্রধান নূর এ আলম, ইকোনমিক মিনিস্টার জীবন রঞ্জন মজুমদার এবং ‘সাপ্তাহিক’ জাপান প্রতিনিধি রাহমান মনি উপস্থিত ছিলেন।

অর্থ হস্তান্তর উত্তর এক আলাপচারিতায় রাষ্ট্রদূত মদন কুমার বলেন, ৮১ বছর পর বড় ভূমিকম্প নেপাল পুনর্গঠনে এক বার্তা এনে দিয়েছে। যদিও এমনটি কারোরই কাম্য নয়। তারপরও বেশ কয়েকটি সতর্কবার্তা আমাদের জন্য রয়েছে এই ভূমিকম্পে। আমাদের সেগুলো মাথায় রেখে নেপাল পুনর্গঠনে কাজ করতে হবে।
৩ মে ২০১৫ প্রবাস প্রজন্ম অনুষ্ঠানেও নেপালের জন্য শোক ও সহমর্মিতা জানানো হয়। -রাহমান মনি


জাপানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অমর একুশে উদযাপন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাপান শাখার আয়োজনে রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি টোকিওর মাচিয়া বুনকা সেন্টারে আয়োজন করা…


নেপালের ভূমিকম্পে বিধ্বস্তদের পাশে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি

১৯৩৪ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে সাড়ে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল নেপালে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের…


মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপান আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ২০১৫

রাহমান মনি: ত্যাগের মাধ্যমে আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার অন্যতম বিধান ঈদুল আজাহা ইসলামে সুনিদিষ্ট…


টোকিওতেনিজস্বএক খণ্ড বাংলাদেশ

-মোহাম্মাদ নাহিদ: জাপানে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী দূতাবাস প্রকল্পের (গ্রীন বর্ষা )কাজ শেষ হয়েছে। মার্চ মাসের…

মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপান আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ২০১৫



রাহমান মনি:
ত্যাগের মাধ্যমে আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার অন্যতম বিধান ঈদুল আজাহা ইসলামে সুনিদিষ্ট ভাবে উল্লেখিত।তা সত্বেও প্রবাসের ব্যস্ততম দিনে এবং ভিন্ন পরিবেশে ধর্মীয় আয়োজন, আচার পালন ইচ্ছা ও সামর্থ থাকার পরও অনেক সময় হয়ে ওঠেনা।আর দিনটি যদি হয় কর্ম দিবস তা হলে তো আর কথাই থাকে না।ইসলামী দেশগুলোতে প্রবাসীরা কিছুটা সুবিধা ভোগ করতে পারলেও জাপানের মত দেশে যেখানে ধমীয় আচার পালনের জন্য, এমনকি মে দিবসেও কোন সরকারী ছুটি থাকেনা, সেখানে ঈদের ছুটি আশা করা বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। অনেকেই হয়তো পূর্র্ ছুটি নিয়ে কিংবা অর্ধ বেলা ছুটি ভোগ করে ঈদের নামাজটা আদায় করে থাকেন। কিন্তু ভিন্ন পরিবেশ হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সংস্কৃতি প্রিয় এবং ধম ভীরু বাঙ্গালী যে বসে থাকার নয় তা আরেকবা্র প্রমাণ করল জাপান প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি। ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রতি বছরের মত এবারও মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপান ঈদ উত্তর এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আয়োজন করে।গত ৪ অক্টোবর রোববার টোকিওর অইয়ামা বুনকা কাইকান এ আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রায় অধ সহস্রাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি এবং স্থানীয় জাপানিজ সুহৃদরা সতস্তফুর্ত অংশগ্রহন করেন।খোদ রাজধানীতে এবারের আয়োজন হওয়ায় ধর্ম বর্ণ নির্বি শেষে সকলের উৎসব মুখর অংশগ্রহনে আয়োজন স্থলটি হয়ে ওঠে এক চিলতে বাংলাদেশ।
ঈদ পুনর্মিলনী-২০১৫আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসাবে সস্ত্রীক উপস্থিথ ছিলেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। পুরো অনুষ্ঠানকে 3টি পর্বে ভাগ করা হয়। পরিচালনায় ছিলেন নাজমুল হাসান রতন এবং জুয়েল আহসান। প্রথম পর্বে সংগঠনের সভাপতি বাদল চাকলাদারের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য পর্বে উপবিষ্ট ছিলেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন,এশিয়ান পিপলস ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাৎসুও ইয়োশিনারি, সংগঠনের সাধারণ সমাম্পাদক এমডি এস ইসলাম নান্নু, বর্তমানে জাপান প্রবাসী জাপান সফররত বৃটেন প্রবাসী খুররম আহমেদ, রাষ্ট্রদূত পত্নি ফাহমিদা জাবিস সোমা। শুভেচ্ছা বক্তব্যের শুরুতেই অতি সম্প্রতি পবিত্র হজ পালনকালে মিনাতে বহু প্রাণহানী, 28 সেপ্টেম্বর ঢাকাতে ইতালিয়ান নাগরিক এবং 3 অক্টোবররংপুরে নিহত জাপানী নাগরিক হোশি কোনিওর স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। জাপানপ্রবাসী সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের প্রায় সবাই, সকল মিডিয়া কর্মীসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান।। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সকলকে ঈদরে আয়োজনে আপ্যায়ন করা হয়। শেষ পর্বে প্রবাসীদের প্রিয় সাংস্কৃতিক দল স্বরলিপি এবং উত্তরন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মনো মুগ্ধ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দেন। ছবি: রাহমান মনি।


জাপানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অমর একুশে উদযাপন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাপান শাখার আয়োজনে রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি টোকিওর মাচিয়া বুনকা সেন্টারে আয়োজন করা…


নেপালের ভূমিকম্পে বিধ্বস্তদের পাশে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি

১৯৩৪ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে সাড়ে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল নেপালে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের…


মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপান আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ২০১৫

রাহমান মনি: ত্যাগের মাধ্যমে আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার অন্যতম বিধান ঈদুল আজাহা ইসলামে সুনিদিষ্ট…


টোকিওতেনিজস্বএক খণ্ড বাংলাদেশ

-মোহাম্মাদ নাহিদ: জাপানে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী দূতাবাস প্রকল্পের (গ্রীন বর্ষা )কাজ শেষ হয়েছে। মার্চ মাসের…

টোকিওতেনিজস্বএক খণ্ড বাংলাদেশ



-মোহাম্মাদ নাহিদ:
জাপানে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী দূতাবাস প্রকল্পের (গ্রীন বর্ষা )কাজ শেষ হয়েছে। মার্চ মাসের ২৫ তারিখ থেকে দূতাবাসের নতুন ঠিকানায় নিজস্ব ভূমিতে, নিজস্ব ভবনে দূতাবাসের দৈনন্দিন কাজ কর্ম নতুন উদ্দমে শুরু করেছেন।জাপানের গুরুত্ব পূর্ণ এলাকা ( পার্লামেন্ট ভবন, বিভিন্ন মন্ত্রনালয়,প্রধান মন্ত্রীর কারযালয়,জাপান সম্রাটের আবাস স্থল) এর কাছাকাছি বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থে জাপান সরকারের কাছ থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি কম কিস্থিতে কেনা ৭১৪ বর্গ মিটার জমিতে ১১১ কোটি ইয়েন দামে ক্রয় করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ সরকার। জাপানে বাংলাদেশের মর্যাদার প্রতিক,জাপানের বুকে আমরা পেয়েছি লাল সবুজের ছোট্ট বাংলাদেশ।শ্রদ্ধার সাথে আজ স্মরণ করছি সেই শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাদের রক্ত ঋণে , অর্জিত এই পতাকা । উড়াচ্ছে জাপান, উড়াচ্ছে বিশ্ব ।জাপান প্রবাসীরা খুঁজে পেয়েছেন নকশী কাঁথার ঢং

বাংলার ঐতিহ্য দু –চালা ঘরের আবেশে , সাকুরা ফুলের সৌরভ মাখা এক অপলক সৃষ্টি। যা দেখলে মণ জুড়িয়ে যায় মন ছুঁয়ে যায়। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের নভেম্বরের ২৮ তারিখে জাপানের রাষ্ট্রীয় সফরের সময় এর ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন। সেই সাথে আশা প্রকাশ করেন যত দ্রুত সম্ভব এর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করতে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য অর্থমন্ত্রীকে জোর তাগিদ দেন। দূতাবাস নির্মাণের উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকার গ্রহণ করেন জাপান প্রবাসী বাঙ্গালীদের জোর দাবীর ফলে। প্রথমে দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে অত্যন্ত স্বল্প সুদে জাপান সরকারের কাজ থেকে বাংলাদেশ এই জায়গাটি লাভ করেন। জমিটা টোকিওর চিইয়দা কু, কিওই চো ৩-২৯ এ অত্যন্ত গুরুত্ত পূর্ণ একটি এলাকায় অবস্থিত।এর মূল্য অনেক দিক থেকে বিচার্য ।জমির পরিমান ৭১৪ বর্গমিটার। নির্মাণ কাজটি ২০১১ সালের মাঝামাঝিতে শুরু হয়ে ২০১২ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বিভিন্ন জটিলতার কারণে থমকে গিয়েছিল। প্রকৃত সমাপ্তি মার্চ ২০১৬। ২০১২ সাল থেকে ২০১৬ দীর্ঘ চার বছর বিভিন্ন জটিলতায় থমকে গিয়েছিল নির্মাণ কাজ।অন্যান্য দেশের দূতাবাস জাপানে নির্মাণ করেছেন তাদের দূতাবাস নির্মাণ করতে এতটা সময় ক্ষেপণ করা হয়নি। যা বিরল ঘটনা।তৎকালীন রাষ্ট্রদূত আশরাফ উদ-দৌলার সময়ে দূতাবাস কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় জমি কেনা ও ভবন নির্মাণ এর প্রচেষ্টা শুরু হয়। একাধিক কিস্থি পরিশোধ করা হয়। দূতাবাস ভবন নির্মাণ এর জন্য কনসালটেন্ট নিয়োগ করা হয়। রাষ্ট্রদূত মজিবর রহমান ভুইয়া এর সময় মাননীয় প্রথান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তী কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরে।মজিবর রাহমান ভুইয়া চলে যাবার পর তৎকালীন দূতাবাসের চার্জ দ্যা এফেয়ারস ডঃ জীবন রঞ্জন মজুমদার এর সময় কালে এর অগ্রগতি বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মমেন এর সময়কালে দূতাবাস ভবনটি দ্রুততার সাথে সম্পূর্ণ হয় । সদ্য নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমার সময় প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।চার জন রাষ্ট্রদূতের নিকট জাপান প্রবাসীরা কৃতজ্ঞ।

জাপানী স্থাপত্য উপদেষ্টা ফার্ম কেপিএএবং বাংলাদেশের স্থাপত্য উপদেষ্টা ফার্ম ভার্নাকুলার আর্কিটেক্টস যৌথ ভাবে এই দূতাবাস কমপ্লেক্সটির নকশা প্রনয়ন করেছেন। নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ছিলেন মুরামত কর্পোরেশন । জাপানী স্থপতিদের মধ্যে রয়েছেন স্থপতি ইউশি কিতাগাওয়া এবং স্থপতি মাশাহিরো ওনো ,বাংলাদেশের স্থপতি ছিলেন ভার্নাকুলার আর্কিটেক্টস এর প্রেসিডেন্ট ও প্রধান স্থপতি ডঃ মাসুম ইকবাল । জাপানে বাঙালী কমিউনিটিতে সামাজিক, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক কারণে বেশ পরিচিত ।বিশেষ করে টোকিওস্থ ইকেবুকুরো নিশিগুচি পার্কে স্থাপিত শহীদ মিনার নির্মাণের প্রস্তাব তিনিই প্রথম ২০০৪ সালে জাপানের বাংলা কাগজ পরবাস আয়োজিত ভাষা শহীদ দিবসের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করেছিলেন। যার প্রেক্ষিতে প্রবাসী বাঙ্গালিরা , বাংলাদেশ দূতাবাস,বাংলাদেশ সরকার ও তশিমা কু এর যৌথ উদ্যোগে আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি স্থায়ী শহীদ মিনার। ২০১০ সালের প্রথম দিকে ডঃ মাসুম ইকবাল জাপানের চিবা ইউনিভার্সিটি থেকে উচ্চ শিক্ষা শেষে দেশে ফিরে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনি ভার্সিটি বাংলাদেশের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন।২০০০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জনের পর .২০০৩ সালে তিনি জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য জাপানে আসেন।জাপানে অবস্থান কালে তিনি এন এইচ কে বাংলা বিভাগে সংবাদ পাঠক হিসেবে জড়িত ছিলেন। ডঃ মাসুম ইকবালআওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতির সাথে জড়িত। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ- সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ডঃ মাসুম ইকবাল এর কথা এতো বলার কারণ, নির্মাণাধীন দূতাবাসের মুল ডিজাইন করেছেন সেখানে যোগ করেছেন বাঙ্গালীর ঐতিহ্য দু চালা ঘর এর আকৃতি , নকশী কাথা, বাংলার কৃষ্টি , সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের কথা মাথায় রেখেই । মুল প্রোগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ অন্তর্ভুক্ত না থাকলেও তার শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ভালবাসায় এটিকে যোগ করেছিলেন।সেখানে ভবন তৈরি হবার পর কোন স্মৃতি সৌধ দেখতে পাইনি। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে অনেক ধন্যবাদ । শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা কিছুটা হলেও আত্মা শান্তি পাবে। যদিও মূল নকশা অনুযায়ী ত্রিমাত্রিক না হলেও একটি দ্বিমাত্রিক স্মৃতি সৌধ যুক্ত করা হয়।

দূতাবাসের পুরো প্রক্রিয়ায় কিছু কিছু দুর্নীতির আভাস পাওয়া যাচ্ছে যথা-১,স্থপতিদের মুল নকশার পরিবর্তন করে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বেজমেন্ট এ কার পারকিং বাতিল করা হয়েছে।২,বাংলাদেশের স্থপতির নাম এবং প্রতিষ্ঠান এর নাম বাদ দেয়ার কথা শুনা যাচ্ছে ।
বা-দিক থেকে স্থপতি মাসাহিরো ওনো, মূল্যায়ন কমিটির প্রধান আব্দুল হাই,সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস,স্থপতি ইউশি কিতাগাওা,মাকোতো হারাদা,এবং স্থপতি ডঃ মাসুম ইকবাল পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে বৈঠক শেষে।

বেজমেন্ট কার পার্কিং স্থপতিদের মূল ডিজাইনে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বি-১ এগাড়ী রাখার ব্যবস্থা থাকা সত্তেও তা বাতিল করেন তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক। এই ব্যবস্থাটি না থাকার কারণে দূতাবাসে আমন্ত্রিত অতিথি, প্রবাসী বাংলাদেশী বৃন্দ, বিভিন্ন দেশের ভিসা গ্রহীতা গন সহ সকলের জন্য অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে।অধিকাংশ লোকজন গাড়ী নিয়ে দূতাবাসে আসবেন পারকিং না থাকার দরুন দূতাবাসের সামনেই গাড়ী রেখে ভিতরে প্রবেশ করবেন।এরকম চলতে থাকলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতে পারে আসেপাশের অধিবাসীরা। কয়েকদিন পূর্বে দূতাবাস দেখতে আসা এক পর্যটকের ধুম পান করার অভিযোগ শুনতে হয় দূতাবাসের কর্মকর্তাদেরকে।এখানে উল্লেখ্য যে জাপান সম্রাটের অতি নিকট আত্মীয় স্বজনদের আবাস স্থল এর আশেপাশে।জাপান প্রবাসীদের বাংলাদেশের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুলিতে হট্টগোল বলাই বাহুল্য। এ থেকে উপলব্ধি করা যায় বঙ্গবন্ধুর সময় কাল থেকে জাপান বাংলাদেশের যে বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল তা হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক এটাকে বাতিল করার ফলে জাপান বাংলাদেশের বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্কের ফাটল ধরবে বলে অনেকেই ধারনাকরছেন।বিষয়টিতে প্রবাসীরা ক্ষোভ জানাচ্ছেন।এখানে দুর্নীতির আভাস পাচ্ছেন অনেকে।

বাংলাদেশের স্থপতি ও প্রতিষ্ঠানের নাম বাদ দেয়ার কথা শুনা যাচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস ভবনের মূল নকশার সাথে জড়িত স্থপতি ডঃ মাসুম ইকবাল কে এবং তার প্রতিষ্ঠান ভার্নাকুলার আর্কিটেক্ট এর নাম বাদ দেয়া হয়েছে। এদিকে দূতাবাসে ভবন সম্পর্কিত কোন কাগজ পত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।কাজটি আমাদের বাংলাদেশী স্থপতি অন্তর্ভুক্তির বিনিময়ে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট নম্বর (১০) বরাদ্দ ছিল । যাকে ডোমেস্টিক প্রেফারেন্স বলা হয়। মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় বেনিফিট অব ডোমেস্টিক প্রেফারেন্স গ্রহণ করে পরবর্তীতে বাদ দেয়ার সুযোগ নেই। ভবন নির্মাণের শেষ পর্যায়ে যোগাযোগ করা হয় ডঃ মাসুম ইকবাল এর সাথে । তার নাম এবং প্রতিষ্ঠানের নাম বাদ দেয়া হয়েছে জানতে পারেন জাপান প্রবাসী সাংবাদিক কাজী ইনসানুল হক এর নিকট থেকে। স্থপতি ডঃ মাসুম ইকবাল বলেন, ( জাপানে বাংলাদেশের নতুন দূতাবাস ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার খবর পেয়েছি এবং গত মাস থেকে কাজ শুরু হয়েছে , বিষয়টি খুবই আনন্দের নিঃসন্দেহে । জাপান প্রবাসী বাঙ্গালীরা এখন একটি নিজেদের জায়গায় মিলিত হতে পারবেন, দূতাবাসের কার্যক্রম খুব ভালভাবে সম্পাদিত হতে পারবে। এর ডিজাইন প্রনয়নে শুরু থেকে আমাদের প্রতিষ্ঠান ভার্নাকুলার আর্কিটেক্ট সহ- পরামর্শক হিসাবে ছিল, এবং ভার্নাকুলার এর পক্ষ থেকে আমি ও আরেকজন স্থপতি আশিক ভাস্কর মান্নান প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। যদিও তখন দেশে আমার সাথে প্রকল্পটিতে আরও দুজন স্থপতি শরিফুল ইসলাম ও স্থপতি সুব্রত বিশ্বাস বাপ্পি কাজ করেছেন।আমাদের কোম্পানির নাম বাদ দিয়েছেন, শুনতে পাচ্ছি। যা সম্পূর্ণ ভাবে বেআইনি । বিষয়টি বিস্তারিত ভাবে জানিয়ে আমাদের কোম্পানির পক্ষ থেকে মান্যবর রাষ্ট্রদূত (প্রকল্প পরিচালক) বরাবর অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে)।

আগামী ২৫ থেকে ২৮ মে জি-৭ দেশ সমূহের আউটরিচ মিটিং এ যোগ দেওয়ার জন্য জাপানের প্রধান মন্ত্রী শিনজো আবে বাংলাদেশর প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে আমন্ত্রন জানিয়েছেন।ঐ সময়ের মধ্যে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা,বাংলাদেশ দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করিবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

জাপানে বাংলাদেশের নিজস্ব দূতাবাস নির্মাণ করে পৃথিবীর বুকে নতুন ভাবে পরিচিতি লাভ করবে বলে আশা প্রকাশ করছি। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার একনিষ্ঠতায় দূতাবাস ভবনটি দ্রুততার সাথে শেষ করে বাংলাদেশকে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিলেন। অভিনন্দন বাংলাদেশ সরকার কে । আমরা খুঁজে পেয়েছি একটি নিজস্ব ঠিকানা ।আপন আলোয় উদ্ভাসিত নতুন পরিসর।


জাপানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অমর একুশে উদযাপন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাপান শাখার আয়োজনে রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি টোকিওর মাচিয়া বুনকা সেন্টারে আয়োজন করা…


নেপালের ভূমিকম্পে বিধ্বস্তদের পাশে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি

১৯৩৪ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে সাড়ে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল নেপালে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের…


মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপান আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ২০১৫

রাহমান মনি: ত্যাগের মাধ্যমে আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার অন্যতম বিধান ঈদুল আজাহা ইসলামে সুনিদিষ্ট…


টোকিওতেনিজস্বএক খণ্ড বাংলাদেশ

-মোহাম্মাদ নাহিদ: জাপানে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী দূতাবাস প্রকল্পের (গ্রীন বর্ষা )কাজ শেষ হয়েছে। মার্চ মাসের…