আরামকুঠুরি



শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ

হঠাৎই মনে হলো শুক্কুরের কথা। তাকিয়ে দেখি কোথায় যেন চলে গেছে নাহ। একেবারে চলে যায়নি। মিনিট তিরিশেক পর আবার হাসতে হাসতে এসে উপস্থিত হলো শুক্কুর। তখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। আমাদের মাথার ওপর ছড়ানো ছাতার কঙ্কালটায় জ্বলে ওঠেছে বৈদ্যুতিক বাতি। কাশফুলের শুভ্রতা তখনো হারিয়ে যায়নি।
হারায়নি শুক্কুরের বিটকেলে হাসিটাও। এবার ওর মেজাজ আগের চেয়ে ফুরফুরে। মনে হলো সাত রাজার ধন জয় করে এসেছে। চটাঙ চটাঙ করে কথা বলছে। লঞ্চের কোথায় কী হচ্ছে বর্ণনা দিতে শুরু করল। কে তাকে কী খেতে দিয়েছে তাও জানালো। এই তিরিশ মিনিট সময়ের মধ্যে সে এক বোতল জুস পেয়েছে। নিজে একটি ডিম কিনে খেয়েছে। ঝালমুড়িওয়ালার কাছ থেকে ঝালমুড়ি, চানাচুর কিনেছে। আর কয়েকজন তাকে কিছু টাকাও দিয়েছে।
তাহলে সব খরচাপাতির পর ওর হাতে এখন কত টাকা আছে?
ঝট করে হাফপ্যান্টের পকেট থেকে টাকাগুলো বের করল সে। গুনার পর দেখা গেল সর্বসাকুল্যে আঠারো টাকা।
টাকার পরিমাণ কম বলে মোটেও মন খারাপ নয় শুক্কুরের। টাকা-পয়সা হলো হাতের ময়লা। আজ আছে কাল নেই। কাজেই যখন হাতে টাকা আসে, তা দিয়ে কিছু খেয়ে নেয়া ভালো।
শুক্কুর আলীর সারল্যে আবারো গলে গেলাম আমরা। ওর হাতে ধরিয়ে দিলাম দুই টাকার একটি নোট। টাকা নেয়ার প্রতিও ওর অতিরিক্ত আগ্রহ নেই। ভাবখানা এমন, দিচ্ছি বলেই নিচ্ছে। না দিলেও তেমন কিছু আসে যায় না।
অমনোযোগী হয়েই টাকাটা হাত বাড়িয়ে নিয়ে আগের সেই আঠার টাকার সাথে যোগ করল। তারপর নতুন করে গুনতে শুরু করল।
তুহিন, সাদ আর সজিবের সহায়তায় টাকাশুমারি শেষে শুক্কুর আলী এই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারল যে, ওর হাতে মোট বিশ টাকা আছে।
শুমারি শেষ হতে না হতেই আরো একটি দুই টাকার নোট বাড়িয়ে দিল সাদ।
সুতরাং আবার প্রথম থেকে গুনতে হবে!
নিশিদলের চাপাচাপিতে গুনতে বাধ্য হলো শুক্কুর। এবার সর্বসাকুল্যে বাইশ টাকা।
তৃতীয়বারের মতো শুমারি শেষেও সে দুই টাকা পেলো রোমনের কাছ থেকে।
আবার সেই শুমারির ঝামেলা? এবার আর বলতে হলো না। নিজে নিজেই গুনতে শুরু করল সে।
তারপর একবার শুমারি শেষ হয়। আরো একজন দুই টাকা করে দেয়। ব্যপারটা এমন পর্যায়ে দাঁড়ালো যে, টাকা গুনলেই টাকা বাড়ে। ব্যপক উৎসাহিত হলো শুক্কুর। সে বার বার টাকা গুনছে, বার বার দুই টাকা করে বাড়ছে।
একসময় গুনতে গুনতে তালগোল পাকিয়ে ফেললো। টাকায় টাকায় ভরপুর হয়ে টাকার প্রতি অনীহা তৈরি হলো তার।
শুক্কুর আলী টাকা গুনতে গুনতে আমাদের লঞ্চ ’’ঈগল’’ অতিক্রম করলো মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর সেতু। ঘড়িতে তখন সন্ধ্যা ছয়টা। এর কয়েক মিনিট পরই আমরা হারিয়ে গেলাম অন্ধকারের চাদরে।
প্রাণবন্ত হলো নিশিদল। আমরা প্রবেশ করলাম নিশিঘোরে। গোটা পৃথিবীতে তখন অন্ধকার। অন্ধকার কেটে চাপা গুঞ্জন তুলে নদীতে ভাসছে ঈগল। আকাশে চাঁদ নেই। আমাদের মাথার ওপর জ্বলছে একটিমাত্র বৈদ্যুতিক বাতি। আর দূরের জনপদ জ্বলছে টিম টিম করে । এ ছাড়া চারপাশে কেবল কালো আর কালো।
নিশিদলের সাথেও যোগ হলো কালো মাত্রা। শুরু হলো ভূত নিয়ে ছমছমে আড্ডা। তারপর প্রাসঙ্গিকভাবেই পরিবর্তন হতে থাকল আড্ডার বিষয়। ভূত থেকে বিভ্রম। বিভ্রম থেকে সাইকোলজি। আর সাইকোলজি থেকে প্যরাসাইকোলজি।
প্যরাসাইকোলজি হলো সাইকোলজির একটি শাখা। যা অদ্ভূত অদ্ভূত মনস্তাত্ত্বিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে, যেগুলোর বাস্তব ব্যখ্যা দেয়া এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। এই যেমন সজিব বর্ণনা করলো তার জীবনে ঘটে যাওয়া অদ্ভূত এক ঘটনা। সে তখন পঞ্চম শ্রেণীর চূড়ান্ত পরীক্ষা দিচ্ছে। পরদিন গণিত পরীক্ষা। গণিতে একশোতে একশো পাওয়ার ইচ্ছে তার অনেক দিনের। ছাত্র হিসাবে সে লোকজনের কাছে মেধাবী বলেই পরিচিত। তাই সবাই আশা করছে এবার সোনার ছেলে সজিব গণিতে একশো নাম্বার পেয়ে দেখাবে। এই বাড়তি চাপ মাথায় নিয়ে নাওয়া খাওয়া হারাম হয়ে গেল বেচারা সজিবের। যতটা না পড়তে পারছে তার চেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করছে। এভাবে দুশ্চিন্তায় দুশ্চিন্তায় ঘুমিয়ে গেল সে।
পরীক্ষার আগের রাতের ঘুম বলে কথা, এটা ওটা স্বপ্ন দেখতে শুরু করল সজিব। সব কথা ওর মনে নেই। তবে যেটা মনে রাখার প্রয়োজন সেটা ঠিকই মনে রাখল।
সেই রাতে সে স্বপ্নের ভেতর গণিত পরীক্ষার প্রশ্ন দেখেছিল। পুরো প্রশ্নটা মুখস্তও করে রেখেছিল। সকালে ওঠে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলায় দুলতে দুলতেই প্রশ্নের সমাধানগুলো একবার অনুশীলনও করেছিল সজিব।
তারপর কী হলো?
পরীক্ষার হলে সেই স্বপ্নের প্রশ্নপত্রটাই তার হাতে এলো।
সজিব গণিতে একশো তে একশো পেলো। পাড়া-প্রতিবেশির কাছে তার নাম হলো। কিন্তু আসল ঘটনাটা তখনকার মতো চেপেই রাখল সে। গোমর ফাঁস করে দিলে লোকজন তার মেধা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। ছোটবেলায় না হয় মানসম্মানের ভয়ে বলেনি সজিব। কিন্তু বড় হয়েও এটা চাওড় করেনি কেন?
সেই মানসম্মানের ভয়েই। লোকজন তাকে পাগল বলে গালাগালি করতে পারে। আর কাছের লোকজন পাগল না বললেও, গপ্পোবাজ বলে খাটো করতে পারে।
নিশিদল তাকে পাগলও বলল না, গপ্পোবাজ বলে খাটোও করল না। বরং এই ঘটনাটাকে বিশ্লেষণ করল প্যরাসাইকোলজির যুক্তিতে।
বাস্তবে এমন ঘটনা অহরহই ঘটছে। কিন্তু এগুলোকে অনেকেই বিভ্রম বা ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। অনেকসময় এড়াতে গিয়েও এড়াতে পারি না। কারো কারো জীবনে এসব অদ্ভুত ঘটনা আস্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকে।
তাহলে কী সবই ভুল? মোটেও না। কেউ গভীরভাবে কোনো কিছু কামনা করলে সেটা অনেক সময় যুক্তিকে অগ্রাহ্য করে বাস্তবেও পরিণত হতে পারে। একজনের মাথা থেকে অন্যজনের মাথায় সঙ্কেত পাঠানোও সম্ভব। হতে পারে সেটা তার চেতন মনে কিংবা অবচেতন মনেও। এমনও হতে পারে কারো একটি ইচ্ছের সঙ্কেত সম্পূর্ণ অপরিচিত একজনকেও প্রভাবিত করছে। একজনের ইচ্ছেটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য সক্রিয় হয়ে উঠছে অন্যজন।
এই যেমন সাবরিনার মনস্তাত্ত্বিক ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে সাড়ে সাত লাখ টাকা খোয়ালো সজিব। ষড়যন্ত্রের বিষয়টি চেপে রাখতে পারলাম না বলে দুঃখিত। মূলত সত্য কখনো চেপে রাখা যায় না। ছাই দিয়ে মাছ ঢেকে রাখা যেমন কষ্টকর, তেমনি মুখে লাগাম দিয়ে সত্যকে আটকে রাখাও দুঃসাধ্য ব্যাপার। আর এতটুকু যখন মুখ ফসকে বলেই ফেলেছি তো ব্যাপারটা খোলাসা করে দেয়াই ভালো। তবে সজিবকে অনুরোধ করবো মামলা করার বিষয়টি একটু শিথিল দৃষ্টিতে দেখতে। সজিব ও সাবরিনার মধ্যে পরিচয় নেই। তবুও ঘটে গেল ঘটনাটা! কিভাবে?
বলছি সে কথাই- নিশিদলকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিস্তর এক নকশা আঁকলেন সাবরিনা। কোনোভাবেই নিশিদলের সদস্য সংখ্যা পাঁচের ওপর তুলতে দেয়া যাবে না। এতে নানাবিধ সমস্যা। রাতের অন্ধকারে একটি ভারী দল নিয়ে বিচরণ করলে মানুষের কৌতুহল তৈরি হবে। যে কেউ ভুল বুঝতে পারে। তারপর স্থানীয় লোকজন সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে একটা কিছু করেও বসতে পারে। তাছাড়া বেশি চরিত্রের সমাগম ঘটালে লেখাগুলোর সাবলীলতাও নষ্ট হতে পারে। নিশিদল সাবলীলই থাকতে চায়। আর সাবলিলতার স্বার্থেই ‘বাধ্যবাধকতা’ শব্দটির অস্তিত্ব দলের অভিধানে নেই। তারপরও শৃঙ্খলার স্বার্থে কিছু বাধ্যবাধকতা থেকেই যায়। এসব বাধ্যবাধকতার পরীক্ষা উৎরে এবার চার নিশাচরের সাথে নিশিপ্রার্থী হিসাবে ওর যোগ হওয়ার কথা আহমদ আমিন ও সজিবের সাথে।
অন্যদিক থেকে হুমকি দিলেন সাবরিনা, দলকে পাঁচজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনে তিনি সাধনায় বসবেন। শেষ পর্যন্ত কাউকে আটকাতে পারলেন না সাবরিনা। সদরঘাটে সজিবের উপস্থিতিসহ দলটি যখন পাঁচজনের সীমা অতিক্রম করল তখন তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে একটি কৈফিয়ত দিলেন, সময়ের অভাবে নাকি তিনি ঠিকমতো সাধনায় মনযোগী হতে পারেন নি।
আর এ কারণেই সজিবকে আটকে দেই দেই করেও আটকানো সম্ভব হয়নি। অবশ্য পরবর্তীকালে দলের ভেতর সজিবের উপস্থিতির বিষয়টিকে তিনি ইতিবাচক দৃষ্টিতেই গ্রহণ করেছিলেন। কারণ তিনি জানতে পেরেছিলেন সজিবের সেলফোনটি কৈ মাছের প্রাণ। অর্থাৎ আমারটার মতো নিমিশেই চার্জ উধাও হয়ে যায় না। বিশেষ করে নিশিদলের ট্রিপে বের হলে আমার সেলফোনটিকে কোনোভাবেই মধ্যরাত পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে পারি না। সে কারণেই দলের অন্য সদস্যদের নাম্বারগুলোও তাকে দিয়ে রাখি। কিন্তু একটা সময়ে এসে যেই লাউ সেই কদু। অর্থাৎ কারো নাম্বারেই সংযোগ পাওয়া যায় না। অন্যসব ট্রিপের মতো এবারও যথারীতি সবার নাম্বার তাকে দিলাম। দিলাম কৈ মাছের প্রাণ সেলফোনের অধিকারী সজিবের নাম্বারটিও। তিনি আমার এবং সজিবের প্রতি প্রীত হলেন। দলের সদস্য সংখ্যা নিয়ে তার সাথে আর কোনো বিরোধ রইল না। কিন্তু মাঝখান থেকে খামোখাই সজিবের সাড়ে সাত লাখ টাকা উধাও হয়ে গেল!
ঘটনাটা তখনো জানতাম না আমরা-
নিশিদল ঢাকায় ফেরার পথে সজিব জানালো, ওই দিন দুপুরেই তার
ব্যবসার সাড়ে সাত লাখ টাকা মেরে দিয়ে এক ঠগ পাত্তারি গুটিয়েছে।
তারপরও সে নিশিদলে এসেছে। টাকার শোকে সন্তপ্ত সজিবকে অন্তত সেই মূহুর্তে দলে নিতে চাইবো না বলে, ঘটনাটা আমাদের জানায়নি। পরে জানতে পেরে দুই-এ দুই-এ চার মিলে গেল।


স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

স্মিথ, ওয়ার্নারদের আফ্রিকা ছাড়ার নির্দেশ

কেপ টাউনে কুখ্যাত বল-বিকৃতিকাণ্ডে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দোষী সাব্যস্ত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবারের মধ্যে…


‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

‘দুর্নীতিবাজদের অবশ্যই বিচার হবে’

সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা প্রত্যাহার করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শান্তি ও…


রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রূপা হত্যা মামলা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন…


“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

“জেলখানা আর গুলশানের বাসভবন এক নয়”

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম…


খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ভোট হতে দেয়া হবে না: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক…


‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের ধরছি, রাজনৈতিক ব্যাপার নেই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারা বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার সঙ্গে জড়িত, প্রমাণসাপেক্ষে তাদেরই গ্রেফতার করছে…


বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখাই লক্ষ্য: ফখরুল

বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই সরকার তড়িঘড়ি করে খালেদা জিয়ার মামলার রায় দিচ্ছে; বলে অভিযোগ করলেন…


সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

সীতাকুণ্ডে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত ১

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।…


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…